শনিবার , ৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৪শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - শীতকাল || ১৯শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

নাগরপুরে লেপ-তোষকের দোকানে ব্যস্ত সময় কাটছে কারিগরদের

প্রকাশিত হয়েছে- শুক্রবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২১
গত কয়েকদিন ধরে আবহাওয়ার ব্যাপক পরিবর্তন দেখা দিয়েছে। কুয়াশাচ্ছন্ন থাকছে চারপাশ। জেকে বসেছে শীত। শীতের কারণে সুই-সুতা, তুলা আর লাল কাপড় নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন টাঙ্গাইলের নাগরপুরের লেপ-তোষকের কারিগররা। প্রাকৃতিক রীতি অনুযায়ী কার্তিকে শীত শুরু হলেও শীতকাল হিসেবে বিবেচিত হয় পৌষ ও মাঘ মাস। গ্রামের মানুষ শীত নিবারণে ভিড় করছেন উপজেলার লেপ-তোষকের দোকানে। ফলে লেপ-তোষক তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কারিগররা। প্রায় সব দোকানেই ভিড় করতে দেখা গেছে ক্রেতাদের। এদের কেউ সম্পূর্ণ নতুন আবার কেউ পুরাতন লেপ তোষক দিয়ে ফের নতুন করে বানাতে এসেছেন শীত নিবারণের লেপ-তোষক। এ যেন মৌসুমী ভীড়, জমতে শুরু করছে বিভিন্ন দোকানে।
উপজেলার বাজারের কারিগর জহির মিয়া বলেন, প্রতিদিন কিছু না কিছু অর্ডার পাচ্ছি। আশা করছি সামনের দিনগুলোতে আরও অর্ডার পাবো। তবে তুলার দাম আগের তুলনায় অনেক বেশি। তুলার মান ও পরিমাণের ওপর নির্ভর করে লেপ-তোষক তৈরির খরচ।
তিনি আরও বলেন, এ বছর জিনিসপত্রের দাম বাড়ায় লেপ-তোষক তৈরিতে খরচ ২০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। আর একটি লেপ-তোষক বিক্রি করে লাভ হয় ৩০০-৫০০ টাকা। শীতের দুই থেকে তিনমাস আমাদের সিজিন। এই সময়ে লেপ তোষক বিক্রিও যেমন বাড়ে, তেমনি কারিগররা ব্যস্ত সময় পার করেন। তবে বর্তমানে চায়না কম্বল অল্প দামে পাওয়া গেলেও লেপ-তোষকের ব্যবসায় কোন প্রভাব পড়ছে না বলেও জানান তিনি।
উপজেলার বাবনা পাড়ার বৃদ্ধ শাহজাহান (৭৫) লেপ-তোষকের কারিগর প্রায় ৫০ বছর যাবৎ এ পেশায় নিয়োজিত। তিনি জানান, একটি লেপ বানাতে পাঁচ কেজি তোলা হলেই যথেষ্ট আর তোষক বানাতে লাগে ১৫ কেজি। তুলা ভেদে ৬০ টাকা কেজি বিক্রি করছি সেই তুলা এখন ৭০ থেকে ৮০ টাকা বিক্রি করতে হচ্ছে। তাই তুলাসহ অন্যান্য জিনিসপত্রের দাম বাড়ার কারণে লেপ-তোষকের দাম খানিকটা বেশি।
একজন কারিগর প্রতিদিন ৩-৬টি করে লেপ বানাতে পারে যাদের প্রতিদিন ৪০০-৭০০ টাকার মতো হাজিরা দিতে হয়। প্রতিটি লেপ আকার ভেদে এক হাজার থেকে দেড় হাজার টাকা, তোষক ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকা এবং জাজিম ৩ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত খুচরা বিক্রি করা যায়। প্রতিটিতে পারিশ্রমিক আসে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা। তবে গতবছরের তুলনায় এ বছর তৈরি লেপ-তোষকের দাম তুলনামূলক বেশী চাহিদা দেখা যাচ্ছে ক্রেতাদের।
লেপ-তোষকের ক্রেতা ডা. এম.এ মান্নান বলেন, শীত চলে এসেছে। বিশেষ করে গ্রামের মানুষদের শীত নিবারণের জন্য লেপ-তোষকের দরকার হয়। গত বছরের তুলনায় এবার দাম বেশী চাচ্ছে। আগে যেটি বানিয়েছিলাম সেটি নষ্ট হয়ে গেছে। তাই নতুন করে তোষক বানানোর জন্য অর্ডার দিতে এসেছি। 

 

#চলনবিলের আলো / আপন

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।