মঙ্গলবার , ৩রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২০শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - শীতকাল || ১৫ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

ডা.আব্দুস সালাম শিপলুর আহবানে হোমিওপ্যাথি ডাক্তারদের দাবি আদায়ে অবস্থান কর্মসূচী পালন

প্রকাশিত হয়েছে- বুধবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১
৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ তারিখ রোজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ ডিএইচএমএস (হোমিওপ্যাথি) চিকিৎসক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী অধিকার পরিষদ”, কেন্দ্রীয় কমিটি, বাংলাদেশ এর সভাপতি/প্রধান সমন্বয়ক ও চিকিৎসক, শিক্ষক, কেন্দ্রীয় হোমিওপ্যাথি নেতা, কেন্দ্রীয় শিক্ষক নেতা, কলামিস্ট ও প্রাক্তন সাংবাদিক ডা. মো. আব্দুস সালাম (শিপলু) এর আহবানে সমগ্র বাংলাদেশের সকল জেলা ও উপজেলা তথা তৃণমূল পর্যায়ে ডিএইচএমএস ও বিএইচএমএস হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক তাদের নিজ নিজ চেম্বার তালা বন্ধ করে, চিকিৎসা সেবার কর্মবিরতি দিয়ে সকাল ১০ টা হতে ১১ টা পর্যন্ত (১ ঘন্টা) চেম্বারে বাহিরে টেথিস্কোপসহ দাঁড়িয়ে/বসে প্রতিবাদ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে। বাংলাদেশের সকল হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকগণ চিকিৎসা সেবার কর্মবিরতি দিয়ে নিরব প্রতিবাদ ও অবস্থান কর্মসূচী পালন যা দাবি ও অধিকার আদায়ে বাংলাদেশের হোমিওপ্যাথি ইতিহাস তথা দেশের স্বাধীনতার ৫০ বছরে প্রথম।
দাবী সমূহ : (১) হোমিওপ্যাথ ডাক্তার হিসাবে অধিকার রক্ষা, (২) আইনী হয়রানি লাঘব, (৩) উচ্চ শিক্ষা অর্জনের ব্যবস্থা, (৪) হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কাউন্সিল গঠন, (৫) পৃথক মন্ত্রণালয় গঠন, (৬) হোমিওপ্যাথদের সনদের সমমান নির্ধারণ, (৭) বিএমডিসির বিতর্কিত আইন/ধারা বাতিল ও আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ। (৮) জাতীয়ভাবে কেন্দ্রীয় হোমিওপ্যাথি গবেষণা ইন্সটিটিউট স্থাপন, (৯) যথাযথভাবে বাংলাদেশে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা আইন (প্রস্তাবিত) জাতীয় সংসদে পাস করা, (১০) অন্যান্য।
সব নিরবতা কিন্তু এক নয়, প্রতিবাদের ভাষায় নিরবতা বড় কঠিন থেকেও কঠিনতর হয়, হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকগণ দাবি নয় অধিকার চায়। হোমিওপ্যাথি অসহায় নয় ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক অসহায় নয়। চিকিৎসকদের প্রতিবাদের ভাষা বোঝার ক্ষমতা ও যোগ্যতা এবং লড়াই করার ক্ষমতা সকলের হয় না। হোমিওপ্যাথরা লড়াই করেই দাবি ও অধিকার আদায় করে। সেটা ভাংচুর, বিশৃঙ্খলা, রাস্তা অবরোধ, হরতালের মতো ধ্বংসাত্নক কর্মসূচী দিয়ে নয়। চিকিৎসকগণ মানব সেবক। চিকিৎসকদের দাবি ও অধিকার কর্মসূচি পালন আলাদা।
বিশ্বব্যাপি প্রায় সোয়া দুইশত বছর যাবত হোমিওপ্যাথি লড়াই করে টিকে আছে হোমিওপ্যাথিতে রোগী আরোগ্যের বিশাল সফলতা দিয়ে, কারো দয়া বা করুনায় নয়।
ফিরে দেখা :
১৯৭২ খ্রিস্টাব্দে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এর সরকারি হোমিওপ্যাথি সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক বোর্ড প্রতিষ্ঠা হয়। তার অধিনে দেশে প্রায় ৬৩টি সরকার স্বীকৃত বেসরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ রয়েছে। চালু হয় আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ডিএইচএমএস কোর্স। হোমিওপ্যাথিক কাউন্সিল না থাকায় বোর্ড জাতীয় সংসদে পাসকৃত সরকারি আইন অনুযায়ী চিকিৎসক রেজিস্ট্রশন সনদপত্র প্রদান করে আসছে। ২০১৩ খ্রিস্টাব্দ হতে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক বোর্ড নতুন প্রম্তাবিত বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা আইন (প্রস্তাবিত) বার বার সংশোধন করার নামে ফেলে রাখে, তা পূর্ণরায় মে ২০১৮ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক বোর্ড স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় হতে সংশোধনের জন্য এনে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা আইন (প্রস্তাবিত) আইনে ডিএইচএমএস (হোমিওপ্যাথি) কোর্সের অবমূল্যায়ন, কোর্সের সমমান না রাখা, ডিএইচএমএস পাসকৃতদের উচ্চশিক্ষার কোন সুযোগ না রাখা, বোর্ড/প্রস্তাবিত হোমিওপ্যাথিক কাউন্সিলে ডিএইচএমএস পাসকৃতদের নিয়োগের ব্যবস্থা না করে অবমূল্যায়ন সহ আরো অনেক আইনে ধারা/উপধারা অন্তর্ভুক্ত করে ডিএইচএমএসদের অবমূল্যায়ন ও অমর্যাদা করে পূর্ণরায় মে ২০১৮ খ্রিস্টাব্দে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে জমা প্রদান করে। বিষয়টি প্রায় হোমিওপ্যাথিক পেশাজীবী সংগঠন অবগত থাকলেও বিভিন্ন সুবিধাদিতা ও স্বার্থের কারণে নিরব ভূমিকা পালন করে। যা কখনও কাম্য নয়। তৎসময়ে হোমিওপ্যাথিক পেশাজীবী সংগঠন গুলোর নিরব ভূমিকার কারণে বাধ্য হয়ে স্বাধীনতার প্রায় ৫০ বছর যাবত শোষিত ও বঞ্চিত বাংলাদেশের ডিএইচএমএস (হোমিওপ্যাথি) দের পাশে সময়ের প্রয়োজনে এসে দাঁড়ান চিকিৎসক, শিক্ষক, কলামিস্ট, প্রাক্তন সাংবাদিক ডা. মো. আব্দুস সালাম (শিপলু), তার একক নেতৃত্বে ২০ মে ২০১৮ খ্রিস্টাব্দ হতে ৩০ মে ২০১৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সমগ্র বাংলাদেশ ব্যাপি তৃণমূলের ডিএইচএমএস (হোমিওপ্যাথি) ব্যাপক সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলে। আন্দোলন ও সময়ের প্রয়োজনে দাবি/অধিকার আদায়ে গঠন করেন তথা গড়ে উঠে বাংলাদেশ ডিএইচএমএস (হোমিওপ্যাথি) চিকিৎসক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী অধিকার পরিষদ”, কেন্দ্রীয় কমিটি, বাংলাদেশ (এ সংগঠনটি কয়েক দশক যাবত শোষিত/বঞ্চিত হোমিওপ্যাথি ডিএইচএমএস’ দের দাবি ও অধিকার আদায়ে গড়ে উঠেছে, এজন্য দাবি/অধিকার যেদিন পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন সরকারি কর্তৃপক্ষ করবে সেদিন হতে বিলুপ্তি ঘোষণা করার প্রত্যয় ঘোষণা করেন)। সমগ্র বাংলাদেশ ব্যাপি তৃণমূলের ডিএইচএমএস (হোমিওপ্যাথি) ব্যাপক সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলে যা বাংলাদেশের হোমিওপ্যাথি ইতিহাসে ডিএইচএমএস’দের দাবি/অধিকার আদায়ে সর্বোচ্চ ও অন্যতম সামাজিক আন্দোলন। এ সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে ডিএইচএমএস কৃতরা তাদের নিজেদের অধিকার আদায়ে ঐক্যবদ্ধ, সোচ্চার হয়, হোমিওপ্যাথি দাবি/অধিকার বিষয়ে নিজেদের সক্ষমতা প্রমাণ দেয়। তারপর বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক বোর্ড চেয়ারম্যান দ্রুত দৈনিক ইত্তেফাক (৩০/০৫/২০১৮) ও দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩১/০৫/২০১৮) এবং দৈনিক জনকন্ঠ (৩১/০৫/২০১৮) তারিখে বোর্ডের প্যাডে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত করে সকল দাবি দাওয়া মেনে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা আইন (প্রস্তাবিত) আইনে অন্তর্ভুক্ত করার ব্যবস্থাসহ সকল দাবি দাওয়া মেনে নেবার জোড়ালো আশ্বাস দিয়েছিলেন। তার পরিপ্রেক্ষিতে ও আশ্বাসে চিকিৎসক, শিক্ষক, কলামিস্ট, প্রাক্তন সাংবাদিক ডা. মো. আব্দুস সালাম (শিপলু) আন্দোলন কর্মসূচী স্থগিত করেছিলেন। 

 

#চলনবিলের আলো / আপন

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।