শনিবার , ৩১শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৭ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - শীতকাল || ১২ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

একের পর এক মৃত্যুর খবরে উদ্বিগ্ন ঝিনাইদহের মানুষ

প্রকাশিত হয়েছে- শনিবার, ৩ জুলাই, ২০২১

একের পর এক মৃত্যুর বিভিষিকাময় খবরে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে ঝিনাইদহের মানুষ। ঘরে ঘরে অসুস্থ মানুষের ভীড় বাড়ছে। গ্রাম শহর সর্বত্রই ভুগছে মৌসুমি ঠান্ডা কাশি ও জ্বর নিয়ে। সামান্যতেই মানুষ আতংকিত হয়ে ছুটছে চিকিৎসকের কাছে। ফলে সরকারী হাসপাতালের পাশাপাশি ভিড় বাড়ছে প্রাইভেট ক্লিনিকগুলোতে। করোনার লক্ষন নিয়ে অনেকের মৃত্যু হলেও তাদের কোভিড পরীক্ষার সুযোগ হচ্ছে না। ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে আইসিইউ শয্যা নেই। নেই পর্যাপ্ত হাই ফ্লো অক্সিজেন ব্যবস্থা। এমন কথা চিন্তা করে অনেকেই কোভিড রোগী নিয়ে আতংকে দিন পার করছেন। এদিকে ফেসবুক ও ম্যাসেঞ্জারসহ নানা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিদিন শুধুই মৃত্যুর সংবাদ ভেসে আসছে। কেও কোভিডে আবার কেও হৃদরোগে মারা যাচ্ছেন। কারো কারো মধ্যে থাকছে করোনার উপসর্গ। এমন প্রতিদিন স্বজন হারানোর বেদনায় অশ্রুসিক্ত হচ্ছে মানুষ।

নিকাট জনের কাছ থেকে ফোন পেয়ে অনেকেই আতংকিত হয়ে পড়ছেন। চারিদিক যেন এক অস্বস্তিকর পরিবেশ। তথ্য নিয়ে জানা গেছে, শৈলকুপার বাগুটিয়া গ্রামে দুই সপ্তাহ আগে একই দিন স্বামী স্ত্রীর মৃত্যু হয়। একই উপজেলার ফুলহরি কাজিপাড়া গ্রামে জিহাদ হোসেন নামে এক কিশোর গত ২১ জুন মৃত্যুর পর তার মা করোনা উপসর্গ নিয়ে ২৪ জুন মারা যান। ১১ দিনের ব্যবধানে তারা নানা সৈয়দ মাহবুব হোসেন শুক্রবার মারা গেছেন। জিহাদের পিতা সৈয়দ কোরবান আলী হিরন করোনার লক্ষন নিয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। গ্রাম শহরে অনেকর পরিবার ধরেই করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন মানুষ। অনেকে ভয়ে পরীক্ষা করাতে যাচ্ছেন না এমন খবরও পাওয়া যাচ্ছে। হরিণাকুন্ডুর পায়রাডাঙ্গা গ্রামের সোহরাব হোসেন মন্ডল জানান, আজ শনিবার সকালে গ্রামের এক নিকটাত্মীয়কে দাফন করা পর দুপুরে খবর আসে বৃদ্ধ নানা করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন। এখন সেখানে যাচ্ছি দাফন করতে। লকডউনের কারণে স্বজনরা মারা গেলেও করোনা ভয় ও সড়ক পথে যাতায়াতের কারণে অনেকই বিদায় বেলায় প্রিয় মানুষটির মুখ দেখতে পারছেন না। ডাঃ নজরুল ইসলাম নামে এক চিকিৎসক জানান, বর্তমান এই মৌসুমে ইনফ্লয়েঞ্জা ভাইরাসের প্রকোপ থাকে।

সাধারণনত গ্রামে গ্রামে এই রোগ দেখা দিচ্ছে। তারা সুস্থও হচ্ছেন। আবার অনেক বয়স্ক মানুষের হৃদরোগসহ নানা সমস্যা আছে। মৃত্যুবরণ করলেই উপসর্গ থাকায় অনেকেই ঢালাও ভাবে করোনা ভাইরাসের কথা উল্লেখ করছেন। এসব কারণে মানুষের মধ্যে আতংক কাজ করছে। এদিকে গত ২৪ ঘন্টায় ঝিনাইদহে করোনায় মারা গেছে ৩ জন। এই নিয়ে জেলায় করোনা শুরুর পর থেকে এক’শ জনের মৃত্যু হয়েছে। নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ১৭ জন। ঝিনাইদহ করোনা ইউনিটে ভর্তি আছেন ৫৭ জন। ঝিনাইদহ ইসলামিক ফাউন্ডেশন এ পর্যন্ত ১১১ জনের লাশ দাফন করেছে। এর মধ্যে করোনা উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুবরণকারীরাও আছেন।

 

 

#চলনবিলের আলো / আপন

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।