মঙ্গলবার , ৩রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২০শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - শীতকাল || ১৫ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

বরিশাল নগরী এখন ময়লার ভাগাড়

প্রকাশিত হয়েছে- শনিবার, ২১ আগস্ট, ২০২১

সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে বুধবার রাতের সংঘর্ষের পর থেকে নগরীর ময়লা আবর্জনা অপসারণ বন্ধ করে দিয়েছেন বিসিসি’র পরিচ্ছন্নকর্মীরা। ফলে গত দুইদিনে পুরো নগরী এখন ময়লার ভাগাড়ে পরিনত হয়েছে।
নগরীর বাসিন্দারা জানান, সাধারণত রাতের মধ্যেই নগরীর সব ময়লা আবর্জনা পরিস্কার করেন সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নকর্মীরা। গত দুইদিন ধরে নগরীর প্রতিটি সড়কে স্তুপাকারে ময়লা-আবর্জনা পরে রয়েছে। সড়কের যেখানে সেখানে আবর্জনা অপসারণ বন্ধের বিষয়ে কথা বলেনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কেউ।
নগরীর নথ্ল্লুাবাদ এলাকার বাসিন্দা আমির হোসেন বলেন, গত দুইদিন ধরে রাস্তায় রাস্তায় ময়লা আবর্জনা ফেলা রয়েছে। আগে রাতের মধ্যেই সব পরিস্কার হয়ে যেতো। ইউএনও’র সাথে ঝামেলার পর সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নকর্মীরা আবর্জনা সরাচ্ছেন না।
সিএনজি চালক ফরিদ সরদার বলেন, কাশিপুর থেকে আমতলার মোড় পর্যন্ত ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের পাশেও ময়লা জমে রয়েছে। বিএম কলেজ রোড এলাকার বাসিন্দা সেলিম মিয়া বলেন, কলেজের সামনের প্রফেসর গলির মুখে গত দুইদিন থেকে ময়লা-আবর্জনার স্তুপ জমে রয়েছে। দুর্গন্ধে সড়ক দিয়ে হাটা চলা কষ্টকর হয়ে পরেছে। এমনকি বাসা-বাড়ি থেকেও ময়লা আবর্জনা সংগ্রহের কাজও বন্ধ রেখেছেন পরিচ্ছন্নকর্মীরা।
নগরীর ভাটিখানা এলাকার জয়নুল আবেদীন বলেন, প্রতিদিন পরিচ্ছন্নকর্মীরা বাসায় এসে ময়লা নিয়ে যেতো, গত দুইদিন থেকে তা বন্ধ। দুইদিন পর বাধ্য হয়ে রাস্তায় ময়লা ফেলেছি। রাস্তায় ময়লা ফেলতে এসে আরও খারাপ পরিস্থিতি দেখেছি।
বটতলা মসজিদ এলাকার বাসিন্দা শাহানাহ পারভীন রুবি বলেন, ভাড়া বাসার পাঁচ তলায় থাকি। কর্পোরেশনের লোকজন আগে বাসায় এসে ময়লা নিয়ে যেতো। কিন্তু এখন ময়লা না নেয়ায় ঝামেলায় পরেছি। শুনেছি ইউএনও এবং পুলিশের মামলায় কর্পোরেশনের কর্মকর্তাদের আসামি করায় পরিচ্ছন্নকর্মীরা কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন। এতে আমরা চরম ভোগান্তিতে পরেছি। রাস্তায় বের হলেও দুর্গন্ধে টেকা দায় হয়ে পরেছে।
টিকা কেন্দ্র থেকে চলে গেছেন স্বেচ্ছাসেবক \ এদিকে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এলাকার ২৪টি টিকা কেন্দ্র থেকে গত বৃহস্পতিবারই চলে গেছেন স্বেচ্ছাসেবকরা। এতে চরম ভোগান্তিতে পরেছেন টিকা গ্রহীতারা। এ বিষয়ে কথা বলতে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ ফারুক হোসেন ও প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা রবিউল ইসলামের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্ঠা করা হলেও তারা ফোন রিসিভ না করায় কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

 

#চলনবিলের আলো / আপন

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।