শনিবার , ২৪শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১০ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - শীতকাল || ৫ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধুরেল সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত হয়েছে- রবিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২০
টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধুরেল সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী
সাইফুল ইসলাম, মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ 
টাঙ্গাইলের যমুনা নদীর ওপর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেল সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর শুরু হলো টাঙ্গাইলের যমুনা নদীর উপর ডাবল লাইনের বঙ্গবন্ধু রেল সেতুর নির্মাণ কাজ।
আজকে রবিবার (২৯ শে নভেম্বর) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সকাল সাড়ে ১০ টায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু রেলওয়ে সেতুর নির্মাণ কাজের উদ্বোধন ও ভিত্তিফলক উন্মোচন করেছেন। গণভবন থেকে ভার্চ্যুয়ালি নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন তিনি। অনুষ্ঠানে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়েছিলেন রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন।
যমুনা নদীর ওপরে বঙ্গবন্ধু সেতুর ৩০০ মিটার উজানে নির্মিত হচ্ছে ডাবল লেনের এই রেললাইন সেতু। নির্মিত হলে এটি হবে দেশের বৃহত্তম রেলসেতু। এতে প্রায় ১৭ হাজার কোটি টাকায় ব্যয়ে বঙ্গবন্ধু যমুনা সেতুর ৩০০ মিটার উজানে এই রেলসেতু নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রকল্প পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৪ সালের আগস্টে নির্মাণ কাজ শেষ হবে।
রেলপথ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, “বঙ্গবন্ধু রেলসেতু হবে বিদ্যমান বঙ্গবন্ধু সেতুর সমান্তরাল ডুয়েল গেজ ডাবল ট্রাকসহ প্রায় ৪ দশমিক ৮০ কিলোমিটার। সেতুর উভয় পাশে মোট প্রায় ৩০ কিলোমিটার রেললাইন নির্মাণ করা হবে। রেলসেতুটি ডুয়েলগেজ ডাবল ট্র্যাক হওয়ায় পূর্বাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চলের মধ্যে চলাচলকারী সংশ্লিষ্ট ট্রেনগুলোর ক্রসিংজনিত কারণে আগের মতো স্টেশনগুলোতে অপেক্ষা করতে হবে না। এ সেতুতে গ্যাস সঞ্চালন পাইপলাইন স্থাপন করা হবে। “
বঙ্গবন্ধুর নামে রেলসেতু নির্মাণে জাইকা ১২ হাজার ১৪৯ কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে। বাকি চার হাজার ৬৩১ কোটি টাকা জোগান দেবে সরকার।
বঙ্গবন্ধু রেলসেতুতে ডাবল লাইন ডুয়েল গেজ রেললাইন থাকবে। দুই প্রান্তে আধা কিলোমিটার করে ভায়াডাক্ট এবং সাড়ে সাত কিলোমিটার সংযোগ লাইন নির্মাণ করা হবে। লুপ ও সাইডিংসহ প্রায় ৩০ কিলোমিটার রেললাইন নির্মাণ করা হবে।
যমুনা নদীর ওপর ১৯৯৮ সালে বহুমুখী সেতু নির্মাণ করা হয়। এতে সড়কের পাশাপাশি সিঙ্গেল লাইন রেলপথ রয়েছে। এ কারণে সেতু পারাপারে ট্রেনগুলোকে ক্রসিংয়ের জন্য অপেক্ষা করতে হয়। নতুন রেলসেতু নির্মাণের পর ক্রসিংয়ের অপেক্ষা থাকবে না। ট্রেনের রানিং টাইম ২০ মিনিট কমবে। ব্রডগেজ ট্রেন ১২০ কিলোমিটার, মিটারগেজ ট্রেন ১০০ কিলোমিটার গতিতে চলতে পারবে। দিনে ৮৮টি ট্রেন চলতে পারবে।
উল্লেখ্য যে, বঙ্গবন্ধু রেলসেতুটির নির্মাণ কাজ শেষ হলে দেশের রেল যোগাযোগে হবে নতুন মাত্রা। এতে কমবে ভোগান্তি। বাঁচবে সময়। ঢাকার সাথে উত্তর ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের কাছে আশীর্বাদ হিসেবে ধরা দিবে এ রেলসেতু।
CBALO/আপন ইসলাম

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।