শনিবার , ৩১শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৭ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - শীতকাল || ১২ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

আগৈলঝাড়ায় মোবাইল কোর্টের গাড়ি দেখে খাল সাঁতরে পালালো যুবকেরা লকডাউন বাস্তবায়নে উদাসীন জনপ্রতিনিধিদের সাথে বাজার কমিটিও

প্রকাশিত হয়েছে- শুক্রবার, ৯ জুলাই, ২০২১

করোনা মোকাবেলায় সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউন চলাকালীন সময়ে ভারি বৃষ্টিসহ কোন কিছুতেই অযথা বাড়ির বাইরে বের হওয়া ঠেকানো যাচ্ছে না বরিশালের আগৈলঝাড়ার সাধারণ লোকজনকে। লকডাউনে দোকান খোলা ও বন্ধ করা নিয়ে চলছে চোর পুলিশ খেলা। মোবাইলকোর্টের গাড়ি দেখলেই দৌড়ে পালায় লোকজন, গাড়ি চলে গেলেই আবার ফিরে আসে রাস্তায় ও চায়ের দোকানে।

সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে প্রায় প্রতিদিনই ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করছে উপজেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার বিকেলে ভ্রাম্যমান আদালতের গাড়ি দেখেই খাল সাঁতরে পালায় চার যুবক। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার বাশাইল-মাগুরা সড়কের পৃথক দুটি স্থানে।
তবে কঠোর লকডাউনের নবম দিন শুক্রবার পর্যন্ত ‘কঠোর লকডাউন’ কার্যকরের জন্য আগৈলঝাড়ায় আসেনি র‌্যাব, বিজিবি বা সেনাবাহিনীর কোন সদস্য। সরকারী প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত নির্র্দ্দিষ্ট কিছু দোকান খোলা রাখার নির্দেশনা থাকলেও মফস্বলের চায়ের দোকানগুলো খোলা রাখছে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত।

ইউএনওর গাড়ি দেখলে দোকান বন্ধ করে পালালেও গাড়ি চলে যাবার পরেই চায়ের দোকানে ফিরে আসে ওই সকল লোকজন। সড়ক যোগাযোগ ভালর কারণে মোবাইল কোর্টের গাড়ি দ্রুত চলে আসার ভয়ে ব্যবসায়িদের মধ্যে কিছুটা ভয় কাজ করলেও গ্রামের হাটবাজারগুলোতে সকল দোকানপাট খোলা রাখা হচ্ছে আগের মতোই। ওই সকল হাটবাজারে যারা আসছেন তাদের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মানার নেই কোন বালাই। এমনকি সাপ্তাহিক হাট ও পানের হাট বসানো হচ্ছে আগের মতোই। স্থানীয় চেয়ারম্যান, মেম্বরসহ বাজার পরিচালনা কমিটির সদস্যরাও লক ডাউন বাস্তবায়নে রয়েছেন চরম উদাসীন। তারা দোকান বন্ধ বা লোকজনের অকারনে বাজারে আসা ও স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনের জন্য কোন ব্যবস্থাই নিচ্ছেন না।

অথচ করোনা দ্রুত সংক্রমনের দিক দিয়ে বরিশাল জেলার মধ্যে সংক্রমনের দিক দিয়ে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে আগৈলঝাড়া উপজেলাকে। পরীক্ষা বিবেচনায় ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ মানুষের শরীরে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া যাচ্ছে।
সুশীল সমাজের লোকজন বলছেন, একজন ম্যাজিষ্ট্রেটেরপক্ষে উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের সর্বত্র লকডাউনের বিধিনিষেধ বাস্তবায়ন করা অসম্ভব। জীবন বাঁচানোর জন্য প্রশাসনের সর্বত্মক কঠোন লকডাউন বাস্তবায়নের আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্যদের তৎপরতা বাড়ানোর দাবি করছেন সচেতন মহল।

 

 

#চলনবিলের আলো / আপন

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।