রবিবার , ১লা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৮ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - শীতকাল || ১৩ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

নান্দাইলে গরু ও কবুতরে পলন করে স্বাবলম্বী ফরিদ মিয়া

প্রকাশিত হয়েছে- বৃহস্পতিবার, ১৫ জুলাই, ২০২১

কথায় আছে “পরিশ্রম সৌভাগ্যের প্রসুতি”। সৌভাগ্য আপনা-আপনি আসে না। দীর্ঘদিনের কঠোর পরিশ্রম ও ঘনিষ্ট সাধনার প্রেক্ষিতেই সৌভাগ্যের দেখা মেলে। অর্থাৎ নিজ মেধা, কৌশল ও কর্মশক্তির ইচ্ছার ফলেই ভাগ্য বদলায়। ঠিক তেমনি ময়মনসিংহের নান্দাইলে গরু পালন করে ফরিদ মিয়া নামে এক যুবক তার ভাগ্যকে বদলে দিয়েছে। জানাযায়, নান্দাইল পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের কাটলিপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল সোবহানের ছোট ছেলে ফরিদ মিয়া (২৪)। সে ২০১৩ সালে আলিম পাশ করে সৈনিক হওয়ার স্বপ্ন দেখছিল। কিন্তু সে সরকারের পুলিশ, বিজিবি ও সেনাবাহিনী নিয়োগের মাঠে অংশ গ্রহন করে ব্যর্থ হয়েছে। চাকুরির আশায় দিশেহারা হয়ে বেকার অবস্থায় নড়বড়ে চলছিল জীবন। ঠিক তখনি নান্দাইল উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসের ক্রেডিট সুপারভাইজার বর্তমান সহকারি যুব উন্নয়ন অফিসার রতন চন্দ্র দাসের সাথে দেখা মিলে। তার সহযোগীতায় ময়মনসিংহ জেলা যুব উন্নয়ন প্রশিক্ষণে অংশ গ্রহন করে। গবাদি পশু, হাসঁ-মুরগী পালন, মৎস্য চাষ ও গবাদি পশু-পাখির প্রাথমিক চিকিৎসা বিষয়ক প্রশিক্ষন প্রথম স্থান অর্জন করে। প্রশিক্ষন নিয়ে নিজ গ্রাম থেকেই গবাদি পশু-পাখির চিকিৎসা সেবা দেওয়া শুরু করে।

এক পর্যায়ে নিজ উপজেলা সহ পার্শ্ববতী উপজেলার বিভিন্ন গ্রামেও এই চিকিৎসা সেবা দিয়ে সুনাম অর্জনের পাশাপাশি অল্প টাকা জমিয়ে কোনমতে একটি গরু (বাছুর) ক্রয় করে এবং তা পালন শুরু করে। পরে সেই গরুটি বিক্রি করে তার সাকুল্য টাকা দিয়ে আরো দুইটি গরু ক্রয় করে পুনরায় পালন করতে থাকে। বর্তমানে তার বাড়িতে ১৫টি গরুর একটি মিনি খামার ব্যবস্থাপনা সৃষ্টি হয়েছে। যার নাম রেখেছে আল্লাহ ভরসা ক্যাটল ফার্ম। পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে এখন তার সুখী পরিবার। এছাড়াও সে গবাদী পশুর উন্নয়নে আরো প্রশিক্ষন গ্রহন করে। এ বিষয়ে ফরিদ মিয়া বলেন, আগামী ২০২৪ সালের মধ্যে ৫০টি গরুর মালিক সহ বড় ধরনের গবাদী পশুর ফার্ম তৈরী করার জন্য শুধু ভবিষ্যত পরিকল্পনাই নয় বাস্তবায়নের পথে হাটছি। তিনি বলেন, মেধা ও শ্রম কখনও বৃথা যেতে পারেনা। শুধু পরিকল্পনা ও সে অনুযায়ী বাস্তবায়নে অগ্রসর হওয়াই ভাগ্য বদলের মূল বিষয়। ফরিদ মিয়া আরো বলেন শখ করে এক জোড়া কবুতর কিনেছিলেন তার এক জোড় কবুতর হতে এখন ৫০ জোড়া কবুতর আছে। প্রতি মাসে অনেক বাচ্চা দেয়। যার নিজের পরিবারের মাংসের চাহিদা মিটানো সহ বিয়েতে, কারো মাংসের প্রয়োজন হলে আমার খামার হতে কিনে নিয়ে যায়। এছাড়া ফরিদ মিয়া দৈনিক স্বদেশ বিচিত্রা, সাপ্তাহিক চলন বিলের আলো পত্রিকার প্রতিনিধি হিসাবে কাজ করে। তার আশা বেকার সকল যুবকই মেধা, সততা ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে তাদের ভাগ্য বদল করুক।

 

#চলনবিলের আলো / আপন

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।