রবিবার , ২৫শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১১ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - শীতকাল || ৬ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

দারুস সালামে আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে জায়গা দখলের অভিযোগ

প্রকাশিত হয়েছে- সোমবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২০
নিজস্ব প্রতিবেদক :
বিজ্ঞ যুগ্ন ২য় জেলা জজ আদালত গত ০৮/১২/২০২০ ইং তারিখে কাজী মুশফিকুর রহিম (রবিন) এর আদালত ১৯০৮ এর ১৫১ নং বিধি মোতাবেক সরকারি দারুসসালাম স্কুলের পাশে জহুরাবাদ মৌজার এ জায়গায় স্থিতাবস্থা জারী করে। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী উভয় পক্ষকে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলেও স্থানীয় দারুসসালাম আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোঃ ইসলাম ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী শনিবার সকাল ১০. ৩০ মিনিটে এমন হামলা চালায় বলে জানা গেছে। এসময় জমিতে থাকা মামলা ও আদালতের নিষেধাজ্ঞার সাইনবোর্ড ভাঙচুর করে এবাহিনী।
সরেজমিনে দেখা যায়, ইসলাম ভাই না বললে কাজ চলবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন শিশু একাডেমীর কর্মকর্তারা। একই জমি একবার ওয়াকফ এস্টেট  ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমীর নামে বরাদ্দ দেয় ঢাকা জেলা প্রশাসক। সিএস. ও এস এ রেকর্ড মোতাবেক জায়গাটি ব্যক্তির থাকলেও আর এস জরিপ এর সময় তাহা কবরস্থানের জায়গা বলে এক নম্বর খতিয়ানভুক্ত করা হয়। শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানের সীমানা নির্ধারণ শেষ হলে ঐ জায়গাটি কাজে না লাগায় তা পরিত্যক্ত ঘোষণা করে সরকার।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, সিএস ও এস খতিয়ান ১১ আর.এস খতিয়ান ২৬৭ ও মহানগর সিটি জরিপে ৭৬৪ নং দাগের ৪ একর ৪৫ শতাংশ জায়গা এটি। এ দাগের অবশিষ্ট ৩. ২২৮ একর জায়গাটি ২৮/০৯/২০০২ সালে ১৯৩৫ সালের এস এ ম্যানুয়ালের ৫৩৪ বিধির ১১৩২৮/০৯ নম্বর বিধি মোতাবেক মোকদ্দমার আদেশ মতে এ খতিয়ানের ৪৬২ নং দাগের (খ) কলামে ০১০৮ এর স্থলে ০১৮০ হইয়া ১ নং খাস খতিয়ান হতে সংশোধিত আকারে ৭৬৪ নং দাগটি সৃষ্টি হয়। ১৫/০১/২০০৯ ইং সালে আইন উদ্দিন হায়দার ওমরুন নেছা ওয়াকফ এস্টেট এর মোতায়ালী আবুল কালাম আনসারী (জামাল) এর আবেদনের ভিত্তিতে ৩.০২৮ একর জায়গাটি বরাদ্দ পাই।
আবার একই জমি ১৯/০৪/২০১৫ ইং সালে বাংলাদেশ শিশু একাডেমী জেলা কার্যালয় তৈরি করতে জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা রাশিদা বেগমের আবেদনে আবারও ০৭/১২/২০১৬ ইং সালে শিশু একাডেমীর নামে দীর্ঘ মেয়াদী বন্দোবস্ত দেন জেলা প্রশাসক। যার দলিল নং ৪৭৫৭। ২৪/০১/২০১৬ ইং তারিখে তারা এই জমির নামজারি ও করে নেয় এবং নতুন ১২২৮ নম্বর খতিয়ান সৃষ্টি হয়। এ দাগের ৭৬৩ নাম্বারে থাকা সরকারি দারুসসালাম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নামে ১৯.৬০ শতাংশ বরাদ্দ থাকলেও তারা ১.০ একরের বেশি জায়গা দখল করে।
এ ব্যাপারে সি এস ও এস এ রেকডিয় মালিক দীন ইসলাম,  দেলোয়ার হোসেন খান জানান আদালতে আমরা ৪৯০ নাম্বার একখানা দেওয়ানী মামলা করেছি। এর দাগের জায়গার সরকারি একোয়ার ভুক্ত না হলেও একটি মহল অপপ্রচারের মাধ্যমে তাদের দখলের অশুভ পাঁয়তারা করছে। অন্যদিকে সি.এস ও এস রেকর্ড এর সময় জমির শ্রেণী ডোবা দেখালেও আর.এস রেকর্ডে তা পরিবর্তীত হয়ে কবরস্থান হয়। আবার সিটি জরিপ হলে এ জায়গার শ্রেণি পরিবর্তন হয় তা ডোবা দেখানো হয় যদি বোবা হয়ে থাকে তা কবরস্থান হওয়ার কোনো সুযোগ নেই বলে দাবি করেন মামলার বাদী পক্ষ।
এ ব্যাপারে দারুস সালাম থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোঃ ইসলাম বলেন, আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে সাইনবোর্ড ভাঙ্গার প্রশ্নই আসে না। জমির ঝামেলার বিষয়ে শিশু একাডেমির মহিলার সাথে আমি স্পটে গিয়েছিলাম। কিন্তু জমি দখলের জন্য নয়।
তিনি আরো বলেন, আসলামুল হক এমপি সাহেবের সাথে আমার কথা হয়েছে যারা সাইনবোর্ড লাগিয়েছে এখন শুনতেছি এই জমি তাদের। যদি এই জায়গা সরকারের হয় তাহলে তোমরা সরকারের পক্ষেই থাকো। এর বাহিরে কোন কিছু করার প্রয়োজন নাই।
এ ব্যাপারে দারুস সালাম থানার এস আই রেজাউল করিম বলেন, আদালতের নিষেধাজ্ঞার তারিখ পর্যন্ত দুই পক্ষের কোনো পক্ষ ঝামেলা করতে না পারে ও জায়গার উপরে কোন ধরনের কাজ না করতে পারে এ বিষয়ে আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।