নীলফামারীর ডোমারে এভারগ্রীণ ৮৯/৯১ ব্যাচের প্রথম বর্ষপূর্তি উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও কেক কাটার আয়োজন করা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি কার্যালয়ে প্রথমে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর কেক কেটে অনুষ্ঠানের শুভ সুচনা করা হয়। পরে এক আলোচনা সভায় এভারগ্রীণের ডোমার উপজেলার বন্ধু শিক্ষক শরিফুল ইসলাম মানিকের সভাপতিত্বে প্রভাষক আবুল কালাম আজাদ, লুলু আল-মাকনুন, গোলাম মোর্শেদ, শিক্ষক আফছানা ইয়াছমিন আশা, জাহাঙ্গীর আলম, তহিদুল ইসলাম, সাবেক সার্জন আলমগীর হোসেন, বিশিস্ট
ব্যবসায়ী আজিজুল হক বিপু, তরিকুল ইসলাম শিমুল, দোলোয়ার হোসেন দেলু, শুনিল চন্দ্র, শ্যামল রায়, ইকবাল হোসেন মুকুল, মাহাবুব আলম পল্লব, সাংবাদিক আনিছুর রহমান মানিক প্রমূখ বক্তব্য রাখেন। আর্ত-মানবতার সেবায় নিয়োজিত একটি সেচ্ছাচ্ছাসেবী সংগঠন “
এভারগ্রীণ” এসএসসি ৮৯ ও এইচএসসি ৯১ ব্যাচের একটি গ্রুপ। ডোমার এভারগ্রীণের উদ্যোগে দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে কম্বল ও সোয়েটার বিতরণ, মাদ্রাসার এতিম শিশুদের মাঝে বইখাতা ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ। করোনা কালীন সময়ে হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে চাল, ডাল, তেল ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণসহ গ্রুপের অসচ্চল বন্ধুদের চিকিৎসা সেবা ও মানবিক সেবা করে এলাকায় ব্যপক সাড়া জাগিয়েছে। আগামীতে মানব সেবায় অগ্রণী ভুমিকা রাখার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে সকল বন্ধুদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান জানান গ্রুপের সদস্যগণ।
#
নীলফামারীতে “বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধকে জানো” কর্মসুচির শুভ উদ্বোধন
এস.কে হিমেল,নীলফামারীঃ
নীলফামারীতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে মুজিববর্ষ ব্যাপী “বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধকে
জানো” কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।
জেলা পরিষদ নীলফামারী আয়োজিত শনিবার (৯ অক্টেবর) দুপুরে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে উক্ত কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন ঘোষনা করেন জেলা প্রশাসক
হাফিজুর রহমান চৌধুরী। জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা জননেতা জয়নাল আবেদীনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসাবে নীলফামারী-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শামসুদ্দোহা আলম, নীলফামারী-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এনকে আলম চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোক্তারুজ্জামান, জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান নারী নেত্রী মেহেরুন আক্তার পলিন, ডোমার উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক
কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরননবী, ডোমার উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের আহবায়ক আল-আমিন রহমান প্রমূখ বক্তব্য রাখেন। আলোচনা
শেষে খেতাপ প্রাপ্ত বীর বিক্রম ও বীর প্রতিক ৮জন মুক্তিযোদ্ধাকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। এ সময় যুদ্ধ কালীন সময়ে সকল মুক্তিযোদ্ধা
কমান্ডারগণ ও জেলা পরিষদেও সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন। পরে জেলা শিল্পকলা একাডেমির প্রশিক্ষক ও সদস্য সচিব শাহিন আলমের নেত্রীত্বে স্থানীয়
শিল্পীদের অংশগ্রহনে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করা হয়।