বৈশ্বিক মহামারি করোনায় বহু পরিবারের উপার্জনের মানুষটি কর্মহীন হয়ে পড়েছে। ফলে জনজীবনে নেমে এসেছে অভাব-অনটন, দেখা দিচ্ছে খাদ্যের সংকট। এই পরিস্থিতিতে চরম বিপাকে পড়েছে আত্রাই উপজেলার ভোঁপাড়া ইউনিয়নের বলরামচক গ্রামের রতন দাসের পরিবার।
এক সময় রতন দাস এক মিষ্টির দোকানে কাজ করলেও লকডাউনের কারনে কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চরম কষ্টে জীবন যাপন করছে তার পরিবার।
কর্মহীন হয়ে পড়া রতন দাস কখনো বাড়ির পাশের লোকের সাহায্য কখনো আবার ধারদেনা করে খেয়ে না খেয়ে কয়েক দিন ধরেই দিন কাটাচ্ছেন। রতন দাসের স্ত্রী মিনতী রানী দাস পেশায় দর্জি হলেও হাত ভাঙার কারণে সে কোন কাজ করতে পারেনা।
মিনতী রানী দাস জানান, তাদের ঘরে এখনও কোন চাল-ডাল নেই, তারা অন্যের থেকে চাল-ডাল নিয়ে কয়েক দিন ধরে খেয়ে না খেয়ে দিন কাটাচ্ছেন।
বিষয়টি আত্রাই উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা মোঃ ইকতেখারুল ইসলাম জানার পর সঙ্গে সঙ্গে নিজেই সোমবার রাতে গিয়ে পরিবারের মাঝে খাদ্য বিতরণ করেন। এবং তার বাসায় দীর্ঘ তিন বছর ধরে বিদ্যুৎ নেই। এতদিন ধরে বাড়িতে কেন বিদ্যুৎ নেই সে বিষয়ে আত্রাই পল্লী বিদ্যুতের সহকারি জেনারেল ম্যানেজার (এজিএম) ফিরোজ জামানকে দেখার জন্য নির্দেশ দেন।
#চলনবিলের আলো / আপন