মঙ্গলবার , ৩রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২০শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - শীতকাল || ১৫ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবসে আগৈলঝাড়ায় স্বামী শ্বাশুরীর অত্যাচারে এক সন্তানের জননীর আত্মহত্যা স্বামী ও শ্বাশুরীকে অভিযুক্ত করে গৃহবধুর মায়ের মামলা দায়ের

প্রকাশিত হয়েছে- শনিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২১

আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবসে বরিশালের আগৈলঝাড়ায় স্বামী ও শ্বাশুরীর অত্যাচার নির্যাতনে এক সন্তানের জননীর আত্মহত্যা। পুলিশ গৃহবধুর লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করেছে। মৃত্যুর পরেই বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে স্বামী। এ ঘটনায় অত্যাচার নির্যাতনে স্বামী ও শ্বাশুরীকে অভিযুক্ত করে গৃহবধুর মায়ের থানায় মামলা দায়ের।

শুক্রবারবার সন্ধ্যার পরে স্বামীর বাড়ি থেকে ওই গৃহবধুর লাশ উদ্ধার করেছেন পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মাজহারুল ইসলাম। এর আগে ওই দিন বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে গৃহবধুর রহস্যজনক মৃত্যু হয়।

ওসি (তদন্ত) মাজহারুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে তিনিসহ অফিসার ও ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। সেখানে গিয়ে ওই গৃহবধুর (মিতালী) লাশ উদ্ধার করেন তিনি। লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তর জন্য লাশ থানায় নিয়ে আসেন।

শুক্রবার রাতে গৃহবধুর মা ফুলমারা হালদার তার মেয়ে মিতালীকে মারধরর পরে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে স্বামী মিন্টু বৈদ্য ও তার মা পুস্প রানীকে অভিযুক্ত করে পেনার কোড ৩০৬ধারায় থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

শুক্রবার আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবসে উপজেলার আস্কর গ্রামের অমৃত হালদারের বিধবা স্ত্রী ও মিতালীর মা ফুলমালা হালদারের থানায় দায়ের করা মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে- উপজেলার থানেশ্বরকাঠি গ্রামের নির্মল বৈদ্যর ছেলে মিন্টু বৈদ্যর সাথে ১০বছর আগে গ্রামের মিতালীর বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে তাদের ছয় বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। মিতালীর নেশাখোর স্বামী মিন্টু কোন কাজ কর্ম না করে বরং নেশার টাকার জন্য স্ত্রীকে মারধর করে আসছিলো। এক পর্যায়ে বিভিন্ন এনজিও ও স্থানীয় মহাজনদের কাছ থেকে চড়া সুদে টাকা এনে তা পরিশোধ না করতে পেরে ভারত পালিয়ে যায় মিন্টু। সেখানে অবস্থানের সময় অন্য মেয়ের সাথে সম্পর্কে জড়িয়ে পরে মিন্টু। দশ মাস ভারতে থেকে সম্প্রতি বাড়ি ফেরে মিন্টু। মিন্টুর ঋণের টাকার কিস্তি দেয়ার জন্য মিতালীকে চাপ দেয়া ও মারধর করতো মিন্টু। ভারত থেকে বাড়িতে ফিরেও কোন কাজ কর্ম না করায় নেশাখোর ¯^ামী মিন্টুর নেশার টাকার যোগান, ঋণের কিস্তি টাকা পরিশোধে অনিহা প্রকাশ করা ও পরকীয়ায় বাধা দেয়ায় মিতালীকে মারধর করে আসছিলো মিন্টু। আর তাতে উস্কানী যোগান দিতেন মিতালীর শ্বাশুরী পুস্প রানী।

ঘটনার দিনও কিস্তির টাকা এনে দিতে বললে মিতালী তা অস্বীকার করায় স্বামী ও শ্বাশুরীর সাথে ঝগড়ার এক পর্যায়ে অশ্লীল ভাষার মিতালীকে হাীর হালাজ করায় তাদের প্ররোচনায় আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয় মিতালী।শনিবার সকালে মিতালীর লাশ বরিশাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

 

 

#চলনবিলের আলো / আপন

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।