সোমবার , ৯ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৬শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - শীতকাল || ২১শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

ব্যক্তিগত অর্থায়নে সড়ক নির্মাণ , চারটি গ্রামে খুশির জোয়ার

প্রকাশিত হয়েছে- শনিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

জেলার নদীবেষ্টিত মুলাদী উপজেলার অবহেলিত সফিপুর ইউনিয়নের চারটি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষের চলাচলের জন্য ব্যক্তিগত অর্থায়নে দেড় কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা আবু মুছা হিমু মুন্সীর ব্যক্তিগত অর্থায়নে এ সড়ক নির্মান করা হয়। ইউনিয়নের বেপারীর হাট উত্তরপাড় খেয়াঘাট থেকে চরমালিয়া গ্রামের সোনা মিয়া মেম্বারের বাড়ি পর্যন্ত কাঁচা সড়ক নির্মাণের ফলে চরমালিয়া, কায়েতমারা, চরপদ্মা ও চরভেদুরিয়া গ্রামবাসীর মধ্যে খুশির জোয়ার বইছে।

জানা গেছে, প্রায় ২০ বছর আগে জয়ন্তী নদীর উত্তরপাড়ে বিশাল চর জেগে ওঠে। ধীরে ধীরে ওই চরে বসতি গড়ে উঠেছে। বর্তমানে সেখানে দুই সহস্রাধিক মানুষ বাস করছেন। এছাড়া ওই চরের মধ্যদিয়ে সৃষ্ট পথেই একমাত্র ভরসা কায়েতমারা, চরপদ্মা ও চরভেদুরিয়া গ্রামবাসীর।

চরমালিয়া গ্রামের বাসিন্দা এ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান বলেন, সুবিধাবঞ্চিত এলাকায় কোনো সড়ক না থাকায় সাধারণ মানুষ চরের মধ্যদিয়ে কষ্ট করে চলাচল করতেন। বর্ষা মৌসুমে খেতের মধ্যদিয়ে সৃষ্ট পথে চলাচল করতে না পারায় সবাইকে প্রায় তিন কিলোমিটার ঘুরে সফিপুর নোমরহাট খেয়াঘাট হয়ে বিভিন্নস্থানে যাতায়াত করতে হতো। চারটি গ্রামের মানুষদের সুবিধার্থে ইউপি চেয়ারম্যান আবু মুছা হিমু মুন্সী সড়ক নির্মানের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। সরকারী বরাদ্দ না পাওয়ায় এবং সরকারীভাবে সড়ক নির্মাণে ধীরগতির কথা চিন্তা করে তিনি (ইউপি চেয়ারম্যান) ব্যক্তিগত অর্থায়নে সড়ক নির্মাণ শুরু করেন। প্রায় ১৮ লাখ টাকা ব্যয়ে দেড় কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ করা হয়।

গ্রামের বাসিন্দা জানে আলম ঝন্টু তালুকদার বলেন, চরাঞ্চলের কয়েক হাজার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে যাতায়াতে চরম দুর্ভোগের শিকার হয়েছেন। ইউপি চেয়ারম্যান হিমু মুন্সী সড়ক নির্মাণ করে দেয়ায় এখন আর দুর্ভোগ পোহাতে হবেনা।
স্থানীয় বাসিন্দা ও রেল মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব এইচএম রাকিব হায়দার বলেন, সড়ক নির্মাণ হওয়ায় গ্রামে জনবসতি বৃদ্ধির পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা সহজে স্কুল-কলেজে যাতায়াত ও কৃষকরা তাদের পণ্য পরিবহণে গাড়ি ব্যবহার করতে পারবেন।
ইউপি চেয়ারম্যান আবু মুছা হিমু মুন্সী বলেন, মুজিববর্ষে কোন মানুষ কস্টে থাকবেনা। তাই ইউনিয়নের সবচেয়ে নিন্মাঞ্চলের মানুষের চলাচলের জন্য সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে। ভবিষ্যতে সরকারী বরাদ্দ পেলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চারটি গ্রামের বাসিন্দাদের চলাচলের একমাত্র সড়কটি পাকা করার ব্যবস্থা করা হবে। এছাড়াও ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো নির্মানের চেষ্টা চলছে বলেও তিনি (চেয়ারম্যান) উল্লেখ করেন।

 

 

#চলনবিলের আলো / আপন

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।