বৃহস্পতিবার , ৫ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২২শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - শীতকাল || ১৭ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

তালার মানিকহার দ্বিমুখি দাখিল মাদ্রাসার ছাত্রী বিয়ে,  শিক্ষক খায়রুল এর বিরুদ্ধে পদক্ষেপে হতে পারেন বরখাস্ত

প্রকাশিত হয়েছে- সোমবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২১
আলোচিত সাতক্ষীরার তালা উপজেলার ধানদিয়া ইউনিয়ন এর মানিকহার দ্বিমুখী দাখিল  মাদ্রাসা কম্পিউটার শিক্ষক খায়রুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে নাবালক ছাত্রী বিয়ের অভিযোগের সংবাদে তদন্ত পূর্বক ব্যাবস্হয় হতে পারে বরখাস্ত। গত ১৬/১০/২১ তারিখে স্হানীয় আঞ্চলিক পত্র পত্রিকা সহ বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টালে সংবাদ প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসেছে স্কুল কতৃপক্ষ।

তথ্য অনুসন্ধানে জানা জায় অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক খায়রুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে গত সেপ্টেম্বর মাসের ২০ তাং এর পর স্কুল কতৃপক্ষের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন তার ১ ম স্ত্রী তানিয়া সুলতানা। অভিযোগে মাদ্রাসার কম্পিউটার শিক্ষক খায়রুল ইসলাম তাকে না জানিয়ে মেয়ের বয়সী একই মাদ্রাসার  ১০ ম শ্রেনীর ছাত্রীর সাথে অবৈধ সম্পর্ক ও ছাত্রীকে বিয়ে করেছেন তার প্রতিকার পাওয়ার জন্য লিখিত অভিযোগ এর মাধ্যমে প্রতিকার চান। অভিযোগ পাওয়ার পর মাদ্রাসা কতৃপক্ষ তাদের শিক্ষক খায়রুল ইসলাম এর কাছে ছাত্রী বিয়ের কথা জানতে চাইলে খায়রুল বলেন আমি কোন বিয়ে করিনি বলে একাধিক শিক্ষকের কাছে মিথ্যা কথা বলতে তাকে কোন ক্রমেই তাকে বিয়ের কথা স্বীকার করানো যায় নি। তলে তলে অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক খায়রুল  ইসলাম ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য জোর চেষ্টা চালাই। ফলশ্রুতিতে   স্হানীয় ১ ধানদিয়া  ইউনিয়ন পরিষদ এর নব্য নির্বাচিত মেম্বর এস এম টুটুল এর নেতৃত্বে প্রায়  ৪০ জনের উপস্হিতিতে একটি গ্রাম্য শালিশী বৈঠকে খায়রুল ইসলাম মাদ্রাসার ছাত্রীকে বিয়ে করেছেন বলে স্বীকার করেন। সেখানে এক পর্যায়ে উগ্রপন্থী কথাবার্তার ফলে শালিশ বৈঠক ভেস্তে যাওয়ায় কোন সমাধান করা সম্ভাব হই নি। পরবর্তীতে সুচতুর খায়রুল ইসলাম তার ১ ম স্ত্রী তানিয়া সুলতানার সাথে যোগাযোগ করে তার নিজের কাছে নিয়ে আসে। তানিয়া সুলতানা তার স্বামীর কথায় বিশ্বাস করে বাপের বাড়ি হতে খায়রুল ইসলাম এর বাড়ি আসলেও বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে রাত্রি যাপন করে দিন কাটে তাদের। খায়রুল ইসলাম তার নিজের বাড়ি না তুলে অভিযোগ না ওঠালে বাড়ি যাওয়া যাবেনা,নানা সমস্যা আছে বলে ভুল বুঝিয়ে তানিয়ার নিকট হতে  ১০/১০/২১ তারিখের একটা শাড়ে চার লাইন লেখা আপোষ নামার একটা সাদা কাগজ মাদ্রাসা সুপার এর নিকট ধরিয়ে দেন চতুর খায়রুল ইসলাম। মাদ্রাসা কতৃপক্ষ মনে করেছিলের তাদের সমস্যা মিটে গেছে বলে মনে করেন। কিছুদিন পর খায়রুল ইসলাম তার স্ত্রী তানিয়া সুলতানা কে তার বাবার বাড়ির সামনে রেখে চলে যায়। পরে বিষটি বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশ হলে নড়েচড়ে বসেছেন মাদ্রাসা কতৃপক্ষ। মাদ্রাসা সুপার ফজলুল রহমান বলেন শিক্ষক খায়রুল এর এহেন কাজে আমরা লজ্জিত তবে তার বিরুদ্ধে কাল মিটিং এ কঠিন সিদ্ধান্ত নেব বলে আশা করছি।

 

#চলনবিলের আলো / আপন

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।