যশোর অভয়নগরে করোনা ভাইরাস সংক্রমনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন পণ্য পরিবহনের সাথে জড়িত ড্রাইভার-হেলপারসহ খালাসে প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে জড়িত হাজার হাজার শ্রমিক। ঝুঁকির মূলে রয়েছে আমদানী-রপ্তানীকারক প্রতিষ্ঠানগুলি। চলতি করোনা মহামারির সময় ভারতের বিভিন্ন প্রদেশ থেকে মালামাল নিয়ে যেসব ট্রাক চালক নওয়াপাড়ায় আসছেন, তাদের মধ্যেও সচেতনার চিহ্ন মাত্র নেই। সোমবার বিকালে নওয়াপাড়া এলাকা ঘুরে দেখা গেছে ভারত থেকে মালামাল নিয়ে আসা ট্রাক ড্রাইভারসহ নওয়াপাড়া জংশনে থাকা রেলওয়ের বগি থেকে মালামাল নিতে আসা ট্রাক ড্রাইভাররা কোন রকম স্বাস্থ্য সুরক্ষার তোয়াক্কা করছেন না। কয়লা ড্যাম্পগুলো থেকে অসংখ্য ট্রাক লোড করে দেশের বিভিন্ন স্থানে যাচ্ছে এবং সেখান থেকে অন্যান্য সামগ্রী পরিবহন করে নওয়াপাড়ায় আনছে। জানা গেছে, দেশ জুড়ে করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার বেড়ে যাওয়ায় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থায় সরকার প্রথম সাত দিন লকডাউন ঘোষনা করেছে। তবে এ লকডাউনের মধ্যে নওয়াপাড়া এলাকার শিল্প কারখানা চালু রাখতে বেনাপোল বন্দর লকডাউনের আওতামুক্ত রাখা হয়েছে। আর এ সুযোগে ট্রাক ড্রাইভাররা স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না। এ বিষয়ে নওয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা রেজাউল বলেন, ট্রাক ড্রাইভারদের জন্য আমরা সাধারণ মানুষ মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছি, যে কোন সময় আক্রান্ত হতে পারি। লকডাউনে কয়লা ব্যবসায়ীরা লোড-আনলোড বন্ধ না হওয়ায় এ ঝুঁকি মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠানগুলির ত্রাণ বিতরণ তৎপরতা না থাকায় সাধারণ মানুষ জীবন- জীবিকার তাগিদে বাইরে বের হওয়ায় করোনা ঝুঁকি আরও বেশি বেড়েছে। করোনা আক্রান্তের বিষয়ে অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ রিজভী সাংবাদিককে বলেন, এ পর্যন্ত অভয়নগরে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৫৪০ জন, ০১ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা আনসারসহ মারা গেছেন ১৬ জন। হোম কোয়ারান্টাইনে চিকিৎসা নিচ্ছেন ৩১জন, অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছেন ০৬ জন, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে ০৬ জন।
#CBALO/আপন ইসলাম