সিরাজগঞ্জের চৌহালীতে একজন কর্মকর্তা দিয়ে চলছে উপজেলা প্রাইমারি এডুকেশন ট্রেনিং সেন্টার। গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরাধীন উপজেলা প্রাইমারি এডুকেশন ট্রেনিং সেন্টার ও ইন্সট্রাক্টর এর কার্যালয় চলছে একজন কর্মকর্তা দিয়ে।
“শিক্ষার জন্য এসো-সেবার জন্য বেড়িয়ে যাও” শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড, শিক্ষা অর্জনে আনুষ্ঠানিক শিক্ষার গুরুত্ব অনস্বীকার্য আর আনুষ্ঠানিক শিক্ষা অর্জনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়তে সরকার প্রতি বছর শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকেন উপজেলা প্রাইমারি এডুকেশন ট্রেনিং সেন্টার থেকে।
সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলায় গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান প্রাইমারি এডুকেশন ট্রেনিং সেন্টার। ইন্সট্রাক্টর -১ জন,সহকারী ইন্সট্রাক্টর-১ জন, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর – ১জন, নৈশ প্রহরী- ১জন, মোট- ৪ জন কর্মরত জনবল: থাকার কথা।
অথচ ১জন ইন্সট্রাক্টর দিয়ে চলছে শিক্ষক শিক্ষিকাদের ট্রেনিং, অফিসিয়াল ও মাঠ পর্যায়ে কার্যক্রম। উপজেলার প্রত্যেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন এবং সরকারের উন্নয়ন বানি নিয়ে প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানে ছুটে চলছেন ইন্সট্রাক্টর চঞ্চল কুমার মিস্ত্রি। অথচ নিজের দপ্তরে জনবল সংকট, একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন নেই, জনবল নিয়োগ নেই। ফলে দপ্তরটি একজন জনবল দিয়ে চলছে দাপ্তরিক কাজ।, বদলী ও অবসর জনিত কারণে শুন্য পদের সৃষ্টিতে জনবল সংকট, দপ্তরটি কালের সাক্ষী দেখার কেউ নেই।
বর্তমান সময়ে শিক্ষার মনোন্নয়নে শিক্ষার্থীদের আধুনিকতা ও মেধাবৃদ্ধির লক্ষ্যে শিক্ষকদের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন করে গড়তে (প্রশিক্ষণ)ট্রেনিং কার্যক্রম চলে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। ট্রেনিং সেন্টারে জনবল সংকটে দপ্তরটি জিমিয়ে পরেছে।
এবিষয়ে ইন্সট্রাক্টর চঞ্চল কুমার মিস্ত্রী জানান, আমার এ দপ্তরে ৪ জন স্টাফ থাকার কথা অথচ আমি একা আছি, প্রাইমারি এডুকেশন ট্রেনিং সেন্টার পরিচালনা সহ সকল বিষয় আমাকেই দেখতে হচ্ছে। শিক্ষকদের ট্রেনিং ও দাপ্তরিক কাজের সুবিধার্থে জনবল নিয়োগ দিয়ে প্রতিষ্ঠান বাচান সেবা বাড়ানো জন্য সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করছি।