রবিবার , ৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৫শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - শীতকাল || ২০শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

মৌসুমী পিঠার দোকানে গরম পিটার সমাহারে আকৃস্ট ক্রেতা

প্রকাশিত হয়েছে- বৃহস্পতিবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২২

বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা শহরের প্রধান সড়কের ফুটপাতে জ¦লছে সারি সারি মাটির চুলা, প্রতিটি চুলার উপরে বসানো হয়েছে বিশেষভাবে ছিদ্র করা মাটির সড়া ও লোহার কড়াই, যাকে বলে “খোলা”। একটু পরপর ঢাকনা তুলে কড়াইতে তুলে দিচ্ছেন চালের গুঁড়ার ‘গোলা’। কয়েক মিনিটের মধ্যেই গরম চিতই পিঠা ও ভাপা পিঠা নামিয়ে প্লেট ধরিয়ে দেয়া হচ্ছে আগ্রহী ক্রেতাদের হাতে। পিঠার সাথে দেয়া হচ্ছে ক্রেতার পছন্দ মতো সরিষা ভর্তা, ধনে পাতা ভর্তা, মরিচ ভর্তা ও চিড়িং শুটকি ভর্তা, কালোজিড়া ভর্তাসহ আরো হরেক রকমের ভর্তা। সূর্য পশ্চিম আকাশে হেলে পড়ার পর থেকে রাতে লোক চলাচল পর্যন্ত এমন দৃশ্য দেখা যাচ্ছে এই শীতের মৌসুমে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, শহরের প্রধান সড়ক থেকে গ্রামের হাট বাজারগুলোতেও এই শীতের পিঠা বিক্রির মৌসুমী ব্যবসায় ভাগ্য বদলাচ্ছেন বিক্রেতারা। প্রতিদিন পিঠা বিক্রি থেকে তাদের আয় হয় ৩ হাজার থেকে ৬হাজার টাকা।

উপজেলা সদরের পিঠা বিক্রেতা রশিদ মিয়া জানান, পিঠা বিক্রেতারা প্রত্যেকেই নিম্ন আয়ের মানুষ, আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল। শীত মৌসুম এলেই তারা ¯^ল্পপুজি নিয়ে বাড়তি আয়ের আশায় সড়কের পাশে বসে পিঠা বানিয়ে বিক্রি করে থাকেন। পিঠা বিক্রির মাধ্যমে শীত মৌসুমের কয়েক মাস চলে তাদের জীবিকা নির্বাহ। প্রতি পিস চিতই পিঠা ৫টাকা আর ভাপা পিঠা বিক্রি হচ্ছে ১০টাকা করে।

শীতের রাতে গরম পিঠার সাথে পরিচিত হয়ে উঠেছেন উপজেলার সকল শ্রেণি ও পেশার বাসিন্দারও। চিতই পিঠা জনপ্রিয় একটি খাবার হওয়ায় অনেকে বাসা বাড়িতেও নিয়ে যাচ্ছেন পরিবারের অন্য সদস্যদের জন্য। বিশেষ করে রাতে ভাত খান না, বা ডায়াবেটিকে আক্রান্ত লোকজন এই পিঠা নিয়ে বাসায় নিজেদের পছন্দের সবজি দিয়ে খাবার মাধ্যমে রাতের খাবার হিসেবে গ্রহন করছেন।

ক্রেতারা বলেন, ‘বাসায় উপকরণ ও সরঞ্জাম জোগার করে পিঠা তৈরি করা এখন অনেক কষ্টকর। তাই বাজারের পিঠা তার পরিবারের সদস্যদের জন্য কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। খরচও খুব বেশি না। বাড়িতে বানাতে যে কষ্ট আর আর্থিক খরচ তার থেকে এটাই ভাল।

 

 

#চলনবিলের আলো / আপন

 

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।