শুক্রবার , ৩০শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৬ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - শীতকাল || ১১ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

আগৈলঝাড়ার এক যুগেও মালিকানা বুঝে পায়নি বন্দোবস্তপ্রাপ্ত ভূমিহীন কৃষকেরা

প্রকাশিত হয়েছে- মঙ্গলবার, ১ জুন, ২০২১

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় এক যুগেও প্রান্তিক ও ভূমিহীন কৃষকদের নামে বন্দোবস্ত দেয়া জমির মালিকানা বুঝিয়ে দেয়নি বন্দোবস্ত প্রদান করা প্রশাসন। বছরের পর বছর ধর্ণা দিয়েও মালিকানা বুঝে না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে নিজেদের নামে জমি বন্দোবস্ত পাওয়া মালিকেরা তাদের মালিকানা বুঝে পেতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে পুণঃরায় আবেদন করেছেন ।

উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নের ভুক্তভোগী বন্দোবস্ত প্রাপ্ত চাষি কহিনুর বেগম, লক্ষী বালা, খালেদা বেগম, মানিক বেপারী, কাশী নাথ মুন্সি, হাকিম মোল্লা, সুরেশ বেপারী গত ৩০ মে যৌথ স্বাক্ষরিক ইউএনও বরাবরে তাদের রিখিত অভিযোগে জানান, রাজিহার ইউনিয়নের জেএল ২০, আহুতি বাটরা মৌজায় সরকারের ১নং খাস খতিয়ানভুক্ত এসএ-১২৫৭/১নং দাগে ১০ শতাংশ করে ২০জন ভূমিহীনকে ২ একর জমি ২০০৯ সালের ১৩ জুলাই বন্দোবস্ত মোকদ্দমা নং ০৩/০৮-০৯ এর মাধ্যমে সরকার তাদের অনুকুলে ৯৯ বছরের মালিকানায় বন্দোবস্ত প্রদান করেন। বন্দোবস্ত প্রদানের পরেও গত এক যুগে ভুমির মালিকেরা তাদের নামের জমির মালিকানা বুঝে পান নি।

অভিযোগকারীরা জানান, তাদের নামে জমি বন্দোবস্তো দেয়ার পরে ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ওই জমি সরেজমিন ভূমিহীনদের দখল বুঝে দিতে গেলে জনৈক বাবুল সন্যামত গং বন্দোবস্তো প্রদান করা জমি তার নিজেদের দাবি করে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী অফিসার দীপংকর বিশ্বাসের সাথে সরেজমিনেই তাদের দাবি পেশ করেন।

জমির মালিকানা বুঝে নেয়ার জন্য ভুমিহীনরা পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতা চাইলেও অজ্ঞাত কারনে সহকারী কমিশনারের (ভূমি) দায়িত্বে থাকা তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী অফিসার দীপংকর বিশ্বাস জমির মালিকানা বুঝে না নিয়ে বরং ভূমি অফিসের কর্মকর্তাদের ফোনে ফিরে আসার নির্দেশ দেন।

এই ঘটনার পর থেকে বন্দোবস্তো প্রাপ্ত প্রান্তিক কৃষকরা বছর গড়িয়ে যুগ পেরোনো সময়ে ভুমি অফিসে গিয়ে ধর্ণা দিয়েও তাদের জমির মালিকানা বুঝে নিতে পারেন নি।

চাষিদের অভিযোগ একটি সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা ভুমি অফিসের কতিপয় কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কারনে ভূমিহীন প্রান্তিক কৃষকরা ওই জমি এতদিনেও তাদের মালিকানায় বুঝে পাননি।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.আবুল হাশেম বলেন, তিনি অভিযোগ পেয়েছেন। অভিযোগটি মার্ক করে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) অফিসে দেয়া হয়েছে। তারা কাগজপত্র পর্যালোচনা করে উপস্থাপন করার পরে তিনি ব্যবস্থা নিবেন বরেও জানান।

 

 

#চলনবিলের আলো / আপন

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।