বরগুনার তালতলী উপজেলার বেহালা গ্রামের বিধবা উর্মিলা রানি। ৬৫ বছরের সহায় সম্বলহীন বিধবা মানুষটি প্রধানমন্ত্রীর উপহারে ঘর পেয়ে হয়েছিলেন ভীষণ খুশি।কিন্ত সেই ঘরই ধসে গেছে।
উর্মিলা রাণির অভিযোগ, নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে কাজ করা হয়েছে। আপত্তি জানালে উল্টো ধমক খেতে হয়েছে তাকে।
ঘর পাওয়া অন্যদের অভিযোগ, কমপক্ষে ৩ ফুট গভীরতায় ইটের গাঁথুনি থাকার কথা। সেখানে ১ ফুটেরও কম গভীর থেকে দেয়াল তোলা হয়েছে। এমনকি নির্মাণের সামগ্রী পরিবহণের জন্য চাওয়া হয়েছে টাকা।
তালতলী উপজেলায় ১০০টি ঘর নির্মাণের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয় ১৭ কোটি ১ লাখ টাকা। প্রকল্পের সভাপতি ইউএনও মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান। তদারকি দায়িত্বে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রুনু বেগম। তবে তারা কেউই এ ঘটনার দায় নিতে রাজী নন।
প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রুনু বেগম বলেন, এই প্রকল্প ইউএনও স্যারের করা। আপনারা উনার সঙ্গে যোগাযোগ করুন। আমি এ বিষয়ে কিছু জানি না।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, এখানে ভালো মানের ইট ব্যবহার করা হয়েছে। যেসব অভিযোগ এসেছে তা আমরা তদারকি করছি। মাটিতে লবণাক্ত পানি এবং ভিটে নরম থাকার কারণেই ঘরগুলো ভেঙ্গে পড়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর নির্মাণে অনিয়মের বিষয়টি তদন্তে কমিটি করেছে জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান বলেন, এ অনিময়ের বিষয়ে তদন্ত করার জন্য আমি অতিরিক্ত রাজস্ব কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছি। তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর কারো কোন গাফিলতি থাকলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
CBALO/আপন ইসলাম