চুয়াডাঙ্গা জেল খানাতে গিয়ে যারা মাদক ব্যাবসায়ী তাদের সাথে কথা বলে তাদেরকে নগদ অর্থ ও সেলাই মেশিন দিয়ে সহযোগিতা করেছেন জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার।
আলমডাঙ্গা অফিসঃ গতকাল দুপুর ১২ টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর বেগমপুর ইউনিয়ন আয়োজিত নবগঠিত নেহালপুর ইউনিয়ন পরিষদের হল রুমে এ বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
বেগমপুর ইউনিয়ন কর্তৃক আয়োজিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বেগমপুর ইউপি চেয়ারম্যান আলী হোসেন জোয়ার্দারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বক্তব্যে বিদায়ী জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার বলেন, আমি ২০১৯ সালের আগষ্ট মাসে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক হিসাবে যোগদান করি। তারপর থেকে আমি পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে থেকে সর্বদা চেষ্টা করেছি কিভাবে তাদের উন্নয়ন করা সম্ভব আমি যে কোন কাজ করার আগে সব সময় চিন্তা করে কাজ করেছি। মহামারী করোনার মধ্যে সরকারি সাহায্য ঠিক মতো পেয়েছে কিনা তা আমি খতিয়ে দেখেছি।
এ পর্যন্ত আমার কাছে সরকারি সাহায্য নিয়ে দুর্নীতি করেছে একটি অভিযোগও আসেনি। তাই আমি চুয়াডাঙ্গা বাসির কাছে ঋণি হয়ে থাকলাম সারাজীবন চুয়াডাঙ্গা বাসির কথা মনে থাকবে। আমি পদন্নতি পেয়ে যুগ্ন সচিব হয়ে চলে যাচ্ছি, আমি যেখানেই থাকিনা কেন দেশের জন্য কাজ করবো, মানুষ আমাকে বলে লোকটা ভালো ছিলো এটাই আমার চাওয়া পাওয়া এটাই আমার তৃপ্তি। আমি সব সময় মানুষের কথার মূল্যায়ন করি, যে সরকারই ক্ষমতায় আসুক না কেন জনগনই ক্ষমতার মূল উৎস।
আমি চুয়াডাঙ্গা জেল খানাতে গিয়ে যারা মাদক ব্যাবসায়ী তাদের সাথে কথা বলে তাদেরকে নগদ অর্থ ও সেলাই মেশিন দিয়ে সহযোগিতা করেছি। তারা আমার কাছে ফোন দেয় স্যার আপনার সেলাই মেশিন পেয়ে এখন অনেক ভালো আছি। তিনি আরও বলেন, তখন আমার নিজের কাছে অনেক তৃপ্তি আসে আমার ভালো লাগে এটাই আমার বড় পাওয়া। তিনি সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন। আমি যেনো যেখানে থাকি সরকার ও জনগনের সেবা করতে পারি।
ইউপি সচিব ফয়জুর রহমানের প্রানবন্ত উপস্থাপনায় উপস্থিত থেকে আরো বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক সাজিয়া আফরিন।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক শারমিন আক্তার, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামীম ভূইয়া, নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট বিএম তারিকুজ্জামান, সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাজহারুল ইসলাম, প্রমুখ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, ইউপি সদস্য জিল্লুর রহমান (জুলমত), কায়েস উদ্দিন, আবু সালেহ, আলী কদর, আহারন নেসা, হালিমা খাতুন, প্রমুখ।
#চলনবিলের আলো / আপন