বৃহস্পতিবার , ১২ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৯শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - শীতকাল || ২৪শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

জাটকায় সয়লাব চৌহালীর হাট-বাজার

প্রকাশিত হয়েছে- বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার বিভিন্ন হাট- বাজার গুলোতে জাটকা ইলিশে সয়লাব । মৎস্য আড়ৎ ও হাট-বাজারগুলোতে অভিযান জোরদার করার কথা থাকলেও তোয়াক্কা করছেন না মৎস্য ব্যবসায়ীরা। তারা মৎস্য অধিদফতর ও প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গলি দেখিয়ে জাটকা আহরণ সরবরাহ চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রতিদিন হাজার হাজার টাকার জাটকা ইলিশ বেচাকেনা হচ্ছে প্রকাশ্যেই।
অটো ভ্যানসহ নানা মাধ্যমে চৌহালীর বিভিন্ন স্থানে বাজারজাত করা হচ্ছে। তবে জাটকা নিধন বন্ধে মৎস্য অধিদফতর এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর ভূমিকা নেই। মাঝে মধ্যে দু’ একটি অভিযান চালালেও তা পর্যাপ্ত নয়। অভিযোগ রয়েছে, মৎস্য আড়তগুলোতে প্রকাশ্যে জাটকা বেচাকেনা হলেও সেখানে অভিযান চালানো হয় না।
চৌহালী হাসপাতাল মোড় এলাকার এক মৎস্য ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, চৌহালী সব বাজার গুলোতে প্রকাশ্যে জাটকা বিক্রি হচ্ছে। অথচ সেখানে অভিযান চালানো হয় না। কারেন্ট জাল দিয়ে  অবাধে জাটকা ধরা ও বিভিন্ন বাজারে তা অবাধে বিক্রি হচ্ছে। সেখানে অভিযান নেই বলে অভিযোগ রয়েছে।
যমুনা নদীর বিভিন্ন জায়গায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জাটকা ইলিশ ধরা, বিক্রি ও পরিবহন থামছেই না।
স্থানীয়রা জানান, উপজেলা মৎস্য অফিসের লোকজন মাঝে মধ্যে নদীতে অভিযান চালিয়ে জাটকা ইলিশ আটক করার খবর শোনা গেলেও জাটকা ধরার জাল বিক্রি বন্ধে কোনো অভিযান দেখা যায়নি।
 উপজেলার খাষকাউলিয়া কে আর পাইলট মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মোড় ও হাসপাতাল মোড় এলাকায় সরেজমিন দেখা গেছে, ব্যবসায়ীরা প্রকাশ্যে জাটকা বিক্রি করতে।
সরকারি বিধান অনুযায়ী, ১ নভেম্বর থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ২৫ সেন্টিমিটারের নিচে জাটকা ইলিশ ধরা, পরিবহন ও বিপণন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ (সংশোধিত) অধ্যাদেশ-২০-২৫ অনুযায়ী এ অপরাধে দুই বছর কারাদণ্ড বা পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা হতে পারে। কিন্তু বাস্তবে এসব আইনি কঠোরতা ও প্রয়োগ না থাকায় জেলেরা জাটকা ধরা সাহস পাচ্ছে।
 আড়তকর্মীরা জানান, প্রশাসন মাঝে মাধ্যে অভিযান চালায়। কিন্তু জাটকা ক্রয়-বিক্রয় কখনোই পুরোপুরি বন্ধ থাকে না।
জেলেদের দাবি, নদীতে বড় ইলিশের সঙ্কটে, বিকল্প জীবিকা না থাকায় তারা বাধ্য হয়েই জাটকা শিকার করেন। তারা আরো বলেন, ইলিশ বড় হওয়ার আগেই ছোট ফাঁসের জাল নিয়ে ধরে ফেলা হচ্ছে। তবে বিশেষজ্ঞদের দাবি এভাবে জাটকা নিধন অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে বড় ইলিশের আকাল দেখা দিবে।
 এবিষয়ে উপজেলা মৎস্য অফিসার অন্জন কুমার রায় জানান, এখনতো নির্বাচন কালিন সময়, দ্বিতীয়তো নদীতে আমাদের অভিযান চলছে। আমাদের অফিসের ক্ষেত্রসহকারির সাথে নিয়মিত যোগাযোগ করছি। নির্বাচনের পরে অভিযান জোরদার করবো। জাটকা যাতে ধরতে না পারে ব্যবস্হা নেয়া হবে।

সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল ইসলাম রনি-০১৭১৩-৫৮২৪০৬, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ রায়হান আলী-০১৭৫১-১৫৫৪৫৫, বার্তা সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম আপন-০১৭৪০-৩২১৬৮১। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ মেছের উদ্দিন সুপার মার্কেট ভবন, হান্ডিয়াল বাজার, চাটমোহর, পাবনা থেকে প্রকাশিত। ঢাকা অফিসঃ তুষারধারা, আর/এ, সেক্টর ১১, রোড নং ০৭, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১৩৬২। বার্তা কার্যালয়ঃ অষ্টমনিষা বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। প্রকাশক কর্তৃক সজল আর্ট প্রেস, রূপকথা গলি, পাবনা থেকে মুদ্রিত। মোবাইল নম্বর-০১৭৪৯-০২২৯২২,ই-মেইল- newscbalo@gmail.com / editorcbalo@gmail.com / www.chalonbileralo.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ©2017-2025 (এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ) অনলাইন নিবন্ধন আবেদনকৃত। আবেদন নম্বর- ২১৮৮।