বুধবার , ৪ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২১শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - শীতকাল || ১৬ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

বিশ্বব্যাপি হোমিওপ্যাথরা ডা. পদবী লেখে, বাংলাদেশে ডা. পদবী বিষয়ে সরকার সুপ্রিম কোর্টে আপীল

প্রকাশিত হয়েছে- সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২১
সম্প্রতি বাংলাদেশ সরকারের সরকারি হোমিওপ্যাথি কর্তৃপক্ষকে অবগত বা প্রতিপক্ষ না করে হোমিওপ্যাথি বিরোধি ভারত ও বাংলাদেশ সরকারের অনুমোদনহীন ভুয়া “এমবিবিএস (এএম)” ডিগ্রিধারি (তা সরকার স্বীকৃত কোন হোমিওপ্যাথি কোর্স বা ডিগ্রি নয়) এদের অতিগোপনে হাইকোর্টে রীটে ক্ষতিগ্রস্ত সরকার (স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এর সরকারি হোমিওপ্যাথি বিষয়ক সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড) ও বাংলাদেশের হোমিওপ্যাথি এবং হোমিওপ্যাথদের ডা. পদবী। হাইকোর্ট রীটের রুল খারিজকৃত রায়ে আলোচনা ও পর্যলোচনায় বলেছে ভারত সহ কোথাও হোমিওপ্যাথরা ডা. পদবী ব্যবহার করেনা, বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন ২০১০ এর ২৯ ধারা অনুযায়ী ডা. পদবী ব্যবহার অবৈধ।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এর সরকারি হোমিওপ্যাথি বিষয়ক সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড এবং হোমিওপ্যাথরা বলছে, বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন ২০১০ আইন ও বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল হলো এলোপ্যাথ ও ডেন্টাল (দন্ত) বিষয়ক আইন এবং এলোপ্যাথ ও ডেন্টাল (দন্ত) বিষয়ক সরকারি কর্তৃপক্ষ। তা সরকারি হোমিওপ্যাথি বিষয়ক আইনও নয় ও সরকারি হোমিওপ্যাথি বিষয়ক নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ নয়।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এর সরকারি হোমিওপ্যাথি বিষয়ক সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড এবং হোমিওপ্যাথরা বলছে, ভারত (কেন্দ্রীয় সরকার, কর্ণাটক রাজ্য সরকার, আসাম রাজ্য সরকার, মহারাষ্ট্র রাজ্য সরকার, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার), পাকিস্তান, শ্রীলংকা, বাংলাদেশে আলাদা সরকারি হোমিওপ্যাথি আইন ও সরকার স্বীকৃত হোমিওপ্যাথি কোর্স এবং পাসকৃতরা সরকারি হোমিওপ্যাথি আইন অনুযায়ী হোমিওপ্যাথরা ডা, পদবী ব্যবহার করে আসছে। ১৯৬৫ খ্রিস্টাব্দ হতে বাংলাদেশে সরকার স্বীকৃত হোমিওপ্যাথি কোর্সে পাসকৃতদের কে আইনগতভাবে চিকিৎসক রেজিস্ট্রেশন সনদপত্র প্রদান করছে ও হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকগণ আইনগতভাবে ডা. পদবী ব্যবহার করে আসছে। বিশ্বব্যাপি প্রায় সোয়া দুইশত বছর যাবত হোমিওপ্যাথি লড়াই করে টিকে আছে হোমিওপ্যাথিতে রোগী আরোগ্যের বিশাল সফলতা দিয়ে, কারো দয়া বা করুনায় নয়। বিশ্বব্যাপি হোমিওপ্যাথরা আইন অনুযায়ী ডা. পদবী ব্যবহার করে আসছে। সম্ভবত হোমিওপ্যাথি বিরোধিদের অতিগোপনে হাইকোর্টে রীটে রীটকৃতরা আদালতকে বিভ্রান্ত করেছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এর সরকারি হোমিওপ্যাথি বিষয়ক সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড ইতিপূর্বে মিডিয়াকে বলেছিল সে রীটের বিষয়ে কিছু জানেনা, হাইকোর্টে রীটের বাদি রীট পিটিশনে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ডকে প্রতিপক্ষ করেনি বা আদালত বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ডকে অবগত করেনি বা বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ডের নিকট রুল ইস্যু করে মতামত বা আত্নপক্ষ সমর্থনের কোন সুযোগ দেয়নি। ফলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এর সরকারি হোমিওপ্যাথি বিষয়ক সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড বলেছিল একতরফা ভাবে হোমিওপ্যাথদের ডা. পদবী বিষয়ে রায়ে পর্যবেক্ষণ এসেছে। বাংলাদেশের হোমিওপ্যাথরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যার পরিপ্রেক্ষিতে যথাযথভাবে দেশ ও বিদেশের সরকারি হোমিওপ্যাথি আইন, ডকুমেন্টস/নথি যথাযথভাবে সংযুক্ত করে সুপ্রিম কোর্টে আপীল পিটিশনে উপস্থাপনে, আদালতকে যথাযথভাবে বুঝাতে পারলে হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ রায় সুপ্রিম কোর্টে আপীল বিভাগে সংশোধন ও পরিবর্তন আসবে বলে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এর সরকারি হোমিওপ্যাথি বিষয়ক সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড এবং বাংলাদেশ/বর্হিবিশ্বের হোমিওপ্যাথরা মনে করছে। হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ রায় পাবার পর ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিপক্ষ সুপ্রিম কোর্টে আপীল বিভাগে আপীল পিটিশন করার সুযোগ আছে। তারপর আবার আপীল বিভাগের আপীলের রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ করার সুযোগ আছে।
বাংলাদেশে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও জাতীয় সংসদে পাসকৃত সরকারি হোমিওপ্যাথি আইন অনুযায়ী সরকার স্বীকৃত ২টি কোর্স আছে এবং কোর্স গুলো হলো আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ডিএইচএমএস ও বিএইচএমএস হোমিওপ্যাথি কোর্স। হোমিওপ্যাথদের ডা. পদবী বিষয়ে হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ রায়ে ক্ষতিগ্রস্ত সরকারি হোমিওপ্যাথি কর্তৃপক্ষ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এর সরকারি হোমিওপ্যাথি বিষয়ক সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড সুপ্রিম কোর্টে আপীল করবে বলেছিল। যেহেতু ওয়েবসাইডে রায় বের হয়েছে ১৪ আগস্ট ২০২১। রায়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এর সরকারি হোমিওপ্যাথি বিষয়ক সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড ক্ষতিগ্রস্ত। রাষ্ট্রীয় বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড ক্ষতিগ্রস্ত হয় দেশি ও আন্তর্জাতিক মর্যাদা সহ দেশে সরকার স্বীকৃত প্রায় ৬৩ হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজের হোমিওপ্যাথি শিক্ষা ব্যবস্থা, শিক্ষার্থী ভর্তি, পরীক্ষা, হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা শিক্ষা কোর্সের সনদপত্র ও কোর্সে পাসকৃতদের ডা. পদবী হিসাবে চিকিৎসক রেজিষ্ট্রেশন সনদপত্র এবং নবায়ন সহ অন্যান্য খাত হতে সরকারি রাজস্ব আয়।
হাইকোর্টের যে কোন রায় ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীল বিভাগে আপীল করতে হয় ৯০ দিনের মধ্যে (সূত্র : অনুচ্ছেদ ১৫৬, তামাদি আইন ১৯০৮)। সূত্র জানিয়েছে সে হিসাবে ১ মাস অতিক্রম করার পর হাইকোর্টে পর্যবেক্ষণ রায়ে ক্ষতিগ্রস্ত ও আপীলে প্রতিপক্ষ হিসাবে সুপ্রিম কোর্টে আপীল বিভাগে আপীল পিটিশন জমা দিয়েছে সরকার (স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এর সরকারি হোমিওপ্যাথি বিষয়ক সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড)। সূত্র আরো জানিয়েছে মাননীয় প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে আপীল বিভাগ এর পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে আপীল পিটিশনটি শুনানি হবে।
বাংলাদেশের হোমিওপ্যাথরা চায় আপীল বিভাগ হতে হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ রায়টি বা পর্যবেক্ষণ রায়ে ক্ষতিগ্রস্ত হোমিওপ্যাথি ডা. পদবী অংশ বিশেষ প্রথমেই দ্রুত স্থগিত করার সংক্ষিপ্ত আদেশ জারি করার জন্য স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এর সরকারি হোমিওপ্যাথি বিষয়ক সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ডের আইনজীবী প্যানেলে একাধিক ব্যারিস্টারের মাধ্যমে আপীল বিভাগে আপীল বেঞ্চে জোড়ালোভাবে উপস্থাপন করে কাজ করা। তারপর দীর্ঘদিন আপীল বেঞ্চে শুনানি চললে চলুক। যথাযথ দেশ-বিদেশের সরকারি হোমিওপ্যাথি ডকুমেন্টসসহ আইনি লড়াই করে জয়ী হয়ে আসতে চায় দেশের হোমিওপ্যাথরা। হাইকোর্টের রায় স্থগিতের যদি সংক্ষিপ্ত আদেশ হয় তার সার্টিফায়েড কপি বোর্ড হতে মাঠ পর্যায়ে দ্রুত সরকার স্বীকৃত সকল ডিএইচএমএস ও বিএইচএমএস পাসকৃত হোমিওপ্যাথ ডাক্তারদেরকে প্রদান করা।
এছাড়া ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ তারিখ রোজ মঙ্গলবার
বাংলাদেশ ডিএইচএমএস (হোমিওপ্যাথি) চিকিৎসক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী অধিকার পরিষদ”, কেন্দ্রীয় কমিটি, বাংলাদেশ এর সভাপতি/প্রধান সমন্বয়ক ও চিকিৎসক, শিক্ষক, কেন্দ্রীয় হোমিওপ্যাথি নেতা, কেন্দ্রীয় শিক্ষক নেতা, কলামিস্ট ও প্রাক্তন সাংবাদিক ডা. মো. আব্দুস সালাম (শিপলু) এর আহবানে সমগ্র বাংলাদেশের সকল জেলা ও উপজেলা তথা তৃণমূল পর্যায়ে ডিএইচএমএস ও বিএইচএমএস হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক তাদের নিজ নিজ চেম্বার তালা বন্ধ করে, চিকিৎসা সেবার কর্মবিরতি দিয়ে সকাল ১০ টা হতে ১১ টা পর্যন্ত (১ ঘন্টা) চেম্বারে বাহিরে টেথিস্কোপসহ দাঁড়িয়ে/বসে প্রতিবাদ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে।
দাবী সমূহ : (১) হোমিওপ্যাথ ডাক্তার হিসাবে অধিকার রক্ষা, (২) আইনী হয়রানি লাঘব, (৩) উচ্চ শিক্ষা অর্জনের ব্যবস্থা, (৪) হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কাউন্সিল গঠন, (৫) পৃথক মন্ত্রণালয় গঠন, (৬) হোমিওপ্যাথদের সনদের সমমান নির্ধারণ, (৭) বিএমডিসির বিতর্কিত আইন/ধারা বাতিল ও আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ। (৮) জাতীয়ভাবে কেন্দ্রীয় হোমিওপ্যাথি গবেষণা ইন্সটিটিউট স্থাপন, (৯) যথাযথভাবে বাংলাদেশে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা আইন (প্রস্তাবিত) জাতীয় সংসদে পাস করা, (১০) অন্যান্য।
ডা. মো. আব্দুস সালাম (শিপলু) সহ বাংলাদেশের সকল হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকগণ চিকিৎসা সেবার কর্মবিরতি দিয়ে নিরব প্রতিবাদ ও অবস্থান কর্মসূচী পালন করেছে। যা দাবি ও অধিকার আদায়ে বাংলাদেশের হোমিওপ্যাথি ইতিহাস তথা দেশের স্বাধীনতার ৫০ বছরে প্রথম।
জনস্বার্থে ৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ বাংলাদেশের সকল হোমিওপ্যাথি ডাক্তারদের প্রতিবাদ ও অবস্থান কর্মসূচী পালন তথ্যসহ প্রকাশিত সংবাদ বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতির দপ্তর, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর, মন্ত্রী পরিষদ বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এর স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ সহ অন্যান্যকে যথাযথভাবে প্রেরণ করেছে।
বাংলাদেশে হাইকোর্টে হোমিওপ্যাথদের অজান্তে হোমিওপ্যাথি বিরোধিরা অতিগোপনে রীট করেছিল, হোমিওপ্যাথদের ডা. পদবী নিয়ে ১৪ আগস্ট ২০২১ তারিখে সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইডে প্রকাশিত পর্যবেক্ষণ রায়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এর সরকারি হোমিওপ্যাথি বিষয়ক সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড ও জাতি এবং হোমিওপ্যাথরা স্তম্ভিত। তখন বাংলাদেশ, ভারত (কেন্দ্রীয় সরকার, কর্ণাটক রাজ্য সরকার, আসাম রাজ্য সরকার, মহারাষ্ট্র রাজ্য সরকার, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার), পাকিস্তান, শ্রীলংকা যে সমস্ত অতিগুরুত্বপূর্ণ আইন, ডকুমেন্টস/নথি “বাংলাদেশ ডিএইচএমএস (হোমিওপ্যাথি) চিকিৎসক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী অধিকার পরিষদ”, কেন্দ্রীয় কমিটি, বাংলাদেশ এর সভাপতি/প্রধান সমন্বয়ক ও চিকিৎসক, শিক্ষক, কেন্দ্রীয় হোমিওপ্যাথি নেতা, কেন্দ্রীয় শিক্ষক নেতা, কলামিস্ট ও প্রাক্তন সাংবাদিক ডা. মো. আব্দুস সালাম (শিপলু) কর্তৃক ব্যক্তিগতভাবে একক চেষ্টায় সংগ্রহ করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এর রাষ্ট্রীয় হোমিওপ্যাথি বিষয়ক নিয়ন্ত্রণকারি সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ডকে প্রদান করেন ও তা জনস্বার্থে সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন সরকারি আইন ও ডকুমেন্টস/নথিসহ নিয়মিত কলাম লিখেন তা সামাজিক মাধ্যম ও অনলাইন মিডিয়াতে প্রচারে হোমিওপ্যাথরা মনোবল ফিরে পায় এবং জাতি উপকৃত হয়। জনমতের ফলে রাষ্ট্রীয় বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড ডা. পদবী বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টে আপীল করতে উদ্যোগি হয়।
বিশ্বব্যাপি হোমিওপ্যাথরা ডা. পদবী লেখে। সূত্র জানায় বাংলাদেশে হোমিওপ্যাথদের ডা. পদবী বিষয়ে আদালত ও আইনগত বিষয় জড়িত এজন্য আইনগতভাবে এগিয়ে যেতে এবং আইনি লড়াই করতে সরকার (স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এর সরকারি হোমিওপ্যাথি বিষয়ক সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড) সুপ্রিম কোর্টে আপীল বিভাগে আপীল করেছে। তবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এর সরকারি হোমিওপ্যাথি বিষয়ক সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড এখনও অফিসিয়ালভাবে বা আনুষ্ঠানিকভাবে সংবাদপত্র বা মিডিয়াকে আপীল পিটিশন করার বিষয়টি অবগত করেনি।

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।