শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলায় হাঁস পালনের মাধ্যমে খামার থেকে হাজার-হাজার টাকা আয় করছেন অনেক খামারি। এমনই সফল খামারিদের মাঝে একজন যোগানিয়া ইউনিয়নের সামিদুল হক মুন্সী। খামারে আগ্রহ বাড়ছে অনেকের মাঝে। খােঁজ নিয়ে জানাগেছে, করোনা কালিন সময় উপজেলার যোগানিয়া ইউনিয়নের পরিচিত মুখ, সফল কৃষক,যোগানিয়া পশ্চিম পাড়া গ্রামের সামিদুল হক মুন্সী (৪৮)কৃষি ও মৎস্য খামার থেকে খুব বেশি আয় করতে না পেরে হাঁসের খামার করার পরিকল্পনা করেন। গত প্রায় ৮ মাস আগে নিজ উদ্যোগে বাড়িতে নির্মাণ করেন খামারের ঘর,হাউজ,ময়মনসিং হ্যাচারী থেকে সংগ্রহ করেন প্রায় ১ হাজার হাঁসের বাঁচ্চা। ক্রয় করেন খাদ্য, ঔষধ সহ খামারের প্রয়োজনীয় সবকিছু। এতে তার প্রায় খরচ হয় ৫ লাখ টাকা। ৬ সদস্যের পরিবার প্রধান হিসেবে সামিদুল মুন্সী (৪৫) নিজেই সার্বক্ষণিক হাঁসের খামার পরিচালনা করছেন। খামার থেকে দৈনিক প্রায় ৫শ ডিম বিক্রি হচ্ছে। পাইকারদের কাছে ডিম বিক্রি করে ব্যায় মিটিয়ে তিনি প্রতিদিন গড়ে ২ হাজার ৫শত টাকা আয় করছেন।
তার দেখা-দেখি ও পরামর্শে নালিতাবাড়ী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অনেকেই হাঁসের খামার করে লাভবান হচ্ছেন। কথা হয় উপজেলার নন্নী পূর্বপাড়া গ্রামের হাঁসের খামারি শাহিন মিয়ার সাথে তিনি বলেন, আমি সৌদি প্রবাসী ছিলাম দেশ আসার পর নিজ বাড়িতে হাঁসের খামার করে অনেকটাই লাভের মুখ দেখছি। এবিষয়ে পরামর্শ আর পৃষ্ঠপোষকতা পেলে আরোও বড় খামার করার ইচ্ছা আছে। এবিষয়ে জানতে চাইলে,প্রতিষ্ঠিত হাঁসের খামারি সামিদুল হক মুন্সি বলেন-যোগানিয়া ইউনিয়নে আমি চেয়ারম্যান পদে গত ইউপি নির্বাচনে অংশ গ্রহন করে পরাজিত হলেও সফল হই কৃষি,মৎস্য ও হাঁসের খামার করে। খরচ মিটিয়ে হাঁসের খামার থেকে অর্ধলক্ষাধিক টাকা আয় হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সার্বিক সহযোগীতা, উৎসাহ পেলে ইনশাল্লাহ আরও আর্থিক লাভবান হব বলে আশা করছি। এব্যাপারে উপজেলা প্রাণীসম্পদ অফিস জানায়,খামারীদের আর্থিক লাভের জন্য উৎসাহ দিতে খামার পরিদর্শন সহ নানা পরামর্শ ও সহযোগিতা করে আসছি।
#CBALO/আপন ইসলাম