শনিবার , ২৪শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১০ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - শীতকাল || ৫ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

বঙ্গবন্ধুসেতু থেকে আরিচা পর্যন্ত  টেকশই দৃষ্টিনন্দন বাধ হলে  চৌহালীতে গড়ে উঠতে পারে আরেকটি যমুনা সৈকত

প্রকাশিত হয়েছে- শনিবার, ২৪ জুলাই, ২০২১
দেশের অন্যতম রাক্ষসি যমুনা নদীর পুর্ব পারে অবস্থানরত টাংগাইল,মানিকগন্জ ও সিরাজগন্জের মানুষের দাবি টেকশই বেরীবাধ ও দৃষ্টিনন্দন সড়ক চাই।  টেকশই দৃষ্টিনন্দন বাধ নির্মাণে চৌহালীতে গড়ে উঠতে পারে আরেকটি যমুনা সৈকত।
বঙ্গবন্ধু সেতু থেকে আরিচা পর্যন্ত মেঘা প্রজেক্টের মাধ্যমে বাধ নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। বন্যা ও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে ভাঙ্গন রোধে পরিবেশ ও পর্যটনবান্ধব প্রতিরক্ষা,চায়না এবং বেরীবাধ নির্মাণের বাউবোর উদ্যোগকে স্বাগত জানান নদীর পার ঘেষা মানুষ।
 যমুনা নদীর পার ঘেষা কয়েক জন জাতীয় সংসদ সদস্যর যৌথ উদ্যোগে যমুনা সেতু থেকে আরিচা পর্যন্ত প্রায়  ৮ ‘শত কোটি টাকার মেঘা প্রকল্প  ভাঙ্গন রোধে স্থায়ী বাধ বাস্তবায়নের অপেক্ষায়।
নদীর পার ঘেষা ভাঙ্গন কবলিত এলাকার ভুক্তভোগি মানুষ ত্রাণ ও সাহায্য চায় না তারা বাধ চায় ও যমুনা সৈকত দ্রুত বাস্তবায়ন দেখতে চায়।  বর্ষা মৌসুমসহ সারা বছরই যমুনায় ভাঙ্গন  দেখা যায়। যমুনাসেতু থেকে আরিচা পর্যন্ত নদী ভাঙ্গন রোধ কমিটি, পরিবেশবাদী ও শিশু কিশোর বই খাতা হাতে নিয়ে দৃশ্যমান, দৃষ্টিনন্দন বা চায়না বাধ  ও সড়ক পথ চায়। মেঘা প্রজেক্ট ফাইল  একনেকে পাস ও কাজ সরেজমিনের দিকে তাকিয়ে আছে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনী কোথায় আর কত বার বাড়ি ও স্কুল ভাঙ্গলে টেকশই বাধ হবে।যমুনার পুর্ব পারের টাংগাইল, মানিকগন্জ ও সিরাজগন্জের মানুষ ত্রাণ ও সাহায্য চায় না, তারা টেকশই বেরীবাধ,চায়নাবাধ ও দৃষ্টিনন্দন বাধ দেখতে চায়।
 যমুনা সৈকতকে ঘিরে প্রতিরক্ষা বা চায়না বাধ নির্মাণ করা হলে আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি হলে ঘুচবে  যুব সমাজের বেকারত্ব।
টাংগাইল, মানিকগন্জজে ও সিরাজগন্জ জেলার যমুনা নদীর পার ঘেষা মানুষের  বেচে থাকার আশ্রায় পাবে। হবে যমুনা সৈকত ও পর্যটন কেন্দ্র।
 যমুনাসেতু আরিচা পর্যন্ত দীর্ঘ ৬০ কিলোমিটার নদীর পার শাসন বাধ,বেরীবাধ, চায়নাবাধ ও সড়ক পথ স্থাপনে চৌহালী হতে পারে যমুনা সৈকত, পর্যটন বান্ধব শহর ও বিনোদন কেন্দ্র।
এপ্রকল্প বাস্তবায়নে যেমন  কর্মসংস্থান হবে,তেমনি ভাঙ্গন রোধ হবে ও যাতায়াতে বাচবে সময় কমবে ভোগান্তি।  বাংলার উন্নয়ন ধারা আরও গতিশিল করতে চৌহালীতে একাজের বড় প্রয়োজন বলে মনে করেন,কৃষক,শ্রমিক, চালক, ছাত্র,শিক্ষক,  মুক্তিযোদ্ধা ও বুদ্ধিজীবিরা। 

 

#চলনবিলের আলো / আপন

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।