শুক্রবার , ৩০শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৬ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - শীতকাল || ১১ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

লামায় খুনের মামলার আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে ; প্রশাসন নিরব

প্রকাশিত হয়েছে- মঙ্গলবার, ১ জুন, ২০২১
বান্দরবানের লামায় খুনের মামলার আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে ; সংশ্লিষ্ট প্রশাসন নিরব ভূমিকা পালন ও উল্টো বিবাদীপক্ষ হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীর পরিবার।
অভিযোগ সূত্রে জানায়,গত ৫ মার্চ,২০২১ ইং,সকালে বান্দরবানের লামা সদর ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ি পোপা খালের মুখে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহতের ঘটনায় হত্যা মামলার বিবাদী নূর হোসেন ভেন্ডীসহ ১২ জন আসামির মধ্যে ১০ জন এখনও ধরা ছোঁয়ার বাইরে। হত্যা মামলার ৫ ও ৭ নং আসামী ব্যতীত অন্যরা প্রায় ৩ মাস অতিবাহিত হলেও এখনও গ্রেফতার না হওয়ায় বাদীপক্ষ হতাশা, অসহায়ত্ব বোধ করছেন। সেক্ষেত্রে বিচারের বাণী নিভৃতেই কাঁদচ্ছে বলে মনে করেন সচেতন মহল। এর মধ্যেই ১জন জামিনে আছেন।হোসেন ভেন্ডীর পরিবারের সদস্যরা বাদী ও নিহতের পরিবারের সদস্যকে মামলা তুলে নিতে বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছেন।
নিহত বশির আহমদের ছোট ভাই ও হত্যা মামলার বাদী দলিল আহমদ বলেন, গত ২৫ বছর ধরে সমাজের সর্দার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন আমার বড় ভাই বশির আহমদ। স্থানীয় নুর হোসেন ভেন্ডী এলাকায় একটি সিন্ডিকেট তৈরি করে রাস্তায় বেরিকেড দিয়ে এলাকার অসহায় কৃষক, শ্রমিক, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার লোকজনের কাছ থেকে মালামাল পরিবহনের সময় চাঁদা আদায় করেন। ২-৩ মাস চাঁদা আদায়ের পর সমাজের সর্দার হওয়ায় অসহায় লোকজনের পক্ষে গত ২৫ ফেব্রুয়ারী লামা থানা, লামা নির্বাহী কর্মকর্তা, সাব জোন কমান্ডার ও লামা প্রেস ক্লাবে ওই সিডিন্ডকেটের চাঁদাবাজির বিষয়ে লিখিতভাবে অবগত করেন আমার ভাই বশির আহমদ। এরপর থেকে সিন্ডিকেটটি আমার ভাই বশির আহাম্মদকে প্রাণে হত্যা করার পরিকল্পনা করে।
এক পর্যায়ে গত ৫ মার্চ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ১০-১২জন সংঘবদ্ধ হয়ে পোপা খালের মুখে জাহাঙ্গীরের মুদির দোকানের সামনে আমার ভাইয়ের উপর হামলা করেন। এতে আমার ভাই বশির আহমদ গুরুতর আহত হলে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসারত অবস্থায় মারা যান আমার ভাই বশির আহমদ। এ ঘটনায় আমার পরিবারের আরো ৫ সদস্য গুরুতর আহত হন। পরে আমি বাদী হয়ে গত ৮ মার্চ থানায় ১২ নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ৬-৭ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করি (মামলা নং-২১/২১)।
 মামলায় অভিযুক্তরা হলেন- নুর হোসেন প্রকাশ ভেন্ডী (৫৫), মো. রফিক (৫৫) , আব্দুস ছালাম (২৬), আব্দুস শুক্কুর (৩২), রোমান (২১), পারভেজ (২০), মোস্তফা (৫৩), রবিউল হােসেন (১৯), পারভিন আক্তার (৩৮), সুমি আক্তার (২২), খতিজা খাতুন (৪৫), তাসলিমা বেগম (৩৭)। নিজেদের অপরাধ ঢাকতে ও এ মামলা থেকে পার পেতে নুর হোসেন প্রকাশ ভেন্ডীর পরিবারের লোকজন শুরু করেন নানা ষড়যন্ত্র। তারা ষড়যন্তের অংশ হিসেবে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলে গত বৃহস্পতিবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে প্রশাসনকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা চালায়। দলিল আহমদ আরো বলেন, আমার ভাইয়ের হত্যার দুই আসামী গ্রেফতার হলেও বর্তমানে অন্যরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং মামলা তুলে নিতে হুমকি দিচ্ছেন। উল্লেখ্য, ২০১০ সালে জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে আমার ভাইয়ের হত্যা মামলার আসামী মোস্তফা তার নিজের ছোট ভাই মো. হাছানকে হত্যা করে। পরে এ ঘটনায় হাছানের স্ত্রী মোস্তফাকে প্রধান আসামী করে থানায় একটি হত্যা মামলা করেন (যার মামলা নং জিআর ৮৫/১০। 

 

#চলনবিলের আলো / আপন

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।