মঙ্গলবার , ১০ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৭শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - শীতকাল || ২২শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

দেড় বছর ধরে ভারী যান পারাপারে নিষেধাজ্ঞা, বৈরাণ নদীর বিপদজ্জনক বলাটা সেঁতু

প্রকাশিত হয়েছে- সোমবার, ১৪ মার্চ, ২০২২
দুই বছর আগে একটি স্লাভ ও দুটি গার্ডারে ফাটল ধরেছে। ভারী যানবাহণ উঠলেই সেঁতু কাঁপতে থাকে। দেড় বছর আগে যান পারাপার বন্ধের জন্য বিপদজ্জনক সাইনবোর্ড দেওয়া হয়। তাতে কাজ না হওয়ায় সেঁতুর দুই পাশের মাটি খুড়ে করা হয়েছে খন্দক। ব্যস্ততম গোপালপুর-ভূঞাপুর সড়কে বৈরাণ নদীর এমন জীর্ণ সেঁতু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন দুই উপজেলার লক্ষাধিক মানুষ।
পৌরসভার সূতী পলাশ এলাকার সাবেক কমিশনার সাইফুল ইসলাম জানান, ১৯৯২-৯৩ অর্থ বছরে প্রায় দুই কোটি টাকা ব্যয়ে বৈরাণ নদীর উপর বলাটা সেঁতু নির্মিত হয়। টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী, মধুপুর ও গোপালপুরের মানুষ ভূঞাপুর হয়ে বঙ্গবন্ধু সেঁতু পাড়ি দিয়ে উত্তরবঙ্গে যোগাযোগ ও পণ্য পরিবহণে এই সেঁতুটি ব্যবহার করেন। দুই বছর আগে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) বৈরাণ নদী খননের সময় অপরিকল্পিতভাবে সেঁতুর নিচের মাটি কেটে নেয়। বর্ষাকালে স্রোতে মাটি ধুঁয়ে সেঁতুর পিলার আলগা হয়ে যায়। ফলে সেঁতুটি মারাত্মক বিপদজ্জনক হয়ে পড়ে।
উপজেলা এলজিইডি অফিস জানায়, ১ হাজার মিটার চেইনেজ ও ৮০ মিটার দীর্ঘ আরসিসি গার্ডারের বলাটা সেঁতুর একটি স্লাভ ও দুটি গার্ডারে ফাটল ধরেছে। ফলে সেঁতুটির একপাশ কিছুটা কাত হয়ে গেছে। ভারী যানবাহণ উঠলে এটি কাঁপতে থাকে। যে কোন সময় সেঁতুটি ধসে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
আলমনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল মোমেন জানান, এলজিইডি প্রায় সাড়ে ৬ কোটি টাকা ব্যয়ে গোপালপুর-ভূঞাপুর ভায়া ফলদা সড়কটি নির্মাণ করছে। কিন্তু জীর্ন ও নড়বড়ে বলাটা সেঁতু ভেঙ্গে সেখানে নতুন সেঁতু নির্মাণ না করায় জনগণ সড়কের সুফল পাচ্ছেনা। টানা দু্ই বছর ধরে উপজেলা পরিষদের উন্নয়ন ও সমন্বয় কমিটির সভায় এ সেঁতু নিয়ে কথা হয়, রেজুলেশন হয়। ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ করা হয়। কিন্তু এলজিইডি মানুষের দুর্ভোগকে পাত্তা দিচ্ছেনা। ভারী ও মাঝারী যানবাহণ ২০-২৫ কিলো ঘুরে গন্তব্যে যেতে ভোগান্তি হচ্ছে।
গোপালপুর উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ জানান, বলাটা সেঁতুর বিপদজ্জনকদশা এবং মানুষের ভোগান্তি নিয়ে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট একাধিকবার অফিসিয়াল চিঠি দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. পারভেজ মল্লিক ভোগান্তির সত্যতা স্বীকার করে জানান, আপাদত এখানে দ্রুত বেইলী ব্রীজ নির্মাণের সুপারিশ করা হয়েছে। 

 

#চলনবিলের আলো / আপন

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।