যশোরের অভয়নগর উপজেলার নওয়াপাড়া পৌর ৪নং ওয়ার্ডের বউবাজার এলাকা থেকে দুই সন্তানের জননী সোনিয়া বেগম(২৮) নামের এক গৃহবধূ স্বামীর জমাকৃত টাকা নিয়ে মামাতো দেবরের হাত ধরে উধাও হয়ে গেছে। এবিষয়ে ভূক্তভোগী স্বামী কামরুল ইসলাম অভয়নগর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। ভূক্তভোগী নওয়াপাড়া (স্টেশন কলোনী) এলাকার মৃত সুলতান সিকদারের ছেলে কামরুল সিকদার জানান, নওয়াপাড়া (বউবাজার) এলাকার মোঃ জাফর মোড়লের মেয়ে সোনিয়া খাতুনের সাথে আনুঃ ১০বছর আগে আমার বিয়ে হয়। সংসার জীবনে আমার ইয়াছিন(৭)ও হুসাইন (৪) নামে দুইটি পুত্র সন্তান রয়েছে। সামান্য ভুল বোঝাবুঝির কারনে গত ১৮ ফেব্রুয়ারী আমার স্রী সোনিয়া আমাকে তালাক দিয়ে তার পিত্রালয়ে অবস্থান করে। আমি অনেক বুঝিয়ে শুনিয়ে গত ২৭ মার্চ স্থানীয় গন্যমাণ্য ব্যক্তিদের সহযোগিতায় আবার আমাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। আমার বাচ্চাদের মুখে তাকিয়ে সংসার সুন্দর করার লক্ষে স্রী সোনিয়াকে আমার বাড়ি নিয়ে যাই। আমি ঘাটে লেবারের কাজ করি, আমার কাজ করা গচ্ছিত ৩৭,৭০০ টাকা আমার স্রীর হাতে দিয়ে বলি এই টাকাটা রাখো এবং দুইদিন পরে একজনকে টাকাটা দিতে হবে। এই বলে পরের দিন অথ্যাৎ ২৮ মার্চ সকালে আমি ঘাটে কাজ করতে চলে যাই। হঠাৎ শুনি আমার আপন মামাতো ভাই শরিফুলের সাথে আমার স্রী সোনিয়া পালিয়ে গেছে আমার ছোট ছেলেকে সাথে নিয়ে এবং আমার জমাকৃত ৩৭,৭০০ টাকাও সাথে নিয়ে উধাও হয়ে গেছে। আমি সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজ করেছি কোথাও না পেয়ে গত মঙ্গলবার অভয়নগর থানায় একটি অভিযোগ করেছি। আমার স্রীকে ছাড়া আমার বেঁচে থাকা দায় হয়ে পড়েছে। যে কোন শর্তের বিনিময়ে আমার স্রী ফেরত আসুক আপনারা সকলে দোঁয়া করবেন। এদিকে গৃহবধূ উধাও হওয়ার সংবাদে এলাকায় মানুষের মুখে মুখে মুখরোচক আলোচনায় চায়ের দোকান গুলোতে ঝড় বয়ে চলছে। অভিযোগের বিষয়ে অভয়নগর থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) একেএম শামীম হাসান বলেন, অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত স্বাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
#চলনবিলের আলো / আপন