বিগত ৮০ বছরের ব্যবধানে অস্তিত্ব হারিয়েছে বরিশাল সিটি ও সদর উপজেলার প্রায় ১০ হাজার পুকুর। সর্বশেষ ২০১০ সালের মাস্টার প্লানের তথ্য অনুযায়ী নগরীতে ৪৩৬টি পুকুরের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে।
তবে পরিবেশ বাদীদের দাবী বর্তমানে দুইশ’ পুকুরেরও অস্তিত্ব নেই। ১৯৪০ সালের সিএস খতিয়ান অনুসারে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন ও সদর উপজেলায় ১০ হাজারেরও বেশি পুকুর ছিলো। এসব পুকুর ও খাল ভরাটের কারণে ধান-নদী-খালের দেশ বরিশালের সেই নাম হারিয়ে যাচ্ছে। এ বিপর্যয় মোকাবেলা করতে হলে দখল ও দূষনের বিরুদ্ধে সমম্বিতভাবে কাজ করার আহবান করা হয়েছে।
বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) বরিশাল বিভাগের সমš^য়কারী লিংকন বায়েন বলেন, বরিশালে জলাশয় সুর¶া ও সংর¶নে তাদের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে ১৩টি সুপারিশমালা উপস্থাপন করা হয়েছে। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে-নদী র¶ায় উচ্চাদালতের রায় বাস্তবায়ন, সি.এস ম্যাপ অনুযায়ী নদীর সীমানা নির্ধারন, দখল-দুষন ও ভরাটে আইনের কঠোর প্রয়োগ, নদী র¶া কমিশনের নিয়মিত তৎপরতা, সামাজিক আন্দোলন ও প্রেসার গ্রæপ সক্রিয়া রাখা।
#চলনবিলের আলো / আপন