ময়মনসিংহের নান্দাইলে উপজেলার ৭নং মুশুলী ইউনিয়নের মুশুলী স্কুল কলেজ ও বালিকা বিদ্যালয়ে যাতায়াতের শত বছরের পুরাতন ৮ফুট একটি রাস্তা পুনঃনিমার্ণকে কেন্দ্র করে একটি পক্ষ সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টির পায়তারা করে যাচ্ছে। সরজমিনে পরিদর্শন, জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ময়মনসিংহ স্থানীয় সরকার শাখার সহকারী পরিচালক হাসান আবদুল্লাহ আল মাহমুদ কর্তৃক প্রদত্ত সরজমিন তদন্ত রিপোর্ট থেকে জানাযায় মুশুলী উচ্চ বিদ্যালয় ও বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন কামালপুর সরাকার বাড়ি রোড হইতে বাবু রুপন কুমার রায় এর দুই দাগের মধ্য দিয়ে একটি রাস্তা দক্ষিণ দিকে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জালাল উদ্দিন (অবঃ শিক্ষক) ও মরহুম জীবন বাবু (প্রাক্তন ইউপি সদস্য) এর জায়গা দিয়ে দক্ষিনের এলজিইডি রাস্তা পর্যন্ত গিয়েছে।
উল্লেখ্য যে, ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ হাইওয়ে রোড হইতে মুশুলী কলেজের দক্ষিন পাশ দিয়ে একটি নতুন রাস্তা উল্লেখিত পুরাতন রাস্তার সাথে যুক্ত হয়েছে। পুরাতন রাস্তাটি শত বছরের পুরাতন। ইউপি সদস্য ওমর ফারুক এর সভাপতিত্বে কর্মসৃজন প্রকল্পের কাজে মাটি কেটে পুনরায় রাস্তাটি মেরামত/সংস্কার করা হয়েছে। স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা ও জনগণ চলাচলের জন্য রাস্তাটি অত্যন্ত আবশ্যক মর্মে তাদের বক্তব্যে উল্লেখ রয়েছে।
এবিষয়ে গত ১লা সেপ্টেম্বর মুশুলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সকল ইউপি সদস্য, সাংবাদিক ও গন্যমান্য ব্যক্তি বর্গের উপস্থিতিতে অভিযোগকারী রুপন কুমার রায়কে জনস্বার্থে এই সামান্য জায়গা নিয়ে জনগনকে হয়রানী না করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়। এরপরেও রুপন কুমার রায় প্রশাসনের বিভিন্ন স্থানে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অবসর প্রাপ্ত শিক্ষক মোঃ জালাল উদ্দিন সহ উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের বিবাদী করে ময়মনসিংহের যুগ্ম জেলা জজ ৩য় আদালতে একটি মামলা দায়ের করে বিবাদীদের অহেতুক হয়রানী করে যাচ্ছে। রুপন কুমার রায়ের জমি দিয়ে ৮ফুট প্রস্থ ও ৩শত ফুট লম্বা রাস্তাটি দিয়ে যাতায়াত করে থাকে। রাস্তাটি নতুন করে নির্মিত হয় নাই। সরকারীভাবে পুরাতন রাস্তাটি শুধুমাত্র সংস্কার করা হয়েছে।
বীরমুুক্তি যোদ্ধা মোঃ জালাল উদ্দিন মাস্টার জানান, তাকে সহ এলাকাবাসী ও প্রশাসনকে হয়রানী করার জন্য রুপন কুমার রায় সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টি করার জন্য অহেতুক মামলা মোকাদ্দমা সহ নানা অভিযোগ দিয়ে যাচ্ছে। তিনি বিষয়টির স্থায়ী সমাধান চান এবং তাকে যেন হয়রানী করা না হয় এর জন্য প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন। অপরদিকে রুপন কুমার রায় জানান, রাস্তার জায়গাটি তার নিজস্ব। জনগনের প্রয়োজন হলে পশ্চিম অংশ দিয়ে নতুন করে রাস্তা দেয়া হবে। স্থানীয় সর্বস্তরের জনগন ও নেতৃবৃন্দ বর্তমান শত বছরের রাস্তাটি বহাল রাখার পক্ষে মত পোষন করেছেন।
#চলনবিলের আলো / আপন