রবিবার , ১লা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৮ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - শীতকাল || ১৩ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

মহাসড়কের পাশে ফেলা হচ্ছে পৌরসভার বর্জ্য,দুর্ভোগে জনগণ

প্রকাশিত হয়েছে- সোমবার, ২৬ জুলাই, ২০২১

খাগড়াছড়ির রামগড় পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ড মাস্টারপাড়া এলাকায় মহাসড়কের পাশেই ফেলানো হচ্ছে পৌরসভার বর্জ্য।এতে শিক্ষার্থী,প্রতিষ্ঠানে কর্মরত লোকজন,পথচারী, যানবাহনের যাত্রী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের দুর্ভোগ বেড়েছে।জনস্বাস্থ্য প্রকোশল অধিপ্তর ও একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পাশ ঘেঁষেই জমানো হচ্ছে এই বর্জ্যের স্তুুপ।কর্মস্থলে নাকে রুমাল পেঁচিয়ে কাজ করতে হয় জনস্বাস্থ্য প্রকোশলী অধিপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের।অপসারনের দাবী জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

জানা যায়,২০০১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় রামগড় পৌরসভা।কাগজে কলমে দ্বিতীয় শ্রেণীর পৌরসভা এটি।প্রতিষ্ঠার ২০বছর ফেরিয়ে গেলেও বর্জ্য ফেলার নির্দিষ্ট জায়গা নেই।১৭ বছর ধরে সড়কের পাশেই ফেলছে পৌরসভার এসব বর্জ্য।বৃষ্টি হলেই এসব আবর্জনা নোংরা পানির সাথে সড়কে গড়িয়ে পড়ছে।দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ হয়ে পড়ছে ভুক্তভোগীরা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,খাগড়াছড়ি-ফেনী মহাসড়কের পাশ ঘেঁষেই রামগড় পৌরসভার মাস্টার পাড়া এলাকায় ফেলা হচ্ছে পৌরসভার সমস্ত বর্জ্য।তার পাশেই রয়েছে বেশ কয়েকটি সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং মাধ্যমিক বিদ্যালয়।আবর্জনার স্তুুপ থেকে ২০০গজ দূরেই অবস্থিত উপজেলার একমাত্র কলেজ,কৃষি গবেষণা কেন্দ্র এবং সমাজ সেবা অফিস এবং কৃষি অফিস।যার ফলে এই ময়লার গন্ধ শুঁকেই দৈনন্দিক কাজ কর্ম করতে হয় ভুক্তভোগীদের।

রামগড় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিপ্তরের উপ সহকারি প্রকৌশলী দীপ শিখা চাকমা  আজকের পত্রিকাকে জানান,নাকে রুমাল চেঁপে ধরেও কর্মস্থলে কাজ করা যায়না।উপজেলা চেয়ারম্যান ও পৌরসভা  কতৃপক্ষের কাছে মৌখিক ভাবে বেশ কয়েকবার আবেদন করেও কোন কাজ হয়নি।এবার লিখিত আবেদন করবেন বলে জানান তিনি।

মাস্টারপাড়া এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা সুমন জানান,আবর্জনার দুর্গন্ধে পরিবার নিয়ে এই এলাকায় বসবাস করাটাই বড় দায়। বর্জ্য ফেলার স্থান থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার পর্যন্ত নাকে রুমাল চেপে চলতে হয় বলে জানান তিনি।

রামগড় সরকারি ডিগ্রী কলেজের উচ্চ মাধ্যমিকের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আব্দুর রহিম জানান,পৌরসভার কাজ হচ্ছে পরিবেশ সুন্দর রাখা।অথচ সড়কের পাশে ময়লা ফেলে তারাই পরিবেশ নষ্ট করছে।দুর্গন্ধে কলেজ যেতে কষ্ট হয়।

স্থানীয় সংবাদ কর্মী ও পরিবেশবিদ করিম শাহ জানান,মহাসড়কের পাশে পৌরসভার আবর্জনা ফেলা উচিত নয়।আবর্জনা ফেলার জন্য নির্দিষ্ট একটি খোলা স্থান নির্ধারন করা উচিত।এখানে কয়েকটি সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং বিদ্যালয় রয়েছে।পৌর কতৃপক্ষ যত্রতত্র ময়লা ফেলায় পরিবেশ দূষিত হচ্ছে।এবং শিশুরাও স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ছে।

রামগড় পৌর সভার প্যানেল মেয়র ও ৫নং ওয়ার্ডের স্থানীয় কাউন্সিলর আহসান উল্লাহ জানান,এবছর বর্জ্যের পরিমান বেশি হওয়ায় দুর্গন্ধের পরিমান বেড়ে গেছে।ভুক্তভোগীরা পৌর কতৃপক্ষ কে আরো আগে জানালে ব্যবস্থা নেয়া যেতো।সমস্যা সমাধানের জন্য জায়গা দেখা হচ্ছে।দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে বলে জানান তিনি।

খাগড়াছড়ি সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহি প্রকৌশলী  শাকিল মোহাম্মদ ফয়সাল জানান,মহাসড়কের পাশে বর্জ্য ফেলার নিয়ম নেই।বিষয়টি তিনি খতিয়ে দেখবেন।

 

 

#চলনবিলের আলো / আপন

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।