শুক্রবার , ৩০শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৬ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - শীতকাল || ১১ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

আত্রাইয়ে বন্যায় ভেঙে যাওয়া বাঁধ সংস্কার না করায় এলাকাবাসী উদ্বিগ্ন

প্রকাশিত হয়েছে- মঙ্গলবার, ৮ জুন, ২০২১

নওগাঁর আত্রাইয়ে নাদীর পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে বন্যায় ভেঙে যাওয়া বাঁধ সংস্কার না করায় মাঠের ফসল নিয়ে এলাকাবাসী চরম উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। গত ২০২০ সালের ভয়াবহ বন্যায় উপজেলার বেশ কয়েকটি স্থানে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধসহ পাকা সড়ক ভেঙে যায়। বন্যার পানি নেমে যাবার পর দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও ভেঙে যাওয়া বাঁধ ও পাকা রাস্তার কয়েক স্থানে সংস্কার করা হলেও পাঁচুপুর পালপাড়া নামক স্থানে ভাঙন সংস্কার না হওয়ায় মাঠের ফসল নিয়ে ১০ গ্রামের মানুষ চরম আতঙ্কে রয়েছে।

জানা যায়, ২০২০ সালের ভয়াবহ বন্যায় উপজেলার মধুগুড়নই হয়ে পাঁচুপুর চারমাথা পর্যন্ত বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধ কাম পাকা রাস্তার পাঁচুপুর পালপাড়া নামক স্থানে ভেঙে যায়। ওই রাস্তা ভেঙে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। সে সময় থেকেই মালিপুকুর, পাঁচুপুর, মধুগুড়নইসহ বেশ কয়েক গ্রামের লোকজনের যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যায়। ওই এলাকার ১০ গ্রামের লোকের মাঠের ফসল পানির নিচে তলিয়ে যায়। এদিকে বাঁধ ভাঙার একবছর অতিবাহিত হতে চললেও কর্তৃপক্ষ এটি মেরামতের কোন উদ্যোগ গ্রহন করেন নি। ফলে একদিকে মধুগুড়নই, পাঁচুপুর, মালিপুকুর, সাহেবগঞ্জ, গুড়নইসহ ১০ গ্রামের কৃষক বর্ষাকালীন আবাদ নিয়ে উদ্বিগ্ন ও উৎকন্ঠার মধ্যে রয়েছেন। অপরদিকে যোগাযোগ ব্যবস্থার ক্ষেত্রেও চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন এলাকার হাজার হাজার জনসাধারণ। মধুগুড়নই গ্রামের আবু হাসান বলেন, নদীর পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে আমাদের উদ্বিগ্নতা বেড়ে যাচ্ছে। আমাদের মাঠে বর্ষাকালীন যে আবাদগুলো করা হয়।

এ বাঁধের ভাঙন মেরামত না করায় আমরা সে আবাদ নিয়ে চরম উদ্বিগ্নতার মাঝে রয়েছি। আত্রাই উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পাঁচুপুর গ্রামের অধিবাসী আবু হেনা মোস্তফা কামাল বলেন, ২০১৭ সালের বন্যায় এ রাস্তাটির এখানেই ভেঙে ছিল। পরবর্তীতে বালু ভরাট দিয়ে তা সংস্কার করা হয়েছিল। ২০২০ সালেও একই জায়গায় ভেঙে যায়। বন্যার পানি শুকিয়ে যাবার দীর্ঘদিন পরও রাস্তাটি মেরামতের কোন উদ্যোগ না নেয়ায় আমরা খুব দুর্ভোগের শিকার হচ্ছি। সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান আফছার আলী প্রাং বলেন, এ বৃহত কাজ ইউপির আওতায় পরে না। যার জন্য বাঁধের এ ভাঙন সংস্কারের বিষয়টি একাধিকবার উপজেলা সমš^য় কমিটির সভায় উত্থাপন করেছি। আসন্ন বর্ষা মৌসুমের আগে এটি সংস্কার না করলে এলাকার লোকজনের অনেক ক্ষয়ক্ষতি হবে। তাই আমিও দ্রুত এ ভাঙন সংস্কারের জন্য উর্ধতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

 

 

#চলনবিলের আলো / আপন

 

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।