রবিবার , ২৫শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১১ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - শীতকাল || ৬ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

করোনা কালীন সময়ে বাল্য বিবাহ বন্ধ হক

প্রকাশিত হয়েছে- সোমবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২০

শাবলু শাহাবউদ্দিন:

আইন অনুযায়ী ছেলেদের ২১ বছরের কমে এবং মেয়েদের ১৮ বছরের কমে বিবাহ দেওয়া নিষেধাজ্ঞা থাকলেও কতটুকু মানা হচ্ছে এই বিষয়টি তাহা বর্তমান করোনা কালীন সময়ে প্রশ্নের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে । করোনা কালীন সময়ে গণসচেতনতা এবং প্রচার প্রচারণার অভাবে আবার বাল্য বিবাহের যেন সুদিন ফিরেছে এসেছে । করোনা কালীন সময়ে সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি সংস্থাগুলো নিয়ম অনুযায়ী মাঠ পর্যায়ে তাদের কাজ পরিচালনা করতে পারছে না, যার ফলে বাল্য বিবাহ গতানুগতিক নিয়মে চরম হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে । বাংলাদেশ পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সহ সমাজ সেবা অধিদপ্তর এখন সঠিক ভাবে মাঠ পর্যায়ে তাদের প্রচার প্রচারণা এবং গণসচেতনতা বৃদ্ধি মূলক কার্যক্রম নেই বললেই চলে ।

 

এছাড়া বিভিন্ন এনজিও এখন মাঠ পর্যায়ে সামাজিক গণসচেতনতা মূলক কোন কাজ পরিচালনা করছে না বললে ভুল হবে না । করোনা কালীন সময়ে সব প্রতিষ্ঠান তাদের টিকে থাকার স্বার্থে কাজ করছে । সমাজিক কাজ যদিও তাদের মুখ্য বিষয় তবুও তাঁরা তাদের টিকে থাকার স্বার্থে সাধ্যমত সামাজিক গণসচেতনতা মূলক কাজ করতে পারছে না । ফলে বাল্য বিবাহ বিষয়ক জনসচেতনতা এখন প্রায় নেই বললে ভুল হবে না । গ্রামে গ্রামে বাল্য বিবাহের মহা উৎসব চলছে । এই বাল্য বিবাহ উৎসব থামাতে না পারলে আবারও মাতৃমুত্যুর হার বৃদ্ধি পাবে । বৃদ্ধি পাবে প্রজন্ম হার । বৃদ্ধি পাবে শিশু মৃত্যুর হার । বৃদ্ধি পাবে পুষ্টিহীনতা জনসংখ্যার হার । স্বাস্থ্য খাত আবার ভেঙে পড়বে । করোনা কালীন সময়ে বাল্য বিবাহের প্রধান কারণ হল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকা ।

 

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার কারনে গ্রামের মেয়েদের বাল্য বিবাহ চরম হারে বৃদ্ধি পেয়েছে । এছাড়া স্থানীয় সরকার এবং প্রশাসনের অবহেলার কারনে বাল্য বিবাহ বৃদ্ধি অন্যতম একটি কারণ দেখা যাচ্ছে । এছাড়া করোনা কালীন সময়ে গ্রামের মানুষের কাজের চাপ একদম কমে যাওয়ায় বাল্য বিবাহ বৃদ্ধি আরেকটি কারণ হতে পারে । করোনা কালীন সময়ে করোনা ভাইরাস বিষয়ক জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে গিয়ে কালের বিবর্তনে মত বাল্য বিবাহ বিষয়ক প্রচার প্রচারণা হারিয়ে গেছে । টেলিভিশন কিংবা খবরের কাগজে এখন আর তেমন একটা বাল্য বিবাহ বিষয়টি নিয়ে প্রচার প্রচারণা করা হচ্ছে না । যার ফলে গ্রামে অশিক্ষিত এবং অর্ধশিক্ষিত মানুষগুলো একদম যেন ভুলে গেছে বাল্য বিবাহের কুফল গুলো । এইভাবে বাল্য বিবাহ চলতে থাকলে আগামী ভবিষ্যতে গ্রামের অর্থনৈতিক এবং সামাজিক অবক্ষয় বৃদ্ধি পাবে । ভেঙে যাবে গ্রামে স্বাস্থ্য খাত । বৃদ্ধি পাবে প্রজন্ম হার, শিশু মৃত্যুর হার, মাতৃমৃত্যুর হার, পুষ্টিহীনতার হার । এখন উপযুক্ত সময় সরকার, প্রশাসন সহ শিক্ষিত ও সচেতন সমাজের, এই বিষয়টি নিয়ে প্রচার প্রচারণা করে বাল্য বিবাহ বন্ধ করার । নতুবা আগামী ভবিষ্যৎ হবে জাতির জন্য অন্ধকার ।

 

CBALO/আপন ইসলাম

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।