ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার ৪নং ডাঙ্গীপাড়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের পতনডোবা (বনবাড়ী) থেকে ফালডাঙ্গী গ্রাম পর্যন্ত প্রায় ২ কিলোমিটার রাস্তায় বর্ষাকালে বৃষ্টি হলে এক হাঁটু কাদা ও পানি জমে। তখন যানবাহন দূরের কথা, হেঁটে চলাচলও বিপজ্জনক হয়ে পড়ে। আশপাশের সব রাস্তা পাকা হলেও এ রাস্তাটি মেরামতের বরাদ্দ থাকলেও কোনো উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে না। নির্বাচন এলে রাজনৈতিক নেতারা রাস্তাটি পাকা করার প্রতিশ্রুতি দিলেও নির্বাচিত হওয়ার পরে পাকা করা তো দুরের কথা রাস্তাটির মেরামত করার কোনো উদ্যোগ নেয়া হয় না। এ রাস্তার দু প্রান্তে রয়েছে দস্তমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও পতনডোবা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। গ্রামটির ২থেকে ৩ কিলোমিটার দুরে রয়েছে আরো একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এছাড়াও রয়েছে রনহাট্রা চৌরঙ্গী উচ্চ বিদ্যালয়, চৌরঙ্গী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও শিহিপুর সাখাওয়াত দাখিল মাদ্রাসা নামের ৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। গ্রামের পূর্বে রয়েছে হরিপুর উপজেলার প্রধান মহাসড়ক। এ একটি রাস্তাই এ এলাকার ছাত্র-ছাত্রী ও গ্রামের মানুষের যাতায়াতের একমাত্র পথ। বর্ষাকালে শিক্ষার্থীদের কষ্টের সীমা থাকে না। গ্রামের ৩ কিলোমিটার দুরে একটি মাত্র চৌরঙ্গী নামক বাজার ও ৪কিলোমিটার দুরে উত্তরবঙ্গের ঐতিহাসিক যাদুরানী বাজার। এ গ্রামের লোকদের যাদুরানী বাজার ও চৌরঙ্গী বাজারে কিংবা জেলা বা উপজেলায় যেতে হলে এই রাস্তাটি পাড়ি দিতে হয়। এ রাস্তায় চলাচলের একটাই বাধা – একটু পানিতেই কাদামাটিতে এর বেহাল দশা। রাস্তাটি পাকা হলে আশে পাশের গ্রামসহ এলাকার কয়েক হাজার মানুষের কষ্ট দূর হবে।এলাকাবাসী প্রধানমন্ত্রীর কাছে আকুল আবেদন করে বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পরে দেশে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রয়েছে, দেশের সব জায়গাতেই উন্নয়নের ছোঁয়া লাগলেও আমাদের গ্রামকে স্পর্শ করেনি বর্তমান উন্নয়নের ধারা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এই গ্রামের ছাত্র-ছাত্রী ও গ্রামবাসীর কথা ভেবে রাস্তাটির উন্নয়নের লক্ষ্যে বিবেচনা করবেন।
#চলনবিলের আলো / আপন