১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। দিনাজপুরের নবাবগঞ্জেও নানা আয়োজনে এই দিবসটি পালিত হয়েছে। দিনটিকে ভ্যালেন্টাইন্স ডে হিসেবে উদযাপন করা হয় বিশ্বব্যাপী। এই দিনে স্বামী-স্ত্রী, বাবা-মা-ভাইবোন, প্রিয় বন্ধুরা মিলিত হয় ভালোবাসার বন্ধনে। বর্তমানে এই দিনটি উৎসবে পরিণত হয়েছে। এই দিনে আশুরার বিল (জাতীয় উদ্যান),স্বপ্নপুরীসহ বিনোদন কেন্দ্র গুলোতে থাকে উপচেপড়া ভিড়।সবাই এই দিনটিকে নিজের মতো করে পালন করতে চেষ্টা করে। সকাল থেকে তরুন তরুনীদের নানান সাজে বিভিন্ন ঢংগে দোকানগুলোতে ফুল কিনতে দেখা গেছে।
কেন ১৪ ফেব্রয়ারিই ভালোবাসা দিবস উদযাপন করা হয় এ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে অনেকের। প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে জানা যায়, ভালোবাসার জন্য এই দিনে মানুষের জীবন ত্যাগের ইতিহাস।প্রতি বছর এই দিনটাতে অনেকেই তাদের প্রিয়জনদের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করে একটু অন্যভাবে। ফুল, কার্ড আর নানান উপহার সামগ্রীতে ভরিয়ে দেয় তারা প্রিয় মানুষটিকে। অনেকের কাছেই তাই বহুল আকাঙ্ক্ষিত দিন এটি।
বিশিষ্ট সাংবাদিক শফিক রেহমানের হাত ধরে ১৯৯৩ সালে বাংলাদেশে ভালোবাসা দিবসের আবির্ভাব ঘটে । লন্ডনে পড়াশোনার সুবাদে পাশ্চাত্যের কালচারে অভ্যস্ত। দেশে ফিরে তিনিই ভালোবাসা দিবসের শুরুটি করেন। তার চিন্তাটি নতুন প্রজন্মকে বেশি আকর্ষণ করে। সে থেকেই আমাদের দেশে দিনটির শুরু।
প্রকৃতি থেকে নেয়া এ ভালোবাসা বিলিয়ে দেয় সারাদিন একে অন্যের মাঝে। যদিও এই মিথের উৎপত্তি কোথা থেকে তা অজানা আজও।ভালোবাসার নেই কোন রঙ বা রূপ। হৃদয় দিয়ে অনুভব করতে হয় ভালোবাসা। প্রিয়জনকে ভালোবাসতে বা তা প্রকাশ করতেও প্রয়োজন নেই কোনো নির্দিষ্ট ক্ষণ, দিন, মাস বা বছরের। এই কথাগুলো জানা আমাদের সবারই। সব কথার পরও গুরুত্ব বলে একটা কথা থেকে যায়। আর এই ভালোবাসার গুরুত্ব বা তাৎপর্যকে তুলে ধরতেই জন্ম হয় বিশ্ব ভালোবাসা দিবসের।
ভালোবাসা দিবস নিয়েও রয়েছে নানা বিতর্ক। বিশ্বের বেশ কিছু দেশে এই দিবসটি পালনে রয়েছে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ পাকিস্তান, ইরান, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, সৌদি আরব ও কাতারে।
স্থানীয় সাংসদ মোঃ শিবলী সাদিক সকলকে বিশ্ব ভালোবাসা দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
#চলনবিলের আলো / আপন