সোমবার , ২রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৯শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - শীতকাল || ১৪ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

রামগড় পৌরসভায় নেই তেমন সড়কবাতি,সন্ধ্যা হলেই ভুতুড়ে পরিবেশ

প্রকাশিত হয়েছে- শনিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২১

খাগড়াছড়ির রামগড় পৌরসভায় নেই পর্যাপ্ত সড়কবাতি।রাত হলেই অন্ধকারে নিমজ্জিত হয় পৌর শহর।স্থানীয় দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের আলোই শেষ ভরসা।পুরো পৌরসভার বেশির ভাগ সড়কে নেই বাতি।বিদ্যুৎ চলে গেলে ভুতুড়ে পরিবেশ সৃষ্টি হয়।এতে প্রতিনিয়ত রাতের বেলায় চলাচলে চরম দুর্ভোগের কবলে পড়তে হচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দাদের।

জানা যায়,২০০১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় রামগড় পৌরসভা।কাগজে কলমে দ্বিতীয় শ্রেণীর পৌরসভা এটি।প্রতিষ্ঠার ২০বছর ফেরিয়ে গেলেও পৌরসভায় নাগরিকদের সড়কবাতির চাহিদা পূরণে ব্যর্থ পৌর কতৃপক্ষ।পৌরসভার আয়তন ২১বর্গ কিলোমিটার হলেও ১৫-১৬কিলোমিটারের ও বেশি জায়গায় কোন সড়ক বাতি নেই।সরকারি কার্যালয় গুলোর সামনে সড়কবাতি দেখা গেলেও তার বেশির ভাগ নষ্ট ছিলো।

সরেজমিনে গতকাল শনিবার রাত ৭টা থেকে ৯টা পর্যন্ত পুরো পৌরসভা ঘুরে দেখা যায়, রামগড় পৌরসভা থেকে মূল বাজার পর্যন্ত কয়েকটি সড়কবাতি থাকলেও প্রয়োজনের তুলনায় যথেষ্ট অপ্রতুল সেগুলো।পৌর সদর ব্যতীত স্থানীয় বাজার গুলোতে নেই কোন সড়কবাতি।রামগড় পৌরসভা থেকে বর্তমান পৌর মেয়রের বাড়ি পর্যন্ত ৩কিলোমিটার এলাকায় একটি সড়কবাতিও নেই।পৌর মেয়রের বাড়ি থেকে ৫০০ গজ দূরে সোনাইপুল বাজার পর্যন্ত কয়েকটি সড়কবাতি থাকলেও সোনাইপুল বাজারের পর থেকে বাগানটিলা এবং বলিপাড়া  পর্যন্ত ৪কিলোমিটারে কোন সড়কবাতি নেই।রামগড় উপজেলা প্রশাসন কার্যালয়ের পর থেকে বল্টুরাম বাজার এবং জগন্নাথ পাড়া পর্যন্ত একটি সড়কবাতিও নেই । পৌরশহরের দারোগাপাড়া,মহামুনি,চৌধুরীপাড়া,আনন্দ পাড়া,সুকেন্দ্রপাড়া,পাইন্দাংপড়া,বাগানটিলা,তৈছালাপাড়া,ফেনীর কুল,নজিরটিলা এলাকায়  সড়কবাতির কোন সুবিধা পাচ্ছেনা পৌর নাগরিক রা।শহরের প্রধান সড়কগুলোর পাশে নির্মিত বৈদ্যুতিক খুঁটিতে সড়কবাতি দেখা গেলেও বেশির ভাগই জ্বলছেনা।

রামগড় পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড তৈছালাপাড়ার কাউন্সিলর মোহাম্মদ শামীম আজকের পত্রিকা কে জানান,তার এলাকায় বিজিবি ক্যাম্পের সামনে কয়েকটি সড়কবাতি রয়েছে।সেগুলো ব্যাতীত পুরো এলাকায় কোন সড়কবাতি নেই।মেয়রকে এবিষয়ে বারবার জানানো হয়। মেয়র শুধু প্রতিশ্রুতিই দিয়ে গেছেন বলে জানান তিনি।

রামগড় পৌরশহরের ব্যবসায়ী মোস্তাফিজুর রহমান মতি জানান,রামগড় বাজারেও যথেষ্ট সড়ক বাতি নেই।দোকানপাট এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের আলোতে চলাচল করতে হয়।বিদ্যুৎ চলে গেলে শহরে একপ্রকার ভুতুড়ে পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

রামগড় মধ্যবাজারের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রসাধনী সামগ্রী বিক্রেতা জানান,রামগড় বাজারে কয়েকটি সড়কবাতি থাকলেও বাজারের ভেতরের দিকে কোন সড়কবাতি নেই।আলো না থাকায় রাতের বেলায় প্রসাধনী সামগ্রী চুরি করে নিয়ে যায় অনেকে।

ফেনীরকুল  এলাকার বাসিন্দা জয়নাল মিয়া জানান,রামগড় পৌরসভার পর থেকে মেয়রের বাড়ি পর্যন্ত ৩ কিলোমিটার এলাকায় কোন সড়কবাতি নেই।অন্ধকারে  আতংক নিয়ে চলাফেরা করতে হয়।মোবাইলের আলো জ্বালিয়ে বাড়ি ফিরতে হয় বলে জানান তিনি।

রামগড় পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী সমর কান্তি মজুমদার আজকের পত্রিকা কে জানান,সড়ক বাতির জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।খুব দ্রুত সড়ক বাতি লাগিয়ে দেয়া হবে বলে জানান তিনি।

রামগড় পৌরসভার প্যানেল মেয়র মোহাম্মদ আহসান উল্ল্যাহ আজকের পত্রিকা কে জানান,সড়কবাতি না থাকায় মানুষের দুর্ভোগের কথা তিনি শুনেছেন।করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না থাকায় বরাদ্দ পেতে বিলম্ব হয়েছে।সড়কবাতি লাগিয়ে দেয়া হবে বলে জানান তিনি।

 

 

#চলনবিলের আলো / আপন

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।