স্থানীয়রা জানান, এক যুগেরও বেশি সময় আগে স্টেশনটি নির্মাণ করা হয়। নাম জটিলতাসহ বিভিন্ন কারণে স্টেশনটি চালু হয়নি। এই রেলস্টশন চালুর ফলে টাঙ্গাইল সদর, বাসাইল ও সখীপুর উপজেলার কয়েক লাক মানুষ এর সুযোগ সুবিধা ভোগ করবে। এছাড়াও টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী সরকারি সাদত কলেজ ও করটিয়া হাটের কয়েক লাখ মানুষ সুবিধা ভোগ করবে।
স্থানীয় বাসিন্দা গোলাম রব্বানী রাসেল বলেন, ‘স্টেশনটি চালু না হওয়ার ফলে সরকারের কোটি কোটি টাকার সম্পদ নষ্ট হয়ে যাচ্ছিল। স্টেশনটি চালুর পর তিন উপজেলার কয়েক লাখ মানুষ এ সুবিধা পাবে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য ফজলুল হক বলেন, ‘স্টেশনটি বাসাইল উপজেলার হাবলা ইউনিয়নের সোনালিয়া গ্রামে ২০১০ সালের দিকে নির্মিত হয়েছে। এটি টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া এলাকার সীমান্তবর্তী। নাম জটিলতাসহ বিভিন্ন কারণে স্টেশনটি চালু হচ্ছিল না। দীর্ঘদিন পর আজ স্টেশনটি চালু হয়েছে। করটিয়া একটি বাণিজ্যিক এলাকা। এখানে সকল আন্তঃনগর ট্রেন থামানোর পাশাপাশি আশেপাশের সড়ক উন্নয়নের দাবি করছি।’
রেলওয়ে মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেন বলেন, ‘প্রথমে একটি ট্রেন দিয়ে যাত্রা শুরু করলেও পরবর্তীতে সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেসসহ ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো হবে। এছাড়াও টাঙ্গাইল কমিউটার ট্রেন চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।’