যশোরের অভয়নগর উপজেলার শংকরপাশা গ্রামের ইসলামপাড়া জামে মসজিদের দানকৃত জমি বিরোধে নিষ্পত্তি চেয়ে অভয়নগর থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন করেছেন মসজিদ কমিটি ৷
জানাগেছে, শংকরপাশা ইসলামপাড়া জামে মসজিদ স্থাপিত হয়েছে ১৯৬৫ ইং সালে ৷ প্রথমে মসজিদটি তৈরি হয়েছিলো গোলপাতা দিয়ে ৷ পর্যায়ক্রমে টিনসেট ও বর্তমানে ২য়তলা বিশিষ্ট ভবণ অবস্থিত ৷তৎকালীণ সময় মসজিদ নির্মানের জন্য দাতাগণ মোট ৫.৮৫ শতক জমি দান করেন ৷
প্রথম জমিদানদাতাঃ মোঃ মাহাবুব আলী ৩.০০(তিন শতক) ও দ্বিতীয় জমিদান দাতাগনেরা মোঃ রফিকুল ইসলাম, আলাউদ্দিন ,মাহফুজা খাতুন সর্বপিতা- আব্দুল কাদের সর্বসাং-শংকরপাশা ২.৮৫ শতক ,সর্বমোট ৫.৮৫ শতক ৷
মসজিদ কমিটির সাধারণ-সম্পাদক মোঃ জিয়াউর রহমান (জিয়া মোল্যা) এ প্রতিনিধিকে জানান,প্রথম জমিদান দাতাঃ মোঃ মাহাবুব আলী তৎকালীণ সময়ে কবলা দলিল বুনিয়াতে মসজিদের নামে রেজিষ্ট্রি করে হালরেকর্ড অন্তর্ভূক্ত করেন ৷ দ্বিতীয় জমিদান দাতা গণঃ রফিকুল ইসলাম, আলাউদ্দিন ও মাহফুজা খাতুন শংকরপাশা অভয়নগর , যশোর-খতিয়ান নং-৯৯৮ আরএসএ দাগনং-৩২১৩ তে ২.৮৫ শতক জমি ১৫০(এক’শ পঞ্চাশ) টাকার ষ্টাম্পে লিখিতভাবে মসজিদের নামে দান করেন৷ যাহা প্রমাণস্বরূপ এলাকার বিশিষ্ঠ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের স্বাক্ষী হিসেবে স্বাক্ষরিত করা আছে ৷ দ্বিতীয়দাতা গণকে মসজিদের নামে দানকৃৃৃত ২.৮৫ শতক জমি রেজিষ্ট্রি করার প্রস্তাব দিলে তা দিতে অস্বীকার করে এবং মসজিদের নির্মাণ কাজে বিভিন্ন ভাবে বাঁধা প্রদান করেন ৷ বিভিন্ন সময়ে মুসল্লীদের উপর অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন ৷ মসজিদ কমিটির সভাপতিঃ মোঃ আব্দুর জব্বার মোল্যা জানান, আমরা বিষয়টি নিষ্পত্তির লক্ষ্যে বর্তমান মসজিদ কমিটি ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে সালিশি বৈঠকে নিষ্পত্তির চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছি ৷ দ্বিতীয়ঃ দাতাগনদেরকে মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে লিখিত নোটিশ ও গণ স্বাক্ষরকৃৃৃৃত চিঠি দিয়েও তাদের কোন সাড়া পাওয়া যায়নি এমনকি জমির পরিবর্তে সমপরিমাণ জমি অথবা বর্তমান বাজার মূল্যের নগদ অর্থ প্রদানের প্রস্তাব করে ও কোন সূরাহ হয়নি ৷ তাই সুষ্ঠু সমাধান পাবার জন্য আমরা গ্রামবাসি ব্যর্থ হয়ে অভয়নগর থানায়সহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেছি ৷
#চলনবিলের আলো / আপন