লকডাউনের মধ্যে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নারির টানে বাড়ি ফিরে ঈদ-উল ফিতরের উৎসব শেষে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার কর্মস্থলে ফিরতে পথে পথে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন বরিশালের যাত্রীরা।
স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে যাত্রীবহন ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ে চরম বিপাকে পরেছেন কর্মস্থলগামী জনসাধারণ। বরিশালের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল নথুল্লাবাদ ও রূপাতলীতে বুধবার সকালেও ছিলো কর্মস্থলমুখী মানুষের ভিড়। দুরপাল্লার যানচলাচল বন্ধ থাকায় আন্তঃজেলায় চলাচলরত বাস, সিএনজি, প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাসে গাদাগাদি করে যাত্রীবহন করতে দেখা গেছে। এ সুযোগে যানবাহনের চালকরা কয়েকগুন ভাড়া আদায় করে নিচ্ছেন।
বরিশাল থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেওয়া বেসরকারি চাকরিজীবী মেহেদী হাসান বাপ্পী জানান, সড়কে যানবাহন কম থাকার সুযোগে যান চালকদের দৌরাত্ম্য বেড়েছে। নৌ-রুটের লঞ্চের পাশাপাশি দুরপাল্লার বাস চলাচল বন্ধ থাকায় ভেঙে ভেঙে গন্তব্যে যেতে হচ্ছে। ভাড়াও দিতে হচ্ছে কয়েকগুণ বেশি। এছাড়া কোন বাহনই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাচল করছে না। গাদাগাদি করে যাত্রীবহন করায় স্বাস্থ্যঝুঁকিও বাড়ছে। তিনি আরও বলেন, এর চেয়ে কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে লঞ্চ ও দুরপাল্লার বাস চলাচল করার অনুমতি দেয়া হলে সাধারণ মানুষকে এতো স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পরতে হতোনা। তিনি আরও বলেন, বরিশাল থেকে ঢাকাগামী দূর পাল্লার পরিবহন (বিএমএফ) আগৈলঝাড়া-রাজিহার-ঘোষেরহাট হয়ে মাদারীপুর পর্যন্ত চলাচল করছে। পরিবহন সংশ্লিষ্ঠরা বলছেন, মহাসড়কে পুলিশী হয়রানীর জন্য তারা এই আভ্যন্তরীণ রুট ব্যবহার করছেন।
আন্তঃজেলায় চলাচলরত বাসের একাধিক সহকারীরা (হেলপার) বলেন, যাত্রীদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাচল করতে বললে তাদের অধিকাংশরাই তা মানতে চাননা। অনুরোধ করা সত্বেও কেউ কেউ ক্ষেপে যান। তাই অনিচ্ছা স্বাত্তেও স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষিত হচ্ছে।
বরিশাল মেট্রোপলিটন ট্রাফিক বিভাগের পরিদর্শক আব্দুর রহিম বলেন, যাত্রীদের নিরাপত্তায় দুই বাস টার্মিনালেই ট্রাফিক পুলিশের কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। বেশি ভাড়া আদায় ও হয়রানি বন্ধে পুলিশী কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
#আপন_ইসলাম