শনিবার , ৩১শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৭ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - শীতকাল || ১২ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

প্রদীপের নীচে অন্ধকার রুহিয়ায় সংস্কারের অভাবে সামান্য বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে যায় একটি রাস্তা

প্রকাশিত হয়েছে- শনিবার, ১০ জুলাই, ২০২১
ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়ায় কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টির অভাবে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতে হাটু পানির নীচে তলিয়ে যাচ্ছে ঘনিবিষ্টপুর গুয়াপাড়া গ্রাম।এতে ৫ হাজার মানুষের দুর্ভোগ চরমে উঠেছে।
ঠাকুরগাঁও জেলার রুহিয়া  থানাধীন রুহিয়া ইউনিয়নের ঘনিবিষ্টপুর (গুয়াপাড়া)  গ্রামে অবস্থিত ফুলকলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।ওই গ্রামে বসবাস করেন  রেজাউল ইসলাম মাস্টার ও বীরমুক্তিযোদ্ধা ওমর আলী।তাদের বাড়ি হতে রুহিয়া চৌরাস্তায় ওঠার একমাত্র সড়কটিতে দীর্ঘদিনেও চোখ পড়েনি কর্তৃপক্ষের।এ কারণে দীর্ঘদিনের এই রাস্তাটি যেমন পাকাকরণ করা হয়নি,তেমনি রাস্তাটিতে মাটি ভরাটও করা হয়নি দীর্ঘদিনেও। এছাড়াও এখানে নতুন নতুন বাড়িঘর তৈরী হওয়ায় বন্ধ হয়ে গেছে পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা।এ কারণে বৃষ্টিপাত শুরু হলে ২/১দিনের বৃষ্টিতে বাড়ির উঠান ও রাস্তাঘাটে পানি জমে যায়।পানি বন্দি হয়ে পড়ে এখানকার সাধারণ মানুষ।এ অবস্থায়  ফুলকলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও  পার্শস্থ মসজিদে মুসল্লীরা যেতে পারছেন না।
রাস্তায় পানি ওঠায় মোটর সাইকেল বা বাই সাইকেল নিয়ে চলাচল কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে।কাঁদা পানিতে চলতে গিয়ে অনেকেই পা পিছলে পড়ে গিয়ে গন্তব্যে যাবার আগেই বাড়িতে ফিরে আসতে বাধ্য হন।
ওই গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা ওমর আলী বলেন,নির্বাচন এলে জনপ্রতিনিধিরা এখানকার সমস্যা সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেন।কিন্তু নির্বাচন শেষ হলেই সবাই ভুলে যান এখানকার মানুষের দুর্ভোগ।
স্কুল শিক্ষক রেজাউল ইসলাম জানান ,আমরা রুহিয়া চৌরাস্তা হতে কাছাকাছি থাকলেও বর্ষাকালে আমরা চরম কষ্টে থাকি।কাদাপানির কারণে না পাড়ি বাজারে বের হতে ।না পারি মসজিদে নামাজ পড়তে যেতে।আমাদের অবস্থা অনেকটা প্রদীপের নিচে অন্ধকারের মতো।
বর্ষার মৌসুমে এ রাস্তাটির করুণ অবস্থা দেখার যেন কেউ নেই।
ব্যবসায়ী মোবারক আলী জানান, একটু বৃষ্টি হলেই যানবাহন তো দুরের কথা মানুষের পায়ে হেঁটে চলতেও পোহাতে হয় নানান ভোগান্তি। তাই দ্রুত এই রাস্তাটি সংস্কারের  দাবি জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে  ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মনিরুল হক বাবু বলেন, এ রাস্তা দিয়ে প্রত্যহ কয়েক হাজার মানুষ যাতায়াত করে। আমার সময়ে ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে এখানে মাটি দিয়ে সংস্কার করা হয়। অতিরিক্ত জনবসতির কারণে বর্ষায় সামান্যি বৃষ্টিতে রাস্তাটি কর্দমাক্ত হয়ে যায়।তাই রাস্তাটি জরুরী ভিত্তিতে পাকা করা প্রয়োজন বলে আমি মনে করি।

 

#চলনবিলের আলো / আপন

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।