রবিবার , ২৫শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১১ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - শীতকাল || ৬ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

আলাদা দুটি আবাদী মাঠের প্রায় ১ হাজার ৮ শত বিঘা জমি এখনো জলাবদ্ধতায় রয়েছে

প্রকাশিত হয়েছে- বুধবার, ১০ নভেম্বর, ২০২১

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় দুটি ইউনিয়নের আলাদা দুটি আবাদী মাঠের প্রায় ১৮’শ (১ হাজার ৮ শত) বিঘা জমি এখনো জলাবদ্ধতায় আছে। পানি নিষ্কাশন পথগুলো বন্ধ হওয়ায় এমন অবস্থা হয়েছে। সাম্প্রতিক ক# ৩৯ বছর ধরে এ দশা দেখা দিয়েছে ।
সঠিক সময়ে ফসলের আবাদের বাধা হয়েছে জলাবদ্ধতা। চতরার বিল বলে পরিচিত আবাদী মাঠের জমি এখন এক ফসলী জমি হয়েছে। উপজেলার বড়হর ইউনিয়নের বড়হর দ¶িণপাড়া ও খামারপাড়া গ্রামের পুরো চতরার বিলের প্রায় ছয়শো বিঘা জমিতে বছর তিনেক আগেও বছরে তিনটি ফসলের আবাদ হতো বলে জানা গেছে । এখানকার জমিতে বোরো ( ইরি) ধান , সরিষা ও নানা সবজী ফসলের আবাদ হতো। বর্ষাকালে হওয়া বৃষ্টি ও বন্যার পানি বিভিন্ন পথ হয়ে সহজে বের হয়ে যেতো। এলাকার কৃষকেরা আরো জানান গত ক#৩৯;বছরে পানি বের হওয়ার সে সব পথগুলোয় বসতবাড়ি এবং বিভিন্ন কাজে মাটি ভরাট করে উচু করা হয়েছে। এ কারণে আবাদী মাঠটি থেকে সহজে পানি বের হতে না পারায় শুকনো মৌসুমেও জলাবদ্ধ অবস্থায় থাকছে। গত এক বছর ধরে জলাবদ্ধতা আরো বেশী সময় ধরে থাকছে বলে জানা গেছে। এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য কৃষক আকবর আলীসহ আরো ক্#৩৯;জন কৃষক জানান গত বছর বোরো ধান আবাদে পানির মধ্যেই চারা লাগানো হয়েছিলো। বৃষ্টি হলেই তা ডুবে যেতো। অন্য ফসলের আবাদ করা যায়নি। বোরো ধান আবাদও সুষ্ঠভাবে করা যায়নি। এবারেও সমস্যা আরো বেশী হয়ে দেখা দিয়েছে বলে জানান । অপর দিকে উপজেলার কয়ড়া ইউনিয়নের ভাগলপুর মৌজার পাশাপাশি অবস্থানের মানতলা বিল ও ভেদা গাড়ী বিলের বলে পরিচিত আবাদী মাঠের প্রায় বারোশ ( ১ হাজার ২শ ) বিঘা আবাদী জমি জলাবদ্ধতার শিকার হয়েছে। সহজ ও সুষ্ঠ ভাবে পানি বের হতে না পারায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। ভাগলপুর গ্রামের কৃষক মোকবুল হোসেনসহ আরো ক্#৩৯;জন জানান জলাবদ্ধতার কারণে বোরো ধান ফসলের আবাদ তাদেরকে দেরীতে করতে হচ্ছে । আবার নীচু অনেক জমিতে সে ধানের আবাদ করা যায়না। বিএডিসি উল্লাপাড়া জোনের সহকারী প্রকৌশলী জাহিদ হাসান বলেন গত ৬ নভেম্বর বড়হর ইউনিয়নের চতরার বিলের হাল অবস্থা জলাবদ্ধতার শিকার জমিগুলো বিএডিসি সিরাজগঞ্জের সেচ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদ আলম সরেজমিনে দেখেছেন। এলাকার কৃষকদের নিয়ে মতবিনিময় করা হয়েছে । তিনি সাথে ছিলেন। চতরার বিলের জলাবদ্ধতার অবসানে পানি নিষ্কাশনে ভু গর্ভস্থ ড্রেন নির্মাণের বিষয়ে তার বিভাগ থেকে ভাবা হচ্ছে । এছাড়া কয়ড়া ইউনিয়নের মাঠ দুটি সরেজমিনে দেখে পানি নিষ্কাশনে স্থায়ী ব্যবস্থায় ড্রেন নির্মাণ ও খাল খননে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।

 

 

#চলনবিলের আলো / আপন

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।