শনিবার , ৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৪শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - শীতকাল || ১৯শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

সাপাহারে জন চলাচলের রাস্তা বন্ধ করায় ভোগান্তি

প্রকাশিত হয়েছে- শনিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২১
নওগাঁর সাপাহারে জন চলাচলের একটি রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ায় চরম ভোগান্তিতে রয়েছে স্থানীয়রা। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার মানিকুড়া ও জয়পুর মৌজাস্থ সীমানা রেখা মধ্য এলাকায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মানিকুড়া ও জয়পুর মৌজাস্থ সীমানা রেখার মধ্য দিয়ে একটি ৫ ফিট প্রস্থ আইলের পায়ে হাঁটার রাস্তা জন চলাচলের জন্য উম্মূক্ত ছিল। জয়পুর পালপাড়া ও মানিকুড়া মধ্যবর্তী বর্তমান পাকা রাস্তার পাশ দিয়ে নসিব সিলেমা হলের কাছে গিয়ে রাস্তাটি শেষ হয়েছে। রাস্তাটি পিছনে দিকটা এখনও ঠিক আগের মতো থাকলেও বর্তমানে সামনের অংশে প্রায় ৫০/৭০ ফিট দৈর্ঘ্যের মতো রাস্তা বেড়া দিয়ে ঘিরে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে। পায়ে হাঁটার জন চলাচল ও কৃষি কাজে ব্যবহারের জন্য স্থানীয় এক ব্যক্তি ৫ফিট প্রস্থ ও প্রায় ২৫০/৩০০ ফিট দৈর্ঘ্য রাস্তা হিসেবে উম্মূক্ত করে দেন। সম্প্রতি ওই রাস্তার সামনের অংশে ঘিরে রাখার ফলে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে কৃষক ও স্থানীয়দের। এক সময় ওই রাস্তা দিয়ে মানিকুড়া সৈয়দপুর সহ আসেপাশে কয়েকটি গ্রামের লোকজন পায়ে হেঁটে সাপাহার বাজার যাতায়েত করতেন। এছাড়াও ওই রাস্তা দিয়ে ফসলাদি চাষাবাদ করা ও ফসল ঘরে আনা নেওয়ার কাজে প্রায় কয়েক যুগ ধরে ব্যবহার হয়ে আসছিলো। বর্তমানে ওই এলাকায় বসতবাড়ির উপযুক্ত আবাসিক এলাকা গড়ে উঠতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যে কয়েকটি বসতবাড়ি নির্মাণ কাজও সমাপ্ত হয়েছে এবং মানুষ বসবাসও করছে। জানা যায়, সেখানে আরও ৩৫ টি’র মতো পরিবার এরইমধ্যে ওই এলাকায় বসতবাড়ি নির্মাণের জন্য প্রস্তুতি সহ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। কিন্তু সম্প্রতি রাস্তাটির সামনের দিকে প্রায় ৫০/৭০ ফিট দৈর্ঘ্য এর মত নিজেদের জায়গা দাবি করে ঘেরাও করে রেখেছে উপজেলার জয়পুর পালপাড়া গ্রামের বাসিন্দা গোবিন্দ পাল ও কুচন্দরী গ্রামের মৃত আব্দুল সাত্তারের ছেলে প্রভাষক মিজানুর রহমান মিজান। রাস্তাটি বন্ধ হওয়ার ফলে বসতবাড়ি নির্মাণ কাজে প্রতিবন্ধকতা সৃস্টি হচ্ছে। নির্মিত বসতবাড়ি লোকজন চলাচলে, চাষাবাদের কাজে ও ফসল তোলার কাজে ভোগান্তি সহ কৃষক ও জন সাধারণের চলাচলে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে বলে জানান স্থানীয়রা।
ভুক্তভোগী আলমগীর, মোসলেম উদ্দিন, আবুল কালাম আজাদ, আলম, দেলোয়ার হোসেন, গোলাম কিবরিয়া, আশরাফুল ইসলাম, জহুরুল ইসলাম, আমানুল কবির, শহিদুল ইসলাম, হুমায়ুন কবির, তারেক রহমান, এনামুল হক, তোজাম্মেল হক, লালন, খাতিজা, রফিকুল ইসলাম, তানজিলা, লোকমান হোসেন, লিটন, কাউসার, শরিফুল ইসলাম, আইনুল হক, জোসনা বিবি, খাদেমুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান, জামান, মোঃ বাবু,জাহাঙ্গীর, শাহাদাত হোসেন, রবিউল ইসলাম, আব্দুল আলীম আফরোজা বিবি ও রেহেনা পারভীন এ প্রতিবেদককে জানান, রাস্তাটি দীর্ঘদিন যাবৎ জন চলাচলের জন্য আইল রাস্তা হিসাবে ব্যবহার হয়ে আসছিলো। যার সুবাদে আমরা সেখানে জায়গা জমি ক্রয় করি এবং বসত বাড়ি নির্মাণের জন্য প্রস্তুতি সহ পরিকল্পনা গ্রহণ করি। ইতিমধ্যে কয়েকজন বাড়ি নির্মাণের কাজও শেষ করেছি এবং বসবাস শুরু করেছি। কয়েকজন নতুন করে নির্মাণ কাজ শুরু করেছি। কিন্ত বর্তমানে নিজেদের জায়গার সাথে সম্পৃক্ত থাকায় গোবিন্দ পাল ও মিজানুর রহমান উক্ত রাস্তাটির সামনের দিকে বেড়া দিয়ে ঘিরে রাখার কারণে আমরা আমাদের বসতবাড়িতে প্রবেশ করতে পারছিনা এবং নির্মাণের কাজও করতে পারছিনা। পূর্বের ন্যায় পুরো রাস্তাটি বহাল রয়েছে। শুধু মাত্র সামনের ৫০/৭০ ফিট দৈর্ঘ্য পাকা রাস্তা সংলগ্ন বেড়াটি উঠিয়ে দেয়া হয় তাহলে আমাদের ৩৫ টি পরিবার সহ আশেপাশের কৃষি ও কৃষকদের চরম দুর্দশা ও ভোগান্তির কবল হতে রক্ষা পাবো। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন তারা।
গোবিন্দ পালের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, ওখানে কোন খাস জায়গা নেই পুরোটা আমার নিজ সম্পত্তি। অপরদিকে (উপরের অংশ) প্রভাষক মিজানুর রহমানের জমি। প্রভাষক মিজানুর রহমান এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
এবিষয়ে শনিবার (০৪ ডিসেম্বর) বিকেল পৌঁনে ৩ টার দিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আব্দুল্ল্যাহ আল মামুনের সাথে মুঠো ফোনে কথা হলে তিনি জানান, স্থানীয়দের আবেদন পেলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।