সোমবার , ৯ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৬শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - শীতকাল || ২১শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

আগৈলঝাড়ায় কবি বিজয় গুপ্তের স্মৃতি সংরক্ষণ ও সংস্কৃতি বিকাশ কেন্দ্রের উদ্বোধন

প্রকাশিত হয়েছে- মঙ্গলবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় মনসা মঙ্গল কাব্যের রচয়িতা, মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের অমর কবি বিজয় গুপ্ত’র প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী মনসা মন্দিরের পাশে কবি বিজয় গুপ্ত’র স্মৃতি সংরক্ষণ ও সংস্কৃতি বিকাশ কেন্দ্রের উদ্বোধন করা হয়েছে।
সোমবার সন্ধ্যায় প্রধান অতিথি হিসেবে অমর কবি বিজয় গুপ্ত’র স্মৃতি সংরক্ষণ ও সংস্কৃতি বিকাশ কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাত।

নাট মন্দির চততেরে মন্দির কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তারক চন্দ্র দে’র সভাপতিত্বে কবি বিজয় গুপ্ত’র স্মৃতি সংরক্ষণ ও সংস্কৃতি বিকাশ কেন্দ্রের উদ্বোধনী সভায় বক্তব্য রাখেন বিজয় গুপ্ত’র স্মৃতি সংরক্ষণ কমিটির উপদেষ্টা ও একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক ও কলামিষ্ট বীর মুক্তিযোদ্ধা অজয় দাসগুপ্ত, বরিশাল মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি আশিষ দাসগুপ্ত, গৈলা বাজার কীর্ত্তন ও পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি সুশান্ত কর্মকার, সাধারন সম্পাদক কাজল দাশ গুপ্ত, ব্যবসায়ী দিলীপ কর্মকার, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আভা মুখার্জীসহ প্রমুখ।

প্রাপ্ত তথ্য ও বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার গৈলা গ্রামে ইংরেজী ১৪৫০ সালে জন্মগ্রহন করেন বিজয় গুপ্ত। তার বাবার নাম সনাতন গুপ্ত ও মায়ের নাম রুক্সিনী দেবী। বিজয় গুপ্ত ছিলেন বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান। ৪৪ বছর বয়সে তিনি বিষ হরি দেবী (বিষ হরণকারী) মনসা কর্তৃক স্বপ্নে আদিস্ট হয়ে ফুল্লশ্রী গ্রামের মনসা কুন্ড নামে খ্যাত বর্তমান মন্দিরের পাশ্ববর্তী দিঘী থেকে স্বপ্নে প্রাপ্ত ঘট প্রতিষ্ঠা করেছিলেন মন্দিরে। এরপর তিনি (বিজয় গুপ্ত) দেবী পদ্মা বা দেবী মনসা কর্তৃক পূণরায় স্বপ্নে আদিস্ট হয়ে দিঘীর পাশ্ববর্তী সাইতান গাছের নীচে বসে নবাব হোসেন শাহ’র শাসনামলে (১৪৯৪ সালে) পদ্মপুরাণ বা মনসা মঙ্গল কাব্যগ্রন্থ রচনা করেন। যা পরবর্তীতে বাংলা সাহিত্যের অমরগ্রন্থ হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। মনসা মঙ্গল কাব্যগ্রন্থ রচনা করায় কবি বিজয় গুপ্ত সুলতানের দরবারে ‘মহাকবি’ উপাধি লাভ করেন। বিজয় গুপ্ত বিভিন্ন এলাকায় কিছুকাল স্ব-দলবলে মনসা মঙ্গল গানও করেন। এরপর তিনি তীর্থ ভ্রমনের উদ্যেশ্যে কাশীধাম গমন করেন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাক সেনারা বিজয় গুপ্তের প্রতিষ্ঠিত মনসা মন্দিরে ব্যাপক লুটতরাজ ও ধ্বংষযজ্ঞ চালায়। রেখে যায় মন্দিরে তার প্রতিষ্ঠিত ঘট। স্বাধীনতার পর থেকে ওই ঘটেই চলে আসছিল নিত্যদিনের পূজা অর্চনা।
কবি বিজয় গুপ্ত’র স্মৃতি সংরক্ষণ ও সংস্কৃতি বিকাশ কেন্দ্রের মাধ্যমে মন্দিরে আসা লোকজন তার বিষয়ে অনেক কিছু জানতে পারবেন।

 

 

#চলনবিলের আলো / আপন

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।