শুক্রবার , ৬ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৩শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - শীতকাল || ১৮ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

জামালপুরে মেলান্দহের ঝিনাই নদীতে বালু উত্তোলন। হুমকির মুখে বিভিন্ন স্থাপনা ও ফসলীজমী

প্রকাশিত হয়েছে- রবিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২১

জামালপুরের মেলান্দহ ঝিনাই ব্রীজ এলাকায় অবৈধ বালু উত্তোলনের কারনে হুমকীর মুখে জামালপুর দেওয়ানগঞ্জ সড়কের ব্রীজ ও বাংলাদেশ রেলওয়ের ব্রীজ, সেই সাথে মারাত্নক হুমকির মুখে পরেছে কৃষকের আবাদি ফসলের মাঠ ও প্রতিষ্ঠান।

মেলান্দহ উপজেলার পূর্ব ঝিনাই ব্রীজ এলাকায় দীর্ঘ দিন যাবৎ একটি সংর্ঘ বদ্ধ চক্র অবৈধ ভাবে ড্রেইজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করে আসছে। এতে করে অসহায় কৃষকদের আবাদি জমি বিলীন হওয়ার অভিযোগ উঠেছে ।

কৃষকরা জনান, চলমান করোনা প্রাদুর্ভাবের সময় অনেক দূর সময় অতিক্রম করতে হয়েছে।এখন জমিতে যখন ফসল ফলানোর কাজ হচ্ছে ঠিক সে সময় ভুমি ধসের চরম আতঙ্কে দিন পাড় করতে হচ্ছে।এছাড়াও হুমকীর মুখে পড়েছে দুটি ব্রীজ।

অসহায় কৃষকরা স্থানীয় ও সরকারী বিভিন্ন অফিসে অভিযোগ করেও এখনো পর্যন্ত কোন সমাধান পায়নি।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, দীর্ঘ দিন যাবত মোতালেব শেখ ও নুর ইসলাম উরফে গায়ে শেখ গংরা অবৈধ ভাবে ঝিনাই নদী থেকে ড্রেইজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করে আসছে। এতে করে অনেক অসহায় কৃষকদের শেষ সম্বল টুকুও বিলীন হয়ে যাওয়ার পথে।

এদিকে সাধারন মানুষেরা মনে করছেন অবৈধ ভাবে নদী থেকে বালু উত্তোলনের ফলে এক দিকে যেমন নদীর প্রবাহ পরিবর্তন হবে অন্য দিকে ফসলি জমি,বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, স্থাপনার চরম ক্ষতির সম্মুখে পরতে হবে।অতএব কোন কিছু ঘটে যাওয়ার আগে আইনগত ভাবে সমস্যা সমাধান করা উচিত।

কৃষক বাচ্চু শেখ বলেন, আমার শেষ সম্বল সামান্য একটু জমি সেটির পাশেই এই ড্রেজার মেশিন বসিয়েছে মোতালেব শেখ ও নুর ইসলাম উরফে গায়ে শেখরা। ফলে আমার শেষ সম্বল আবাদী জমি টুকুও ভেংগে যাচ্ছে ঝিনাই নদীগর্ভে। এই জমিটি নদীতে চলে গেলে পরিবার নিয়ে না খেয়ে মারা যেতে হবে। আমি ঝিনাই নদী থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন করতে নিষেধ করলে মোতালেব শেখ ও নুর ইসলাম উরফে গায়ে শেখগংরা আমার উপর হামলা করে। আমি মারাত্বক ভাবে আহত হই। তাদের ভয়ে কেউ মুখ খুলতে পারে না। সরকারের কাছে আমার একটাই দাবী এখানে বালু উত্তোলন বন্ধ করা হউক। না হলে আমরা অসহায় কৃষকরা না খেয়ে মারা যাবো।

মেলান্দহ উপজেলার ভুমি কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম বলেন, আমরা আজকে জানতে পারলাম, মেলান্দহে ঝিনাই ব্রীজ এলাকায় অবৈধ ড্রেইজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে যদি সত্যি হয়ে থাকে তাহলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় বব্যস্থা গ্রহন করা হবে দ্রুত সময়ের মধ্যে।

 

 

#চলনবিলের আলো / আপন

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।