মঙ্গলবার , ৩রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২০শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - শীতকাল || ১৫ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

নির্মাণের ত্রিশ বছরেও সংস্কার হয়নি দুই উপজেলার সেতু বন্ধনের ব্রীজ আগৈলঝাড়া ও উজিরপুর উপজেলার লোকজনের চলাচল বন্ধ

প্রকাশিত হয়েছে- বুধবার, ২৫ আগস্ট, ২০২১

বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার দক্ষিণ সীমান্ত ও উজিরপুর উপজেলার উত্তর সীমান্তে অবস্থিত দুই উপজেলার মানুষের সেতু বন্ধনের সেই স্ব-নির্ভর ব্রীজের বেহাল দশার কারণে দুই উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে গেছে।

ত্রিশ বছর আগে নির্মিত আয়রণ স্ট্রাকচারের স্লাব ব্রীজটি অন্তত ত্রিশ বছর আগে নির্মাণের পরে আর কোন সংস্কার না হওয়ায় দুই উপজেলার পাঁচ শতাধিক কৃষক পরিবার, ব্যবসায়ি ও শিক্ষার্থীসহ গণমানুষের যোগাযোগ বন্ধ হওয়ায় চরম দুর্ভোগে পরেছে আগৈলঝাড়ার সুন্দরগাঁও-থানেশ্বরকাঠি ও উজিরপুরের জল্লা ইউনিয়নসহ দুই উপজেলার লোকজন।

উপজেলার রত্নপুর ইউনিয়নের সুন্দারগাঁও, থানেশ্বরকাঠি গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সীমান্তবর্তী এলাকায় আগৈলঝাড়া সীমানার মধ্যে খালের উপর অন্তত ত্রিশ বছর আগে আয়রণ স্ট্রাকচার স্লাব ব্রীজ নির্মান করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ। যা স্ব-নির্ভর ব্রীজ হিসেবে এলাকায় পরিচিত। নির্মাণের পাঁচ ছয় বছর পরেই ব্রীজের স্লাব ভেঙ্গে যাওয়ায় পর্যায়ক্রমে এটি এখন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। যেকোনো মুহুর্তে ব্রীজটি ধ্বসে পরার আশংকা থাকলেও দু’একজন মরনপন যুদ্ধ করে ব্রীজের র‌্যালিং ধরে জীবন বাজী রেখে পারাপার হতে বাধ্য হচ্ছেন। ব্রীজটি ধ্বসে পরে যে কোন সময়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটেতে পারে বলে আশংকা করছেন এলাকাবাসী।

ঝুঁকিপূর্ণ বিধ্বস্ত এই সেতুটি বিকলাবস্থার কারনে চলাচলের একদম অযোগ্য হয়ে পড়েছে। সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েছে প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজসহ আশপাশের কয়েক গ্রামের শতশত কোমলমতি শিক্ষার্থী ও সাধারন লোকজন। বিকল্প কোনো যাতায়াত পথ না থাকায়, মরণফাঁদ জেনেও পার হচ্ছেন গ্রামবাসীসহ কোমলমতি শিশু-বৃদ্ধরা।

সরেজমিনে থানেশ্বরকাঠি গ্রামের আউয়াল হাওলাদার জানান, স্লাব ছাড়া ব্রীজে মানুষ উঠলে ডানে বামে কাত হয়ে দোল খায়। লোকজন চলাচলের একমাত্র এই ব্রীজটি পুঃণ নির্মান বা সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট এলজিইডি বিভাগের কোনো মাথা ব্যথা নেই। কয়েক বছর যাবৎ মূনে আসছি- ব্রীজটি মেরামত করা হবে, কিন্তু কবে হবে তা কেউই বলতে পারছে না।

দেখা গেছে, ব্রীজের গোড়ায় উত্তরাংশে আগৈলঝাড়া এলজিইডি বিভাগের পাকা সড়ক ও পসলী জমি, ব্রীজের দক্ষিণ সীমান্ত থেকে উজিরপুর উপজেলার জল্লা ইউনিয়ন অংশে কাঁচা রাস্তা ও ফসলী জমি। এর পাশেই রয়েছে জল্লা পুরান হাট। ব্রীজের স্লাব না থাকায় জল্লা হাট ও আগৈলঝাড়ার মোহনকাঠী স্কুল এ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী, দুই উপজেলার অন্তত পাঁচ শতাধিক কৃষক পরিবার বোরো মৌসুমে তাদের ফসলী জমির ধান আনা নেয়া করতে পারছেন না। তাদের চলাচলের একমাত্র ব্রীজটি চরম ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পরেছেন তারা। কখনো কখনো বাধ্য হয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ওই ভাঙ্গা ব্রীজের রেলিং ধরে ধরে পার হচ্ছেন লোকজন।

নয় বছর উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলীর দ্বায়িত্বে থাকা রাজ কুমার গাইন বলেন, ব্রীজটি তিনি দেখেন নি। সরেজমিনে দেখে গুরুত্বপূর্ণ হলে তা নির্মাণ বা সংস্কারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।

 

 

#চলনবিলের আলো / আপন

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।