শুক্রবার , ৬ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৩শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - শীতকাল || ১৮ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

আগৈলঝাড়ার পাচারের সময় জব্দকৃত সার নিলামে তদন্ত কমিটি গঠন

প্রকাশিত হয়েছে- বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২১

এক উপজেলা থেকে অন্য উপজেলায় পাচারকালে জব্দকৃত ৫০ বস্তা ইউরিয়া সার নিলামে বিক্রি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে উপজেলা সার-বীজ মনিটরিং কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিপিন চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, বুধবার দুপুরে সার-বীজ মনিটরিং কমিটির সদস্যেদের উপস্থিতিতে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নিলামের মাধ্যমে সর্বোচ্চ দরদাতার কাছে ৩০ হাজার চারশ’ টাকা মূল্যে জব্দ করা সার বিক্রি করা হয়।
নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্রে জানা গেছে, জব্দ করা সার নিলামে বিক্রি করা হলেও পাচারের সাথে জড়িত সার ডিলার আব্দুল জলিলের বিরুদ্ধে রহস্যজনক কারনে কোন ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়নি। ফলে সাধারণ জনগনের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অপরদিকে সার পাচারের ঘটনায় আগৈলঝাড়া উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এদিকে সার পাচারের ঘটনায় একাডেমীক সুপার ভাইজারকে আহŸায়ক ও খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা ও সমবায় কর্মকর্তাকে সদস্য করে তিন সদস্যর তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন আগৈলঝাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আবুল হাশেম। তিন কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত কমিটিকে তাদের প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন ইউএনও আবুল হাশেম।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে আগৈলঝাড়া উপজেলার বাশাইল বাজারের সারের ডিলার আবদুল জলিল হাওলাদারের পুত্র ফজলুল হক হাওলাদার নছিমনযোগে সরকারের ভর্তুকি দেওয়া ৫০ বস্তা ইউরিয়া সার গৌরনদী উপজেলার টরকী বন্দরে পাচার করছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গৌরনদী উপজেলার পশ্চিম বার্থী এলাকা থেকে থানা পুলিশের উপস্থিতিতে পাচার করা সার জব্দ করেন উপজেলা প্রশাসন।
সূত্রে আরও জানা গেছে, সরকারের সুনাম ক্ষুন্ন করার জন্য ভর্তুকির সার পাচারের ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পরে। এ ঘটনায় সারের ডিলার মামলা থেকে রেহাই পেতে এবং তার লাইসেন্স রক্ষার জন্য অর্থের মিশন নিয়ে নানা তৎপরতা শুরু করেন।
আগৈলঝাড়া উপজেলার বাশাইল এলাকার অসংখ্য প্রান্তিক কৃষকরা অভিযোগ করে বলেন, ডিলার আবদুল জলিল কখনই তাদের চাহিদা মতো সার দেয়নি। এ ছাড়া প্রায় সময়ই সারের ডিলারের দোকান বন্ধ থাকায় তারা সরকারের ভর্তুকি দেওয়া সার নায্যমূল্যে ক্রয় করতে পারেননি। ফলে চড়ামূল্যে তাদের বাহির থেকে সার ক্রয় করতে হচ্ছে। কৃষকের ভাগ্য বঞ্ছিত করে সার পাচারের ঘটনায় তারা (কৃষক) ডিলার জলিল ও তার ছেলের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি করেন।

 

 

#চলনবিলের আলো / আপন

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।