মঙ্গলবার , ৩রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২০শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - শীতকাল || ১৫ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

নান্দাইলের আবাসন প্রকল্পের বাসিন্দারা নানান সমস্যায় জর্জরিত

প্রকাশিত হয়েছে- বৃহস্পতিবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার ভূমিহীন অস্বচ্ছল পরিবারের জন্য নির্মাণ করে দেওয়া আবাসন প্রকল্পের ৭০ টি বাড়ি এখন পলিথিনের ডেরা।

দেখে বুঝার জো নেই কিভাবে এখানে মানুষ বসবাস করে। নানামুখী সমস্যার জর্জরিত আবাসন প্রকল্পে বসবাস করা ৭০ টি পরিবারের প্রায় চারশত বাসিন্দা ।

প্রতিটি ঘরের উপরে কয়েক পরত করে দেওয়া হয়েছে পলিথিন।এই পলিথিন যাতে বাতাসে উড়িয়ে না নেয় সে জন্য উপরে দেওয়া হয়েছে বাঁশ,বাঁশের কঞ্চি, কাঠ,নারিকেলের ছাঁটাই, কলাগাছ সহ নানানরকম ভারী জিনিস।

নেই স্বাস্থ্য সম্মত পায়খানা, নিজেরাই ঝোঁপে ঝাড়ে পুরাতন কাপড় পলিথিন ছেঁড়া বস্তা পেঁচিয়ে মাটিতে গর্ত খুঁড়ে পায়খানা তৈরি করে নিয়েছে। এ যেন নিয়তির সাথে জীবন যুদ্ধ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০০৩ সালে উপজেলার শেরপুর ইউনিয়নের শেরপুর গ্রামে সরকারি ভূমিতে টিন শেড দুটি আলাদা আবাসন প্রকল্প নির্মাণ করে দেয় সরকার। সেখানে টাই হয় উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ৭০ টি ভূমিহীন অস্বচ্ছল পরিবারের।
শুরুতে তাদের পরিবারের সদস্য কম হলেও সময়ের ব্যবধানে এই ৭০ টি পরিবারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় চারশত।

সেখানকার বাসিন্দা আঃ সালাম জানান,২০০৩ সালে নিন্ম মানের টিন দিয়ে এই ঘর গুলো তৈরি করা। ১০ বছরের মতো কোন ঝামেলা ছাড়াই আমরা বসবাস করেছি। এরপর থেকেই ভাঙতে শুরু করে। দীর্ঘ সাত বছর ধরে আমরা পলিথিন দিয়ে বসবাস করছি।তাদের তৈরি করা টয়লেট গুলোর এখন অস্তিত্ব নেই। খুব কষ্টে নিজেদের মতো করে টয়লেট তৈরি করে নিয়েছি সেখানেই কোন মতে জরুরি কাজ সারতে হয়। এতে মশা মাছির কারণে রোগবালাই লেগেই থাকে।

ফরিদা আক্তার নামে একজন বলেন, সাতটি বছর ধরে আমরা পলিথিনের উপরে পলিথিন দিয়ে বসবাস করছি। এরপরও বৃষ্টি মানে না। ঘরে পানি পড়ে বিচানা ভিজে যায়।রাতের বেলা বৃষ্টি হলে তো ঘুম থেকে উঠে কাথা কাপড় মুড়িয়ে বসে থাকতে হয়।

সে আরও বলে, আমরা যখন এখানে এসেছিলাম তখন আমাদের পরিবারের সদস্য কম ছিল। এখন সবার পরিবারের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।
সেখানকার বাসিন্দারা তাদের জন্য আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্পন্ন বাড়ি নির্মাণ করে দেওয়ার দাবি জানান।

এবিষয়ে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন ভূইয়া মিল্টন জানান,এই বাড়ি গুলোতে এখন মানুষ বসবাস করার মতো কোন পরিবেশ নেই। বর্তমানে মানুষের গোয়াল ঘর এরছে উন্নত। আমি প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে একাধিকার অবহিত করেছি। তবে এটি পুননির্মাণে কোন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে আমার জানা নেই।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আঃ আলীম জানান,আবাসন প্রকল্প গুলো পুননির্মাণে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় বরাবর প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ আসলে কাজ শুরু হবে।

 

 

#চলনবিলের আলো / আপন

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।