১৭ মার্চ বাংলাদেশে স্বাধীনতার রুপকার, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০১তম জন্মবার্ষিকী।
মহান জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমান ফরিদপুর জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। শৈশবে আদর করে ডাকা হতো ‘খোকা’ নামে। খোকা নামের সেই শিশুটিই কালক্রমে হয়ে যান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
যিনি বাংলার নিপীড়িত নির্যাতিত বাঙালি জাতির মুক্তির পথপ্রদর্শক। দেশের মানুষের প্রতি তার মমত্ববোধ ও ভালোবাসা তাকে বাঙালির সার্বিক মুক্তির লড়াইয়ে শামিল হতে উদ্বুদ্ধ করে।
তার গভীর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, দেশ ও দেশের মানুষের প্রতি গভীর ভালোবাসা পরাধীনতার শৃঙ্খল ছিড়ে মুক্ত করার দায়বদ্ধতা স্পাত কঠিন রাজনৈতিক দৃঢ়তায় এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করে। এভাবেই পর্যায়ক্রমে তিনি হয়ে ওঠেন বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা।সারাদেশের ন্যায় জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলার ৫-নং নয়ানগর ইউনিয়নের মালন্চা বাজারে আতোষবাজী ও কেক কেটে শুভ ১০১ তম জন্ম দিন উৎযাপন করেছেন, উক্ত জন্মবার্ষিকীতে কেক কাটা অনুষ্টানে উপস্হিত ছিলেন জহুরুল ইসলাম জহুমাল সহ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মেলান্দহ উপজেলা শাখা, হুমায়ুন কবির সোনাহার সদস্য বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ মেলান্দহ উপজেলা শাখা,
শাহ কামাল সভাপতি বাংলাদেশ কৃষকলীগ নয়ানগর ইউনিয়ন শাখা, রুহুল আমিন সভাপতি বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ নয়ানগর ইউনিয়ন শাখা, রনয় খান রানা সাধারন সম্পাদক বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ নয়ানগর ইউনিয়ন শাখা, সুজন শেখ, জাকারিয়া হিটলার, মাহাদীহাসান কাজল,মহসীন এম কবীর আরিফ, সবুজ মিয়া, নূরল ইসলাম সরকার, রুপচান সহ সকল আওয়ামীলীগ ও সহ যোগীসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
#CBALO/আপন ইসলাম