কমলগঞ্জ মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে করোনাকালীন সময়ে লকডাউন ও শ্রমিক সংকটের কারনে কৃষকের জমির পাকা ধান কেটে দিয়েছে কমলগঞ্জ উপজেলা যুবলীগ। কৃষকদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নে তারা এই কার্যক্রম করেন। শুক্রবার (২৩ এপ্রিল)সকালে কমলগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের উদ্যোগে প্রায় ৬০ জন নেতাকর্মী উপজেলার খোশালপুর গ্রামের আজাদ মিয়া,ফারুক মিয়া ও শহীদ মিয়ার ধানক্ষেতের এক একর পাকা ধান কেটে বাড়ী পর্যন্ত পৌছে দেয় কমলগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের নেতাকর্মীরা। এসময় উপস্থিত থেকে ধান কাটেন মৌলভীবাজার জেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক সৈয়দ রেজাউর রহমান সুমন,কমলগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক পৌর মেয়র মো.জুয়েল আহমেদ,যুগ্ম-আহবায়ক মো. আব্দুল মালিক বাবুল,সদস্য আলাল আহমদ,জহিরুল হোসেন নান্নু, নিয়াজ মোর্শেদ রাজুসহ অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী।যুবলীগ নেতাকর্মীরা পাকা ধান কেটে দেয়ায় কৃষক আজাদ মিয়া, ফারুক মিয়া ও শহীদ মিয়া অনেকটাই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তারা বলেন, লকডাউনের মধ্যে ধান কাটার উপযুক্ত হলেও লকডাউনে শ্রমিক সংকটে পড়ি।এলাকায় যে শ্রমিক পাওয়া যায় তাদের মজুরি বেশি হওয়াতে ক্ষেতের ধান পাকার পরও তা কাটতে না পারায় ক্ষতির শঙ্কায় ছিলাম।
এ অসহায়ত্বের কথা শুনে যুবলীগ নেতা পৌর মেয়র জুয়েল ভাই দলের নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে ক্ষেতের ধান কেটে দেন।কমলগঞ্জ উপজেলার যুবলীগের আহবায়ক পৌর মেয়র মো. জুয়েল আহমেদ জানান, লকডাউনের তৃতীয় মেয়াদে শ্রমিক ও অর্থ সংকটের কারণে এক একর জমির পাকা ধান কাটতে পারছিলেন না পৌর এলাকার খুশালপুর গ্রামের আজাদ মিয়াসহ তিন কৃষক। ক্ষেতেই ধান নষ্ট হওয়ার উপক্রম হচ্ছিল। খবর পেয়ে শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে যুবলীগের নেতাকর্মীরা আমার নেতৃত্বে সেখানে যান। দলের প্রায় অর্ধ শতাধিক নেতাকর্মী ওই তিন কৃষকের এক একর জমির পাকা ধান কেটে বাড়িতে পৌছে দেন। তিনি বলেন, করোনাকালীন এই দুর্যোগকালীন সময় প্রধানমন্ত্রী কৃষকদের পাশে দাঁড়ানোর যে নির্দেশনা দিয়েছেন তার বাস্তবায়ন ঘটাতেই কেন্দ্রীয় যুবলীগের নির্দেশে আজ কৃষক আজাদ মিয়াসহ তিন কৃষকের ধান কাটার মধ্যদিয়ে কমলগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের ধান কাটার কর্মসূচির উদ্বোধন করা হল। কৃষকের ধান কেটে দেওয়ার যুবলীগের এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
#CBALO/আপন ইসলাম