বালুবাহী বল্কহেড চলাচলের কারণে চৌহালীতে যমুনা নদীর পুর্র তীর রক্ষা বাধে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। উপজেলা পরিষদ ও স্থাপনা রক্ষার্থে বালুবাহি বল্কহেড চলাচল বন্ধ করার দাবিতে দফায় দফায় ভিক্ষোভ করে চলছে ভুক্তভোগী জনসাধারণ। নদীর পুর্ব তীরে বল্কহেড চলাচল করায় আতঙ্কে প্রায় ৪০০থেকে ৫০০ বাড়িঘর ও ফসলি জমি। হুমকির মুখে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ইউনিয়ন পরিষদ ভবন, হাট বাজার ও উপজেলা পরিষদ অর্ধশত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ফলে ভাঙন বিধ্বস্ত উপজেলার বাকি অংশটুকু রক্ষার জোর দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী। চৌহালী নৌ ঘাট এর উত্তর পাশে, জোতপারা খেয়া ঘাট, জনতা হাইস্কুল ঘাট, খাষপুখুরিয়া উত্তর পারা, শাকপাল, মিটুয়ানি হাইস্কুল সংলগ্ন, চর সলিমাবাদ ভুতের মোর ভাঙ্গল রোধ প্রকল্পে ভাঙ্গন ও ব্লগ ধসে যাচ্ছে। তবে বর্তমান ভাঙ্গনের মূল কারণ যমুনা নদী দিয়ে রাতদিন বাল্বহেড দিয়ে বালি সরবরাহ করা।
সবকিছু হারিয়ে যতটুকু আছে তা নিয়ে এবং স্কুল কলেজ মাদ্রাসা ইউনিয়ন পরিষদ ফসলি জমি ও বসতভিটা রক্ষায় মানববন্ধনসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরে জানিয়ে স্থানীয়রা প্রতিকার পেতে বিভিন্ন দপ্তরের দৌড়ঝাঁপ শুরু করছে। তাই স্থানীয়দের জোর দাবি ভাঙন রোধে চাই স্থায়ী বাঁধ ও বালুবাহী বল্কহেড বন্ধ। এছাড়াও এলাকাবাসী ভাঙ্গন রোদে এবং বাল্বহেড যমুনা নদীতে চলাচল বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।
ভাঙ্গন কবলিত স্থানীয় বাসিন্দা আবুল বাশার গণমাধ্যমকে জানান, বেশকিছু দিন যাবত যমুনার তীব্র ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। ভাঙ্গনের মূল কারণ বালু মহলের শতশত বাল্কহেড বালু নিয়ে চলাচল।
চৌহালী থানা অফিসার ইনচার্জ মো, মতিউর রহমান বলেন, বল্কহেড ঠেকাতে জনতা যমুনার তীরে একত্রিত হয়, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে বল্কহেড চলবে না মর্মে জনতাকে আশ্বস্ত করেন।
সহকারী কমিশনার ভুমি মো, হাসিবুর রহমান বলেন, আমি যমুনা নদীর তীরে গিয়ে বল্কহেড সহ জানমাল রক্ষার্থে জনগণের সাথে কথা বলে বন্ধে উদ্যোগ নেন।