মঙ্গলবার , ৩রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২০শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - শীতকাল || ১৫ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

আগৈলঝাড়ায় রাস্তায় বাঁশের বেড়ায় অবরুদ্ধ পাঁচ পরিবারসহ গ্রামের লোকজন ইউএনও’র কাছে প্রতিকার চেয়েও সুফল পাচ্ছে না ভুক্তভোগীরা

প্রকাশিত হয়েছে- শুক্রবার, ২৭ আগস্ট, ২০২১

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় দীর্ঘ দিনের চলাচলের রাস্তায় বাঁশের বেড়া দিয়ে আটকে দেয়ার কারনে তিন মাস যাবত পাঁচটি পরিবারসহ এলাকার লোকজন অমানবিকভাবে বসবাসের ঘটনায় ইউএনওর কাছে লিখিত আবেদন করেও কোন সুফল পায়নি ভুক্তভোগীরা।
ইউএনও বরাবরে লিখিত অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বাকাল ইউনিয়নের উত্তর বড়মগরা গ্রামের শতীশ বাগচীর ছেলে সচীন বাগচী, সুনিল বাগচী ও সুধীর বাগচীর দীর্ঘ দিনের চলাচলের রাস্তায় গত দিন মাস আগে বাঁশের বেড়া দিয়ে আটকে দিয়েছে।
ওই বেড়ার কারণে একই বাড়ির আদিত্য বাগচীর ছেলে বাসুদেব বাগচীসহ ৫টি পরিবার ও এলাকার লোকজনের চলাচলের একমাত্র রাস্তা বন্ধ হওয়ায় দীর্ঘদিন যাবত অমানবিকভাবে বসবাস করে আসছে তারা। অবরুদ্ধ পরিবারগুরেঅ স্থানীয় ইউপি সদস্য ও গণ্যমান্যদের কাছে ধর্ণা দিয়ে কোন সুফল না পাওয়ায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আবুল হাশেম এর কাছে প্রতিকার চেয়ে আবেদন করেন।
অবরুদ্ধ পরিবারের সদস্য বাসুদেব বাগচী জানায়, তাদের বাড়িতে যাতায়াতের জন্য দীর্ঘ দিনের পুরোনো একমাত্র রাস্তাটি তিন মাস আগে থেকে বাঁশের বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দিয়েছে প্রতিপক্ষের লোকজন। ওই বেড়ার কারণে তাদের ৫টি পরিবারসগস্যসহ গ্রামের কোন লোকজন যাতায়াত করতে পারছে না, এমনকি কেউ অসুস্থ হলেও তাকে ডাক্তার দেখানো বা হাসপাতালে নিতে পারছে না। বিকল্প পথে অন্য বাড়ির জায়গা দিয়ে কোন রকমে ঝুঁকি নিয়ে আমাদের বের হতে হচ্ছে তাদের।
অভিযুক্ত সুনীল বাগচী বাঁশের বেড়া দিয়ে রাস্তা আটকানোর সত্যতা স্বীকার করে বলেন- তাদের সাথে জায়গা নিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ বিরোধ চলে আসছে। তারা বাড়ির মধ্য দিয়ে চলাচলের কারণে রাস্তা খারাপ হয়েছে, ওই রাস্তা ঠিক করে না দিলে তাদের চলাচলের জন্যও বাঁশের বেড়া খুলে দেয়া হবে না। চলাচলের জন্য রাস্তা দিলেও কোন ভ্যান চলাজল করতে দেয়া হবে না।
স্থানীয় ইউপি সদস্য অজিত কুমার শিকারী জানান, দুই পক্ষের জায়গা নিয়ে বিরোধের কারণে চলাচলের রাস্তায় বাঁশের বেড়া দিয়ে আটকে দেয়ার ঘটনায় কয়েক দফায় সমাধানের চেষ্টা করেও আমি ব্যর্থ হই। তাই ভুক্তভোগীদের ইউএনও বরাবর প্রতিকার চেয়ে অভিযোগ দেয়ার পরামর্শ দেই।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আবুল হাশেম সাংবাদিকদের বলেন, বাড়িতে যাতায়াতের জন্য রাস্তায় বাঁশের বেড়া দিয়ে অবরুদ্ধ করে রাখায় একটি পরিবারের পক্ষ থেকে আমার কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে। বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চলছে।

 

 

#চলনবিলের আলো / আপন

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।