সোমবার , ২রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৯শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - শীতকাল || ১৪ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

নির্মাণাধীন ব্রীজের দুটি গার্ডার ভেঙে নদীতে

প্রকাশিত হয়েছে- রবিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২১

প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের অপেক্ষায় থাকা জেলার উজিরপুর উপজেলার সাতলা ইউনিয়নের চৌমোহনী এলাকার কঁচা নদীতে ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মানাধীন ব্রীজের দুইটি গার্ডার ভেঙে পরেছে নদীতে।
ব্রীজের মাঝ খানের ৪৫ মিটার দৈর্ঘ্যরে দুটি গার্ডার বিকট শব্দে ভেঙে নদীতে পরার ঘটনায় একজন শ্রমিক আহত হয়েছে। রবিবার দুপুরে তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে এলজিইডি বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শরীফ মোঃ জামাল উদ্দিন বলেন, এ ঘটনায় ইতোমধ্যে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের বিল আটকে দেয়া হয়েছে।
অভিযোগ উঠেছে, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ব্রীজ নির্মাণ কাজ বাস্তবায়নকারী কর্তৃপ¶কে না জানিয়ে গার্ডার স্থাপন করতে গিয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। প্রত্য¶দর্শী স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শনিবার (১৪ আগস্ট) দুপুরে বিকট শব্দে ব্রীজের দুটি গার্ডার ভেঙে নদীতে পরে যায়। এসময় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পরে। নির্মাণ কাজে নিন্মমানের সামগ্রী ব্যবহারের কারণেই এ দুর্ঘটনা ঘটছে বলেও স্থানীয়রা উল্লেখ করেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি কঁচা নদীর ওপর ৬ হাজার তিনশ’ মিটার চেইনেজে ৪০৫ মিটার পিসি গার্ডার ব্রীজ নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তুর স্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এলজিইডি বিভাগের তত্ত¡াবধায়নে ব্রীজ নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ণের কার্যাদেশ পায় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ওটিবিএল। চুক্তি অনুযায়ী চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসে নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু দুটি গার্ডার ভেঙে পরায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ব্রীজটি হস্তান্তর করতে পারছেন না।

ওটিবিএল কোম্পানির প্রজেক্ট ম্যানেজার সৈয়দ মনিরুল ইসলাম জানান, প্রতিটি পিলারের মাঝে ৪৫ মিটার করে পাঁচটি গার্ডার স্থাপন করা হয়েছিল। মাঝ বরাবর ক্রেনের মাধ্যমে একটি গার্ডার সরাতে গিয়ে যান্ত্রিকত্রুটির কারণে দুটি গার্ডার ভেঙে নদীতে পরে যায়। এটি দুর্ঘটনা ছাড়া আর কিছুই নয়।

এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী শরীফ মোঃ জামাল উদ্দিন বলেন, গার্ডার দুটি ভেঙে পরার পেছনে এলজিইডি কর্তৃপক্ষের কোন গাফেলতি নেই। এটার সম্পূর্ণ দায়ভার ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের। নিয়ম অনুযায়ী গার্ডার ঢালাই থেকে শুরু করে লিফটিং এন্ড সিফটিং করার সময় অবশ্যই বাস্তবায়ন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে। তাদের উপস্থিতিতেই গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো করতে হবে। কিন্তু ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান আমাদের কিছু না জানিয়েই ব্রীজ নির্মাণ কাজ শুরু করেছে। নির্মাণ কাজের দেখভালের দায়িত্বে থাকা উপ-সহকারী প্রকৌশলী (এসও) করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ায় সেখানে যাওয়া বা খোঁজ খবর রাখতে পারেননি।

 

 

 

#চলনবিলের আলো / আপন

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।